ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৪ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

‘শিক্ষার্থীদের জঙ্গিবাদে না জড়াতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে’

সংসদ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০২-১২ ৮:৩৮:৫৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০২-১৩ ১০:৩০:১৪ এএম

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন বিপথগামী হয়ে জঙ্গিবাদে জড়িয়ে না পড়ে, সেজন্য আমরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।

বুধবার জাতীয় সংসদে আওয়ামী লীগের সাংসদ দিদারুল আলমের (চট্টগ্রাম-৪) এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার সবার জন্য মানসম্মত শিক্ষার সমান সুযোগ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়নকে টেকসই করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছি। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ছাত্র-ছাত্রীদের বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি চর্চায় উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি ধর্মীয় মূল্যবোধ, নৈতিকতা, সময়ানুবর্তিতা এবং সততার অনুশীলন করানো হচ্ছে। মেধাবী শিক্ষার্থীরা যেন বিপথগামী হয়ে জঙ্গিবাদে না জড়িয়ে পড়ে, সেজন্য আমরা শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এগুলো হলো-শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জঙ্গিবাদবিরোধী নানামুখী সচেতনতামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে ; যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া ১০ দিনের বেশি অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শনাক্ত করছে; অনুপস্থিত ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবকের সঙ্গে আলোচনা করে অনুপস্থিতির কারণ সন্দেহজনক বলে প্রতীয়মান হলে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত অভিভাবক, শিক্ষক, ছাত্র-ছাত্রীর সমন্বয়ে অভিভাবক সমাবেশ আয়োজন করা হচ্ছে।’

‘শিক্ষক, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সমাজের গণ্যমান্য ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের নিয়ে সন্ত্রাসী ও ধর্মের নামে জঙ্গিবাদবিরোধী সভা করা হচ্ছে; কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে শিক্ষার্থীদের জন্য এক্সট্রা-কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিজ যেমন-খেলাধুলা, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, শিক্ষাবিষয়ক সেমিনার, প্রদর্শনী, মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি পরিচালনা করা হচ্ছে; শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম জাগ্রত করতে ও নৈতিক শিক্ষা প্রদানে পাঠ্যপুস্তকে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে।’

‘পাঠ্যপুস্তকে মহান মুক্তিযুদ্ধ ও বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস সন্নিবেশিত করা হয়েছে। বিভিন্ন জাতীয় দিবসে যেমন-২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর এবং ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ৫২-এর মহান ভাষা আন্দোলন ইত্যাদি বিষয়ে শিশু-কিশোরদের অবহিত করার জন্য পাঠ্যপুস্তকে তা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে মুক্তিযুদ্ধ কর্নার নির্মাণ করা হচ্ছে।’

 

ঢাকা/আসাদ/সাইফ