ঢাকা     শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ৪ ১৪২৭ ||  ৩০ মহরম ১৪৪২

‘সেনাবাহিনী-পুলিশের মধ্যে যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়’

কক্সবাজার প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০৪, ৫ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
‘সেনাবাহিনী-পুলিশের মধ্যে যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়’

ঘটনাস্থলে উভয় বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা

টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ ও পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ।

বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে কক্সবাজার সৈকতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর রেস্ট হাউস জলতরঙ্গের সম্মেলন কক্ষে তারা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের গুলিতে সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ নিহতের ঘটনাটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। 

তিনি উল্লেখ করেন, ‘সিনহা হত্যাকাণ্ড নিয়ে বাংলাদেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর মধ্যে কোনো ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কারণ, যে ঘটনাটি ঘটেছে সেজন্য কোনো প্রতিষ্ঠান দায়ী হতে পারে না। তদন্ত কমিটি যাদের দোষী সাব্যস্ত করবে অবশ্যই তাদেরকে প্রায়শ্চিত্ত করতে হবে। এজন্য কোনো প্রতিষ্ঠান তাদের সহযোগিতা করবে না। এ ঘটনায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে সম্পর্কের কোনো ধরনের ফাটল সৃষ্টি হবে না।’

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজির আহমেদ বলেছেন, ‘টেকনাফে যে ঘটনাটি ঘটেছে তার কারণে দুই বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্কের কোনো ব্যত্যয় ঘটবে না। বরং আমাদের লক্ষ্য হবে যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে গঠিত যৌথ তদন্ত কমিটি হয়েছে তারা প্রভাবমুক্ত পরিবেশে তদন্ত করবে। তারা তদন্ত করে যে প্রতিবেদন দেবেন সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনি কার্যক্রম পরিচালিত হবে এবং সেটিই গ্রহণ করা হবে।’

বেনজির আহমেদ আরও বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে অনেকেই উসকানিমূলক কথাবার্তা বলছে।  এসব বলে তারা সফল হতে পারবে না। কারণ সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীর মধ্যে পরস্পর সম্পর্ক রয়েছে। যারা বিভিন্ন উসকানিমূলক কথা বলে দুই বাহিনীর মধ্যে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা করছেন, তারা কখনও সফল হবে না। ’ 

তাই দেশের স্বার্থে এ ধরনের কোনো কথাবার্তা না বলার অনুরোধ জানান তিনি।

এর আগে দুপুর দেড়টার দিকে বিমানবন্দর হয়ে কক্সবাজার সৈকতে অবস্থিত সেনাবাহিনীর রেস্ট হাউস জলতরঙ্গে এসে পৌঁছান উভয় বাহিনীর সদস্যরা।  

এসময় পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। পরে তারা কক্সবাজারের টেকনাফের শামলাপুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

রুবেল/জেডআর

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়