Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

ঘরের যেসব উপকরণ গর্ভাবস্থায় থাকা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর

আহমেদ শরীফ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:১৪, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
ঘরের যেসব উপকরণ গর্ভাবস্থায় থাকা সন্তানের জন্য ক্ষতিকর

সন্তানের মা হওয়া সব নারীরই স্বপ্ন। কিন্তু গর্ভবতী হওয়ার পর সেই আগত সন্তানের নিরাপত্তার বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হয় সবার আগে।

আর তাই গর্ভবতী মায়ের খাবার দাবার, চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। ক্যাফেইনসহ ক্ষতিকর পানীয় ও খাবার বর্জন করতে হয় আগত সন্তানের সুস্থতার কথা ভেবেই। এক্ষেত্রে একটি বিষয় অনেকটাই উপেক্ষা করেন গর্ভবতীরা। তা হলো- যে ঘরে তিনি থাকেন, সেখানে কোনো ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।

এডওয়ার্ড ভায়া কলেজ এবং ভার্জিনিয়া ম্যারিল্যান্ড কলেজের সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় জানা গেছে, বাসা বাড়ির সৌন্দর্যে যেসব কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়, সেগুলোর মাঝে অনেক কেমিক্যালই শিশুদের অস্বাভাবিক জন্ম ও স্বাস্থ্যগত জটিলতার জন্য দায়ী। এমনকি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একজনও যদি সেসব কেমিক্যালের সংস্পর্শে আসেন, তাহলেও তা আগত শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেসব কেমিক্যাল বা উপকরণ আগত সন্তান জন্মগ্রহণের আগেই তার ক্ষতি করতে পারে, সেগুলো সম্পর্কে জানি চলুন।

ওয়াল পেইন্ট: ঘরে যদি আপনার স্ত্রী গর্ভবতী থাকে, তাহলে আপনার ঘরে ওয়াল পেইন্টের কাজ করানোর আগে ভাবতে হবে আপনাকে। কারণ ওয়াল পেইন্টের উপকরণে সীসার পরিমাণ বেশি থাকে, যা গর্ভাবস্থায় থাকা শিশুর জন্য ক্ষতিকর। এই সীসার প্রভাবে গর্ভাবস্থায় থাকা শিশুর জন্মগত ত্রুটি বা প্রিম্যাচিউর জন্ম হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সে পরিস্থিতিতে ওয়াল পেইন্ট করতে হলে খেয়াল রাখুন ঘরে ভেন্টিলেশন ভালো আছে কি না। ওয়াল পেইন্ট করার সময় গর্ভবতী মাকে ঘর থেকে দূরে সরিয়ে রাখা উচিত।

মশা তাড়ানোর স্প্রে: মশা ও পোকা দূর করতে বাজারে পাওয়া বিভিন্ন স্প্রে বেশ কার্যকর হলেও সেগুলো গর্ভবতী নারীদের জন্য স্বাস্থ্যকর না। কয়েক ধরনের কেমিক্যাল থাকে সেসব স্প্রেতে, যেগুলো গর্ভে থাকা শিশুর জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। তাই গর্ভবতী মায়ের কথা বিবেচনা করে প্রথম কয়েক মাস প্রাকৃতিক উপায়ে মশা তাড়ানোর ব্যবস্থা করা অথবা পরীক্ষিত ও নির্ভরযোগ্য স্প্রে ব্যবহার করা উচিত ঘরে।

ন্যাপথলিন বল: বাজারে প্রচলিত মথবল বা ন্যাপথলিন বল ঘর ও টয়লেট থেকে কীটপতঙ্গ দূর করা ও দুর্গন্ধ কমাতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু এই ন্যাপথলিন বলের ৯৮ শতাংশই টক্সিক কেমিক্যাল- ন্যাপথলিন। তাই এটি গর্ভবতী নারীর বমি ভাব, ঝাপসা দেখা সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এই কেমিক্যাল আগত শিশুর জন্যও ক্ষতির কারণ হতে পারে।

ক্যাট লিটার বক্স: অনেক সময় খুব অপ্রত্যাশিত ভাবেই অনেক উপকরণ রোগ ও সংক্রমণের জন্য দায়ী হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, ঘরে থাকা ক্যাট লিটার বক্স বা স্যান্ডবক্সে টক্সোপ্লাজমা গোন্ডি নামের প্যারাসাইট থাকে। শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে এই প্যারাসাইট গর্ভবতী মায়ের শরীরে প্রবেশ করলে আগত শিশুর জন্য বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে তা, এমনকি মায়ের জন্যেও এটি ক্ষতিকর। গবেষকরা বলছেন, না ধুয়ে কোনো ফল বা সবজি খেলে বা দূষিত পানি পান করলে যে ক্ষতি হয় শরীরের, এই প্যারাসাইট তেমন ক্ষতি করে।

প্লাস্টিক: বিশেষজ্ঞরা বলছেন পুরো বিশ্বের জন্যই প্লাস্টিক একটি ক্ষতিকর উপকরণ। তবে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এই প্লাস্টিক থেকে দূরে থাকা আরো জরুরি, কারণ এতে ফেলাইট নামের কেমিক্যাল থাকে, যা শরীরে সহজে প্রবেশ করতে পারে। এই কেমিক্যাল গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য ক্ষতিকর।


ঢাকা/ফিরোজ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে