RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ২৫ নভেম্বর ২০২০ ||  অগ্রাহায়ণ ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ রবিউস সানি ১৪৪২

অতিমুনাফা ঠেকাতে মাঠে প্রতিযোগিতা কমিশন

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:০০, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
অতিমুনাফা ঠেকাতে মাঠে প্রতিযোগিতা কমিশন

অতিমুনাফা ও অনৈতিকভাবে পণ‌্যের বাজার অস্থিতিশীল করার সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির মুখোমুখি করতে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন। মুক্তবাজারে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও বাজার ব‌্যবস্থাপনা উন্নত করায় জোর দিতে কাজ করছে সরকারি  প্রতিষ্ঠানটি।

সম্প্রতি কমিশনের চেয়ারপারসন (অবসরপ্রাপ্ত সিনিয়র সচিব) মো. মফিজুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে এ কথা বলেছেন।

মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা প্রথমত ক্রেতা-বিক্রেতাকে সচেতন করতে চাই। সেই সঙ্গে বলতে চাই, কেউ যদি প্রতিযোগিতা আইনের পরিপন্থি কোন কাজ করেন, তবে তাকে শাস্তির মুখোমুখি করা হবে।

মো. মফিজুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশন একটি নতুন প্রতিষ্ঠান। প্রতিযোগিতা কমিশন নিয়ে আইন হয়েছে ২০১২ সালে। আর প্রতিষ্ঠানটি গড়ে উঠেছে ২০১৬ সালে। সেই হিসেবে প্রতিষ্ঠানটির বয়স মাত্র ৩ বছর। প্রতিষ্ঠানটির মূল কাজ দেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার সৃষ্টির লক্ষ্যে বাজার সংশ্লিষ্ট সবাইকে সচেতন করা ও আইনের যথাযথ প্রয়োগের মাধ্যমে একটি সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে তোলা।

প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারম‌্যান বলেন, ‘প্রতিযোগিতা আইনের উদ্দেশ্য হলো বাজারে অনৈতিক মুনাফার লোভে ষড়যন্ত্রমূলক প্রতিযোগিতাবিরোধী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা। আমরা এভাবেই কাজ করার চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যেই কিছু অভিযোগের ওপর রায় হয়েছে, যা জনস্বার্থে খুব প্রয়োজন ছিলো।

তিনি বলেন, ‘বাজারে যদি সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা থাকে, তবে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ই লাভবান হবে। ক্রেতা ন্যায্য মূল্যে মানসম্পন্ন পণ্যটি পাবে। ব্যবসায়ীরা অবশ্যই মুনাফা করবে। তাদের জন্য একটা অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে। সুষ্ঠু প্রতিযোগিতা ছাড়া কেউ কিন্তু বাজারে টিকে থাকতে পারবে না। আর্ন্তজাতিক বাজারে যদি আমরা প্রবেশ করতে চাই, প্রথমত সেখানে আমাদের স্থানটি শক্ত করতে হবে। অর্থাৎ প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে পণ্যের মান বাড়াতে হবে, সেটা অবশ্যই ক্রেতা সাধারণের মাঝে পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। ’

মুক্তবাজার অর্থনীতির নিয়ন্ত্রণ করার সুযোগ না থাকলেও বাজার ব‌্যবস্থাপনা উন্নত করার প্রয়োজনীয়তার কথা সামনে এনে তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনাও উন্নত করতে হবে। যদিও মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সরকারের বাজার নিয়ন্ত্রণ করার কিছু থাকেনা। কিন্তু বাস্তবতা হচছ্, ব্যবসায় মনোপলি বা একচেটিয়া ব্যবসা, সিন্ডিকেট, জোটবদ্ধতা, কার্টেল এবং ডমিনেন্ট পজিশনকে অ‌্যাবিউজ করার প্র্যাকটিস আমরা লক্ষ করি। এটি বন্ধ করাই বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের কাজ। নতুন হিসেবে আমরা এখনো লার্নিং স্টেজে আছি।সারাবিশ্বে বেস্ট যে প্র্যাকটিসটা, সেটাই আমরা অনুসরণ করার চেষ্টা করছি। ‘

তিনি বলেন, দায়িত্ব নেবার পর বেশ কিছু কাজ আমরা হাতে নিয়েছি। বর্তমানে পেঁয়াজের বাজার লাগামহীন। আমরা পেঁয়াজের আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের কাছে জানতে চেয়েছি, তারা কত দামে পেয়াঁজ কেনেন ও কত দামে ভোক্তা পর্যায়ে বিক্রি করেন। তবে জনবল সংকটের কারণে আমরা ঠিক মতো কাজ করতে পারছি না।’


ঢাকা/হাসিবুল/সাজেদ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়