Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ২৪ জুলাই ২০২১ ||  শ্রাবণ ৯ ১৪২৮ ||  ১২ জিলহজ ১৪৪২

ফিটনেস বাড়াতে যে পুষ্টি প্রয়োজন

এস এম গল্প ইকবাল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:৫৫, ৭ ডিসেম্বর ২০২০   আপডেট: ২১:১৩, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ফিটনেস বাড়াতে যে পুষ্টি প্রয়োজন

শারীরিক ফিটনেস উন্নতির চাবিকাঠি হতে পারে একটি মিনারেল। মিনারেলটি হলো ম্যাগনেসিয়াম। গবেষণায় ফিটনেস ও ম্যাগনেসিয়ামের মধ্যে যোগসূত্র পাওয়া গেছে। অর্থাৎ আপনি কি পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খাচ্ছেন তার ভিত্তিতে ফিটনেসের উন্নতি বা অবনতি হতে পারে। আপনি ফিটনেস লেভেল বাড়ানোর উপায় খুঁজলে আপনার ডায়েটে ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ বাড়াতে পারেন। গবেষণায় ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি শরীরের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে দেখা গেছে। ফিটনেস ও হেলথ এক্সপার্টের মতে, ম্যাগনেসিয়াম শরীরচর্চার কার্যকারিতা ও ফিটনেস পারফরম্যান্স বাড়াতে পারে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যাগনেসিয়াম পেশিকে নমনীয় রাখতে সাহায্য করে। পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম ছাড়া শরীর শিথিল হতে পারে না। যার ফলে শরীরচর্চার সময় পেশি সংকুচিত হয় ও ইনজুরির ঝুঁকি বাড়ে। পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে শরীরে ল্যাকটিক এসিড জমে, যেকারণে শরীরচর্চার পর পেশিতে ব্যথা ও অনমনীয়তা অনুভূত হয়।

শরীরে অসংখ্য বিপাকীয় প্রক্রিয়ায় ম্যাগনেসিয়াম সম্পৃক্ত। ফিজিক্যাল অ্যাক্টিভিটি ও পারফরম্যান্সের জন্য যেসব বিপাকীয় প্রক্রিয়া প্রয়োজন তার সঙ্গেও ম্যাগনেসিয়াম জড়িত। ডায়েটে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকলে শরীরচর্চার সময় পেশিগুলো মিনারেলটি পেয়ে থাকে, যা শক্তিমত্তা বাড়াতে সাহায্য করে। শরীর ম্যাগনেসিয়ামে পুষ্ট হলে অক্সিজেনের ডেলিভারি বাড়ে ও অ্যানারোবিক মেটাবলিজমের ওপর তেমন নির্ভর করতে হয় না। ফলে কার্ডিও-টাইপ শরীরচর্চায় সহনশীলতা বাড়ে ও পেশিগুলো সহজে ক্লান্ত হয় না। ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন যতটুকু ম্যাগনেসিয়াম প্রয়োজন তা খেলে শরীর ব্যায়ামের জন্য যথেষ্ট শক্তি পেয়ে থাকে ও পর্যাপ্ত সেরোটোনিন উৎপাদনের কারণে রাতে ভালো ঘুম হয়। স্নায়ুতন্ত্রকে শিথিল করতে, মেজাজকে ভালো রাখতে ও নির্বিঘ্ন ঘুমাতে সেরোটোনিনের গুরুত্ব রয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, শরীরকে বেশি করে ‘ইনসুলিন-লাইক গ্রোথ ফ্যাক্টর’ তৈরিতে সাহায্য করতে প্রতিদিন ৩৫০-৩৬০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেসিয়াম গ্রহণের প্রয়োজন রয়েছে। পেশির গ্রোথ ও শক্তিমত্তায় ইনসুলিন-লাইক গ্রোথ ফ্যাক্টরের অবদান রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডায়েট থেকে প্রয়োজনীয় পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম পেলে ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট সেবনের প্রয়োজন নেই এবং অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ডায়েট থেকে দৈনিক সুপারিশকৃত মাত্রায় ম্যাগনেসিয়াম পাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। ম্যাগনেসিয়ামের কিছু সেরা উৎস হলো- বাদাম, বীজ, বিনস, গোটা শস্য ও সবুজ শাকসবজি। প্রতিদিন এসব খাবার খেলে ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টের দরকার নেই। ম্যাগনেসিয়ামের আরো দুটি উৎস হলো- মিষ্টি কুমড়া ও কলা।

ঢাকা/ফিরোজ

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়