ঢাকা, রবিবার, ১৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ৩১ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

এখনো সচল হয়নি কুষ্টিয়ার বিদ্যুৎ

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৩ ১০:৫৭:৫১ এএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৩ ১:৫০:০৪ পিএম

টানা চারদিন কুষ্টিয়া জেলার বেশিরভাগ এলাকায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রাহকরা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন।

কুষ্টিয়ার বটতৈলস্থ ৩৩ কেভি জাতীয় বিদ্যুৎ সঞ্চালন উপকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দু'টি ট্রান্সফরমারের একটি সম্পূর্ণরূপে এবং অন্যটিরও বেশীর ভাগ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সমগ্র কুষ্টিয়াসহ মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও রাজবাড়ি জেলার আংশিক এলাকাজুড়ে বুধবার থেকে বিদ্যুৎহীন। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে জনজীবন।

তবে শুক্রবার দুপুরে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুত থেকে কিছুটা বিদ্যুৎ দিতে সমর্থ হয়েছে কর্তৃপক্ষ।

পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) প্রকৌশলী মো: মাসুম আলম বকসী জানান, ঘূর্ণিঝড় আম্ফান তাণ্ডবের পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে বিদ্যুৎ বিভাগের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞ টিমসহ শতাধিক টেকনিশিয়ান ক্ষতিগ্রস্ত ট্রান্সফরমার মেরামত ও পুনঃস্থাপন করে অচল বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে সচলে বিরতিহীন কাজ করে যাচ্ছেন।

পশ্চিমাঞ্চল বিদ্যুৎ বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী প্রনব চন্দ্র দেবনাথ জানান, ঘুর্ণিঝড় আম্ফান তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যুৎ বিতরণ লাইন ইতোমধ্যেই আমরা মেরামত সম্পন্ন করেছি। এখন গ্রিড স্টেশন সচল হলে এবং

ওজোপাডিকো’র বিতরণ ফিডার লাইনে সংযোগ স্থাপন হলেই বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

এ বিষয়ে পিজিসিবির নির্বাহী পরিচালক বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টায় কাজ করছি। দেখা যাক, কতক্ষনে মেরামত শেষ করতে পারি। যত দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্ভব আমরা এই সাব স্টেশনটি সচল করে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করব।'

অফিস সূত্রে জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের প্রভাবে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুতের প্রায় ৬৭টি বৈদ্যুতিক ঘুটি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

৩১টি ট্রান্সফারমার এবং ৩শ ৭০টি স্পটে প্রায় ১২শ বৈদ্যুতিক মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ দিকে কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সোহরাব আলী বিশ্বাস বলেন, ‘সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে এই বিদ্যুৎ বিপর্যয় মোকাবিলা করতে আমরা বিকল্পভাবে ভেড়ামারা গ্রিড সংযোগ এর মিরপুর সাবস্টেশনের ২০ মেগা. বিদ্যুৎ থেকে বাইপাস লাইন ব্যবহার করে ১৬ মেগাওয়াট নিয়ে জরুরীভিত্তিতে কুষ্টিয়া শহর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা চালাতে একটা ব্যাক আপ দিয়েছি। শুক্রবার বেলা ২টায় এটা চালু করেছি। এখানে চাহিদার তুলনায় এই বিদ্যুৎ একেবারেই যৎসামান্য। সে কারণে অবশ্য এখানে রেশনিং সিস্টেমে চালাতে হচ্ছে।'

 

কাঞ্চন/টিপু

     
 

আরো খবর জানতে ক্লিক করুন : কুষ্টিয়া, খুলনা বিভাগ