ঢাকা, বুধবার, ১৪ মাঘ ১৪২৬, ২৯ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

রাজধানীর অলিগলিতে পতাকার ফেরিওয়ালা

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-১৩ ৮:৩৫:৪৬ এএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-১৩ ১০:৫২:৩৪ এএম

চলছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস। জাতীয় এ দিবস উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন দোকানে পাওয়া যাচ্ছে জাতীয় পতাকা। এমনকি মহানগরীর অলিগলিতে পতাকা বিক্রি করছেন কিছু ফেরিওয়ালা।

১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করেন সংগ্রামী বাঙালি জাতি। এই দিনটি তাই বাঙালিদের উৎসবের দিন, উদযাপনের দিন। এই বিজয় উৎযাপনের অন‌্যতম অনুষঙ্গ লাল-সবুজ জাতীয় পতাকা।

বিজয় দিবসে অফিস-আদালত থেকে শুরু করে ব‌্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়িতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এমনকি অনেকে জাতীয় পতাকা গায়ে জড়িয়ে বিজয়ের আনন্দ উদযাপনে শামিল হন। এজন‌্য দেশজুড়েই জাতীয় পতাকার চাহিদা থাকে অনেক বেশি। সারা বছর যত পতাকা বিক্রি হয়, ডিসেম্বর মাসে বিক্রি হয় তার চেয়ে বেশি। অলিগলিতেও পতাকা বিক্রি করতে দেখা যায় ভ্রাম‌্যমাণ বিক্রেতাদের।

কথা হয় ভ্রাম‌্যমাণ পতাকা বিক্রেতা মোহাম্মদ জাকারিয়া হোসেনের সঙ্গে। তিনি রাইজিংবিডিকে বলেন, আমার বাড়ি রংপুরে। আমি ১০ বছর ধরে রাজধানীতে পতাকা বিক্রি করছি। প্রতি বছর ডিসেম্বর মাস এলেই আমি রংপুর থেকে ঢাকায় এসে ফেরি করে জাতীয় পতাকা বিক্রি করি।

তিনি বলেন, আমাদের দেশের জনগণ অনেক দেশপ্রেমিক। ডিসেম্বর মাস আসলে সেটা আরো বেশি বোঝা যায়। প্রচুর পরিমাণে জাতীয় পতাকা বিক্রি হয় এই মাসে। আমিও বাড়তি টাকা রোজগারের জন্য পতাকা বেচি।

আরেক পতাকা বিক্রেতা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ এসেছেন শেরপুর থেকে। প্রতিবছর ডিসেম্বর মাসে তিনি রাজধানীতে জাতীয় পতাকা বিক্রি করেন। ১৬ ডিসেম্বরের পর শেরপুর ফিরে যান তিনি।

মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, বিভিন্ন দোকানে, যানবাহনের চালকসহ অন‌্য ক্রেতাদের কাছে ছোট-বড় জাতীয় পতাকা বিক্রি করছি। শুধু তারাই শুধু নন, পতাকা ও মাথায় বাঁধার ব্যাজ কিনছেন শিশুরাও।

তিনি আরো বলেন, গাজীপুর থেকে পতাকা কিনে আনি। ফেরি করে বিক্রি করি বিভিন্ন স্থানে। ছোট-বড় সব ধরনের পতাকা বিক্রি করি। স্বাধীনতা ও বিজয়ের মাসে পতাকা বিক্রি করে বেশি আনন্দ পাই। বিজয়ের মাসে প্রত্যেকের হাতে একটি করে লাল-সবুজের পতাকা দেখে মনটা ভরে যায়। শুধু আমার ব‌্যবসার জন‌্য নয়, এই বিজয়ের মাসে সবার ঘরে ঘরে পতাকা দেখতে চাই।

 

ঢাকা/হাসিবুল/রফিক