ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২১ নভেম্বর ২০১৯
Risingbd
সর্বশেষ:

কঠিন চীবর দান উৎসব আজ

রাইজিংবিডি ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১০-১৯ ১০:০০:২১ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১০-১৯ ১০:০০:২১ এএম

কঠিন চীবর দান উৎসব আজ। এটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব। যা সাধারণত প্রবারণা পূর্ণিমা পালনের এক মাসের মধ্যে যেকোনো সুবিধাজনক সময়ে পালন করা হয়।

এই অনুষ্ঠানে মূলত বৌদ্ধ ভিক্ষুদেরকে ত্রি-চীবর নামে বিশেষ পোশাক দান করা হয়। বৌদ্ধরা পূণ্যের আশায় প্রতি বছর চীবরসহ ভিক্ষুদের অন্যান্য আনুষঙ্গিক সামগ্রীও দান করেন।

‘ত্রি-চীবর; হলো চার খণ্ডের পরিধেয় বস্ত্র। এই পোশাক তৈরি করতে প্রথমে তুলার বীজ বোনা হয়। পরে তুলা সংগ্রহ করা হয়। তা থেকে সুতা কাটা হয়। সেই সুতায় রং করা হয় গাছ-গাছড়ার ছাল বা ফল থেকে তৈরি রং দিয়ে। সবশেষে নানা আচার মেনে এক দিনের ভিতর তৈরি করা হয় এই ত্রি-চীবর। এই পোশাক বোনায় ব্যবহার করা হয় বেইন বা কাপড় বোনার বাঁশে তৈরি ফ্রেম। এরকম বেইনে একসঙ্গে চারজন কাপড় বুনে থাকেন। এভাবে তৈরি হওয়া বস্ত্র বৌদ্ধ ভিক্ষুদের হাতে ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে তুলে দেয়া হয়।

বুদ্ধের বাণী হলো, কঠিন চীবর দানই বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ দান। ভারতীয় জনপদে 'কঠিন চীবর দান' শব্দটি গৌতম বুদ্ধের সময় থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অংশগ্রহণে এ দানোৎসব সকলের মধ্যে গড়ে তোলে ঐক্য, সংহতি ও সম্প্রীতি।

‘কঠিন চীবর দান’উৎসব উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তারা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

প্রদত্ত বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, যথাযোগ্য ধর্মীয় মর্যাদায় ‘কঠিন চীবন দান’উদযাপনের মাধ্যমে বৌদ্ধ সমাজের শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা সারাবিশ্বে ছড়িয়ে পড়বে।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ-সহ বিশ্বের সকল বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, মহামতি গৌতম বুদ্ধের শান্তির বাণী মানবজাতির কল্যাণ ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে।


ঢাকা/শাহ মতিন টিপু

ইউটিউব সাবস্ক্রাইব করুন