ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৪ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার অনুরোধ রুবানা হকের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৪ ১১:২০:১৭ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০৫ ১:৪১:৫৯ এএম

আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ রাখার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।

তবে মাহমারি করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে আন্তর্জাতিক কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। এক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।  

শনিবার (৪ এপ্রিল) এক অডিও বার্তায় এসব কথা জানান বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ তারিখ পর্যন্ত বন্ধ রাখার জন্য সব কারখানার মালিক ভাই ও বোনদের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।

তিনি বলেন, করোনা মহামারির এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর একটি নির্দেশনা দিয়েছে। সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে যে সমস্ত রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানের আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ রয়েছে এবং যারা করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক ও চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) সহ প্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে, এমন কারখানাগুলো খোলা রাখতে পারবে। তবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

দ্বিতীয় বিষয় সম্পর্কে রুবানা হক বলেন, মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো অনিহা থাকা যাবে না। মার্চ মাসের বেতন শ্রমিকরা পাবেনই, এটা নিশ্চিত করতে চাই।

গণপরিবহন বন্ধ রয়েছে- এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এ সময়ে শ্রমিক কোনো যৌক্তিক কারণে কারখানায় উপস্থিত না থকেন, তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরি যাবে না। এটি আমাদের বিজিএমইএর প্রত্যেকটি সদস্যদের কাছে অনুরোধ। আমি আশা করি পোশাক মালিকরা এটি শুনবেন।

এর আগে কারখানা খোলার বিষয়ে একই নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। গত ২ এপ্রিল এক বার্তায় বিকেএমইএ সংগঠনের সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান বলেন, ৪ এপ্রিলের পর থেকে কারখানা চালু রাখবেন কিনা বন্ধ রাখবেন এটি আপনার সিদ্ধান্ত। যদি কেউ কারখানা চালু রাখেন তাহলে, করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে আপনার শ্রমিকদেরকে রক্ষা করবেন। স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধি মেনে কারখানা পরিচালনা করবেন।

গত ২৭ মার্চ বিজিএমইএ’র ঘোষণায় তৈরি পোশাকখাতের কারাখানাগুলো বন্ধের পাশাপাশি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মোকা‌বিলায় যেসব কারখানা মাস্ক, চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই), হ্যান্ডওয়াস, ওষুধ এবং আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ বহাল—এমন রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রাখার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছিল।

** ‘অর্ডার থাকলে কারখানা খোলা, নিশ্চিত করতে হবে শ্রমিক সুরক্ষা’


ঢাকা/এম এ রহমান/এসএম