ঢাকা, বুধবার, ৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

জলবায়ু পরিবর্তন : ইতোমধ্যে কয়েকটি উদ্যোগ

সংসদ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-১০ ৩:২৫:২৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-১০ ৩:২৫:২৭ পিএম

ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া বলেছেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

মঙ্গলবার দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে জলবায়ু পরিবর্তন শীর্ষক সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

পরিবেশ ও বিকাশ বিষয়ক ১৯তম এশিয়া প্যাসিফিক সংসদ সদস্যদের সম্মেলনে সংসদীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ২০১৫ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে উন্নত দেশসমূহ ২০২০ সালের মধ্যে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন ও প্রশমন সংক্রান্ত পদক্ষেপের জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলো সহায়তা হিসাবে যৌথভাবে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তায় সম্মত হয়েছে।

জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তহবিল বৃদ্ধি না করলে কয়েক মিলিয়ন মানুষের জীবন ও জীবিকা ঝুঁকির মধ্যে থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এসময় তিনি জলবায়ু পরিবর্তনজনিত সমস্যা মোকাবেলায় আরো বেশি আন্তর্জাতিক তহবিল বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

গ্লোবাল জলবায়ু ঝুঁকি সূচকে বাংলাদেশকে বিশ্বের ষষ্ঠ জলবায়ু বিপর্যয়ের দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, অনেকগুলি চ্যালেঞ্জের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে অন্যতম দীর্ঘমেয়াদী হুমকি।  যা বাংলাদেশের অর্থনীতি, জীবিকা, খাদ্য সুরক্ষা,পরিবেশ এবং সামাজিক পরিকল্পনার সমস্ত দিককে প্রভাবিত করতে পারে। প্রতিবছর জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবের ফলে বাংলাদেশ জিডিপির ২-৩ শতাংশ হারানোর ঝুঁকি নিয়ে থাকে।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রায় ৩০ মিলিয়ন মানুষ শরণার্থী হতে পারে বলে উল্লেখ করেন ।

তিনি আরো বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনে (ইউএনএফসিসিসি) বাংলাদেশ প্রথম স্বাক্ষরকারী দেশ। বাংলাদেশ নিজস্ব সম্পদ থেকে ‘জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট তহবিল’ স্থাপনকারী প্রথম দেশ। উপকূলীয় অঞ্চলগুলি বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের মতো জলবায়ু সম্পর্কিত বিপর্যয়ের অত্যন্ত ঝুঁকির মধ্যেও বাংলাদেশ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্য অর্জন করেছে।

তিনি বলেন, এশিয়া প্যাসিফিক দেশগুলি বিভিন্ন দূষণের মুখোমুখি হচ্ছে বিশেষত বর্জ্য অ-ব্যবস্থাপনা, বায়ুদূষণ, পানি দূষণ, জনসংখ্যার আধিক্য, অপরিকল্পিত নগরায়ন ও ব্যাপক শিল্পায়নের কারণে। এসময় বিভিন্ন দূষণের প্রভাব হ্রাস করতে এবং জাতিসমূহের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যসমূহে (এসডিজি ) সাফল্য অর্জনে পারস্পারিক আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদার করার উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

 

ঢাকা/আসাদ/জেনিস