Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     শনিবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১ ||  আশ্বিন ৩ ১৪২৮ ||  ০৯ সফর ১৪৪৩

বিশ্বের জনপ্রিয় সব খাবার

আহমেদ শরীফ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:২৫, ২৪ জুলাই ২০২১   আপডেট: ১২:২৯, ২৪ জুলাই ২০২১
বিশ্বের জনপ্রিয় সব খাবার

বিনোদনের জন্য কোনো দেশে ঘুরতে যাবেন হয়তো আপনি। বেড়ানো আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করা একটা বড় লক্ষ্য, তবে নতুন দেশে গিয়ে সেখানকার সবচেয়ে মজার খাবারটা নিশ্চয়ই আপনি মিস করতে চাইবেন না। আবার অন্য দেশের জনপ্রিয় কিছু খাবার আপনিও হয়তো ঘরে তৈরি করতে ইচ্ছুক। খাদ্য বিশারদ আর পর্যটকদের বিবেচনায় বিশ্বের কয়েকটি দেশের সেরা কিছু খাবার নিয়ে আজকের আয়োজন।

* সুশি (জাপান): ভিনেগারযুক্ত ভাতের সঙ্গে সি ফুড, সবজি অনেক ক্ষেত্রে ফল যোগ করে তৈরি করা হয় সুশি। জাপানি ওসাবি গাছ, আদা, সয় সস মিশিয়ে তৈরি করলে সুশি বেশি সুস্বাদু হয়। সুশিতে কোন ধরনের মাছ যোগ করা হয় তার ওপর নির্ভর করে এর স্বাদ। এ খাবার বিশ্বের অনেক দেশেই জনপ্রিয় এখন। 

* রেনডাং (ইন্দোনেশিয়া): অনেকের মতে, বিশ্বের সবচেয়ে সুস্বাদু খাবার রেনডাং। নারিকেলের দুধ দিয়ে হালকা আঁচে রান্না করা গরুর মাংসকে রেনডাং বলে। রান্নার সময় হলুদ, রসুন, লেমনগ্রাস, আদা, মরিচ ও ইন্দোনেশিয়ান হার্ব গালানজাল ব্যবহার করা হয়। প্রায় কয়েক ঘণ্টা স্টিউ করার পর ডিশটার স্বাদ অন্য রকম হয়ে যায়। 

* রামেন (জাপান): জাপানের একটি জনপ্রিয় ডিশের নাম রামেন। হুইট নুডলসের সঙ্গে সবজি ও মাংস থাকে রামেনে। মাংসের ঝোলটা কেমন হবে, তার ওপর নির্ভর করে রামেনের স্বাদ। জাপানের একেক অঞ্চলে তাই এর স্বাদ একেক রকম দেখা যায়। 

* টম ইয়াম গুং (থাইল্যান্ড): চিংড়ির সঙ্গে স্বাস্থ্যকর কিছু হার্ব ও মসলা দিয়ে তৈরি করা এক ধরনের টক ও ঝাল থাই স্যুপ। লেবু, কাফির লেবুর পাতা, গালানজাল, লাল মরিচ এসব যোগ করা হয় এই স্যুপে। এর স্বাদে ভিন্নতা আনতে নারকেলের দুধ  ও ক্রিম মেশানো হয় অনেক সময়। 

* কাবাব (টার্কি): মধ্যপ্রাচ্যে এমনকি আমাদের দেশেও খুব জনপ্রিয় এক খাবার কাবাব। এটি মূলত তুরস্কের খাবার। মাংসের মন্ড দিয়েই মূলত কাবাব তৈরি করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে সি ফুড, ফল ও সবজি দিয়েও তৈরি হয় কাবাব।

* পিকিং ডাক (চীন): এই ডিশের জন্য বিশেষভাবে যত্ন নেয়া হাঁসকে জন্মের ৬০ দিন পর কাটা হয়, যাতে তার চামড়া নরম থাকে। যিনি অর্ডার করবেন, তার সামনেই ডিশটি তিন ভাগে তৈরি করে দেয়া হয়। প্রথমে চিনি ও রসুনের সস দিয়ে সার্ভ করা হয়। পরের অংশ দেয়া হয় পেনকেক দিয়ে। আর শেষ অংশটা মাংসের ঝোল দিয়ে সার্ভ করা হয়। যারা হাঁস পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি খুব লোভনীয় এক ডিশ। 

* পায়ালা (স্পেন):  জনপ্রিয় এই খাবারটির উৎপত্তি স্পেনের ভ্যালেনশিয়াতে। মূলত খরগোশ অথবা মুরগি অথবা হাঁসের মাংস দিয়ে পায়ালা তৈরি করা হয়। এর সঙ্গে চিংড়ি, শামুকের মতো সি ফুডও যোগ করা হয়। এই ডিশ তৈরির জন্য সবচেয়ে উত্তম চাল হলো বোম্বা রাইস বা ভ্যালেনশিয়া রাইস। 

* গোলাশ (হাঙ্গেরি): মধ্য ইউরোপের জনপ্রিয় এক খাবার গোলাশ। নবম শতকে হাঙ্গেরিতে এই খাবারের প্রচলন শুরু হয়। গরু, গরুর বাচ্চা, ভেড়ার মাংস বা শূকরের মাংস দিয়ে এই ডিশ তৈরি করা হয়। ছোট ছোট করে মাংস কেটে লবণ দিয়ে মেখে রাখা হয়। এরপর পেঁয়াজ কুচি আর তেলে গরম করতে হয়। গুঁড়া মরিচ যোগ করে মাংসটা কম আঁচে গরম করার পর তার সঙ্গে গাজর, আলু, ধনেপাতা মেশানো হয়। 

* লাসাগনা (ইতালি): ইতালিতে এক সময় বেশ জনপ্রিয় ছিল লাসাগনা নামের পাস্তা। এখন আবারো এই খাবার ফিরে এসেছে। এতে মাংস, পাস্তা, সবজি, টমেটো, সস আর প্রচুর চিজ দেয়া হয়। এখন লাসাগনা ইতালির সব বয়সী মানুষেরই পছন্দের খাবার। 

* বিরিয়ানি (ভারত): শুধু ভারতেই নয় পাকিস্তান, বাংলাদেশ সহ উপমহাদেশের প্রায় সব দেশেই বিরিয়ানি খুব জনপ্রিয় এক খাবার। সবচেয়ে সুস্বাদু বিরিয়ানি রান্না করার ক্ষেত্রে ভালোমানের বাসমতি চাল, ভালো মানের তেল, খাঁটি ঘি ব্যবহার করা উচিত। চিকেন বিরিয়ানি ও কাচ্চি বিরিয়ানি দুটোই খুব জনপ্রিয় কম বয়সী ভোজন রসিকদের কাছে।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়