ঢাকা     মঙ্গলবার   ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৭ ১৪২৭ ||  ০৪ সফর ১৪৪২

একটি মার্সেল ফ্রিজ কিনে আরেকটি ফ্রি পেলেন দুই ক্রেতা

এম মাহফুজুর রহমান || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৬:৩৮, ১৬ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
একটি মার্সেল ফ্রিজ কিনে আরেকটি ফ্রি পেলেন দুই ক্রেতা

মার্সেল ফ্রিজ কিনে পাওয়া ফ্রি ফ্রিজটি গ্রহণ করছেন আব্দুল ওয়াহেদ সরকার

একটি মার্সেল ফ্রিজ কিনে আরেকটি মার্সেল ফ্রিজ ফ্রি পেয়েছেন গাইবান্ধার আব্দুল ওয়াহেদ সরকার এবং সিরাজগঞ্জের খোকন মোল্লা।

রেফ্রিজারেটর, টেলিভিশন এবং এয়ারকন্ডিশনার ক্রেতাদের ৬০০ ফ্রিজ ফ্রি পাওয়ার সুযোগসহ নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার দিচ্ছে দেশের জনপ্রিয় ব্র্যান্ড মার্সেল। দেশব্যাপী চলমান ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-৬ এর আওতায় এসব সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। ক্যাম্পেইনে লাভবান হলেন গাইবান্ধা ও সিরাজগঞ্জের এই দুই ক্রেতা।

উল্লেখ্য, অনলাইনে দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদানের লক্ষ্যে কাস্টমার ডাটাবেজ তৈরি করছে মার্সেল। এজন্য তারা চালাচ্ছে ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন ক্যাম্পেইন। এ প্রক্রিয়ায় ক্রেতার নাম, ফোন নম্বর এবং ক্রয়কৃত পণ্যের মডেলসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। এর ফলে, ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত কাঙ্ক্ষিত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে ৬০০ ফ্রি ফ্রিজের সুযোগসহ নিশ্চিত ক্যাশ ভাউচার দিচ্ছে মার্সেল।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ, ২০২০) আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় মার্সেল-এর ডিস্ট্রিবিউটর শোরুম আয়শা ইলেকট্রনিক্স-এ  আনুষ্ঠানিকভাবে ওয়াহেদ সরকার ও খোকন মোল্লার হাতে ফ্রি পাওয়া ফ্রিজ দুটি তুলে দেয়া হয়। এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আয়শা ইলেকট্রনিক্সের স্বত্ত্বাধিকারী ইকবাল চৌধুরী এবং মার্সেলের বিপণন বিভাগের সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর মোহাম্মদ ইসমাইল।

একটি ফ্রিজ কিনে আরো একটি ফ্রি পেয়ে মহাখুশি এই দুই ক্রেতা।

সম্প্রতি আয়শা ইলেকট্রনিক্স-এর সাবডিলার গাজীপুরের কালিয়াকৈরের জোয়াদ্দার ইলেকট্রনিক্স থেকে ৩৩৩ লিটারের মার্সেল ফ্রিজটি কেনেন ওয়াহেদ সরকার। অন্যদিকে গাজীপুরের আরেক সাবডিলার মা জেনারেল স্টোর এন্ড ইলেকট্রনিক্স থেকে ৩১২ লিটারের মার্সেল ফ্রিজটি কেনেন খোকন মোল্লা। কেনার পর ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করে দেন বিক্রেতা। কিছুক্ষণ পর তাদের মোবাইলে আরেকটি করে ফ্রিজ ফ্রি পাওয়ার মেসেজ যায়। বিষয়টি নিশ্চিত হলে আনন্দের ঢল নামে উভয় পরিবারে। মার্সেল থেকে ফ্রিজ কিনে ফ্রি ফ্রিজ পাওয়ায় সাড়া পড়ে গেছে এলাকায়।

কালিয়াকৈরের একটি পোশাক কারখানার অপারেটর ওয়াহেদ সরকার। তিনি ৩৩,২০০ টাকা দিয়ে ফ্রিজটি কেনেন। ওয়াহেদ জানান, বাসায় ব্যবহারের জন্য ফ্রিজ দরকার। আর মার্সেল শোরুম বাসার কাছেই। এলাকার সবাই এখান থেকে ফ্রিজসহ সব ধরনের পণ্য কিনছেন। তাই তিনিও এখান থেকেই ফ্রিজ কেনেন। ফ্রিজ কিনেই যে আরেকটি ফ্রি পাবেন তা ভাবতে পারেননি। ফ্রি পাওয়া ফ্রিজটি গোবিন্দগঞ্জে মায়ের কাছে পাঠাবেন বলে জানান এই পোশাককর্মী।

খোকন মোল্লার হাতে মার্সেল ফ্রিজ কিনে পাওয়া ফ্রি ফ্রিজটি হস্তান্তর করছে মার্সেল কর্তৃপক্ষ

 

খোকন মোল্লা আপেক্স কোম্পানিতে সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করেন। বাড়ি সিরাজগঞ্জ হলেও কর্মসূত্রে থাকেন পূর্ব চান্দরা এলাকায়। তিনি ৩১,৬৫০ টাকা দিয়ে মার্সেল ফ্রিজটি কিনেছিলেন। খোকন বলেন, এই প্রথম কোনো কোম্পানি থেকে কিছু ফ্রি পেলাম। আর সেজন্যই বেশি ভালো লাগছে।

স্ত্রী এবং ১ ছেলে নিয়ে মাত্র ৩ জনের সংসার খোকনের। তাই ফ্রি পাওয়া ফ্রিজটি সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে মা-বাবার কাছেই পাঠাবেন। ফ্রি ফ্রিজ পাওয়ায় মার্সেলকে ধন্যবাদ জানান খোকন।

মার্সেল সূত্রে জানা গেছে, তাদের রয়েছে শতাধিক মডেল ও ডিজাইনের ফ্রস্ট, নন-ফ্রস্ট রেফ্রিজারেটর এবং ফ্রিজার বা ডিপ ফ্রিজ। দাম ১০ হাজার থেকে ৬৪,৯০০ টাকার মধ্যে। নিজস্ব কারখানায় সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে  তৈরি মার্সেল ফ্রিজ ব্যাপক বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী। এতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্বস্বীকৃত সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। আন্তর্জাতিক মান যাচাইকারী সংস্থা নাসদাত-ইউনিভার্সাল টেস্টিং ল্যাব থেকে মার্সেলের প্রতিটি ফ্রিজের মান নিশ্চিত করেই বাজারে ছাড়া হচ্ছে।

ফ্রিজে এক বছরের রিপ্লেসমেন্টের পাশাপাশি কম্প্রেসরে ১২ বছরের গ্যারান্টি দিচ্ছে মার্সেল। রয়েছে সহজ কিস্তি সুবিধা। গ্রাহককে দ্রুত বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে আইএসও স্ট্যান্ডার্ড সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় সারা দেশে মার্সেলের রয়েছে ৭৪টি সার্ভিস সেন্টার।


ঢাকা/টিপু

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়