ঢাকা     শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০ ||  শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭ ||  ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

১১৩ স্থাপনায় এডিসের লার্ভা, জরিমানা সোয়া দুই লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৫৩, ১১ জুলাই ২০২০  

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) চলমান চিরুনি অভিযানের সপ্তম দিনে ১৩ হাজার ৪৯১টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে ১১৩টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়।

শনিবার (১১ জুলাই) ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এএসএম মামুন বলেন,  এছাড়া অভিযানে ৭ হাজার ৮৩০টি স্থাপনায় এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ সময় ১৪টি মামলায় মোট ২ লাখ ১৩ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়। ৪ জুলাই শুরু হওয়া চিরুনি অভিযানে আজ পর্যন্ত মোট ৯২ হাজার ৯৩১টি বাড়ি, স্থাপনা, নির্মাণাধীন ভবন পরিদর্শন করে মোট ৬৭৭টিতে এডিসের লার্ভা এবং ৫৫ হাজার ৯৬৫টিতে এডিস মশা বংশবিস্তার উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এ পর্যন্ত ১২২টি মামলায় মোট ১৬ লাখ ১৬ হাজার ১১০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

তিনি বলেন, আজ উত্তরা অঞ্চলে (অঞ্চল-১) মোট ১ হাজার ৭৪টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ২০টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে ৭টি মামলায় মোট ২৩ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া ৮৯৬টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

মিরপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-২) মোট ৩ হাজার ২০৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ১৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ৪০৮টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ২টি মামলায় মোট ৫৫ হাজার ৮০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

মহাখালী অঞ্চলে (অঞ্চল-৩) মোট ১ হাজার ৫০৫টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায় এবং ১ হাজার ৩৪টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়। এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৫টি মামলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

মিরপুর-১০ অঞ্চলে (অঞ্চল-৪) মোট ১ হাজার ৪৭৩টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা  পাওয়া যায়। এছাড়া ৮৪৯টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

কারওয়ান বাজার অঞ্চলে (অঞ্চল-৫) মোট ১ হাজার ৮৮৪টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৯টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৫৩৬টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

হরিরামপুর অঞ্চলে (অঞ্চল-৬) মোট ১ হাজার ৪৩৬টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৭টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এছাড়া ১ হাজার ৮৪টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

দক্ষিণখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৭) মোট ৯০০টি বাড়ি ও স্থাপনা পরিদর্শন করে ৬টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া গেলে বাড়ির মালিকদের সতর্ক করে তা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৬৯৬টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

উত্তরখান অঞ্চলে (অঞ্চল-৮) মোট ৮০৮টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ৩টি স্থাপনায় এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। তবে ৫৪৩টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

ভাটারা অঞ্চলে (অঞ্চল-৯) মোট ৫৫৩টি স্থাপনা পরিদর্শন করে ২টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া  যায়। বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়েছে। এছাড়া ৩২৪টি স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

সাঁতারকুল অঞ্চলে (অঞ্চল-১০) মোট ৬৫৫টি বাড়ি/স্থাপনা পরিদর্শন করে ১টিতে এডিস মশার লার্ভা পাওয়া যায়। এ সময় বাড়ির মালিকদেরকে সতর্ক করে লার্ভা ধ্বংস করা হয়। এছাড়া ৪৬০টি বাড়ি/স্থাপনায় এডিস মশার প্রজনন উপযোগী পরিবেশ পাওয়া যায়।

চিরুনি অভিযানের সময় সম্ভাব্য সব এডিস মশার প্রজননস্থলে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করে কীটনাশক ছিটানো হয় এবং জনসাধারণকে এবিষয়ে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

এডিস মশা নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে নগরবাসীকে ডেঙ্গু থেকে সুরক্ষা দিতে ডিএনসিসির চিরুনি অভিযান রোববারও (১২ জুলাই) অব্যাহত থাকবে বলেও জানান ডিএনসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এএসএম মামুন ।


ঢাকা/সাওন/জেডআর

রাইজিংবিডি.কম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়