ঢাকা, বুধবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৩ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

কাঁচা বাজারে ক্রেতা কম, পণ্যের দামও কম

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৩-২৮ ৪:২৩:১৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৩-২৮ ৪:৩৪:৩৬ পিএম

করোনাভাইরাসের প্রভাবে রাজধানীর কাঁচা বাজারগুলোতে নেই আগের মত ভিড়, নেই বিক্রেতাদের হাঁকডাক। করোনাভাইরাসের কারণে সাধারণ ছুটি ঘোষণার পর রাজধানীর অধিকাংশ মানুষ গ্রামে চলে যাওয়ায় এ অবস্থা হয়েছে।সবজির বাজারে নেমে এসেছে স্বস্তি, পেঁয়াজসহ প্রতিটি সবজিই অনেক কম দামে বিক্রি হচ্ছে।

শনিবার রাজধানীর গুলিস্থান যাত্রাবাড়ী, শনিরআখড়া, কাজলা, দনিয়ার বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

বেগুন, লাউ, পেঁপে, বেগুন, মুলা  বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। ৫০ টাকার করলা, বরবটি, পটলের দাম কমে হয়েছে ৪০ টাকা। দেশি-বিদেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা কেজি দরে। বাধাকপি প্রতি পিস ২০ টাকা, ফুলকপি ১৫ টাকা বিক্রি করছেন বিক্রেতারা। শিম  ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ   বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। আর ৬০ টাকার ধনিয়াপাতার কেজি দাম কমে নেমে এসেছে  ২০ টাকায়। গাজর, শসা বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা কেজি দরে। আর টমেটোর কেজি ১৫ টাকা। আলু বিক্রি হচ্ছে আগেই সেই দাম ২০ টাকা করে। পালংশাক, কলমিশাক পাঁচ টাকা করে আঁটি। আর পুঁইশাক, লাউশাক বিক্রি হচ্ছে ১০ টাকা করে আঁটি। আকার ভেদে লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩৫ টাকা। আর থানকুনির পাতার আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা করে।

অন্যদিকে বাজারে পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় কমেছে মাছের দাম। তেলাপিয়া বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা কেজি, চাষের মাগুর ৮০ থেকে ৯০ টাকা, ১৫০ টাকার পাঙ্গাশ ১২০ টাকা কেজি, রুই ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, শিং মাছ ২৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ৩৫০ টাকার পাবদা ৩০০ টাকা, চাষের কই ১৩০ টাকা করে। তবে দেশী মাছ বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই।মুরগীর ডিম এখন ৩২ টাকা করে হালি বিক্রি হচ্ছে। 

যাত্রাবাড়ী বাজারের কাঁচামাল ব্যবসায়ী আব্দুল বাসেত রাইজিংবিডিকে বলেন, ‘সব সবজির দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা আগের মত দামাদামি করছে না। দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা ব্যাগ ভর্তি করে বাজার করে নিয়ে যাচ্ছেন। আমার লাভ কম হলেও এতেই খুশি।’

যাত্রাবাড়ী বাজারে কথা হয় হালিম শেখ নামে একজন ক্রেতার সাথে। তিনি বলেন, ‘আগে দামের কারণে পেঁয়াজ কিনতেই পারতাম না। কিন্তু সরকার অভিযান পরিচালনা করায় কেউ দাম বেশি নিতে সাহস পাচ্ছে না। সব পণ্যই সঠিক দামে বিক্রি হচ্ছে।’

তবে বাজারগুলোতে দেখা গেছে, ক্রেতা-বিক্রেতা অধিকাংশই সচেতন। করোনাভাইরাস রোধে তারা সবাই মাস্ক ব্যবহার করছেন।


ঢাকা/মেহেদী/সাজেদ