ঢাকা     শনিবার   ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১১ ১৪২৭ ||  ০৮ সফর ১৪৪২

স্বাস্থ্যবিভাগের নিয়মিত বুলেটিন বন্ধ না করার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৪:২১, ১২ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
স্বাস্থ্যবিভাগের নিয়মিত বুলেটিন বন্ধ না করার আহ্বান সেতুমন্ত্রীর

ওবায়দুল কাদের

স্বাস্থ্যবিভাগের করোনা বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিন একেবারে বন্ধ না করে সপ্তাহে অন্তত দু’দিন প্রচারের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। 

বুধবার (১২ আগস্ট) দুপুরে সিলেট জোন, বিআরটিএ ও বিআরটিসি'র কর্মকর্তাদের সঙ্গে তার সরকারি বাসভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ আহ্বান জানান তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, করোনা সংক্রমণ, মৃত্যুসহ প্রতিদিন স্বাস্থ্যবিভাগের আপডেট বন্ধ হলে সংক্রমণ বিস্তারে জনমানুষের মধ্যে শৈথিল্য দেখা দিতে পারে। পাশাপাশি গুজবের ডাল-পালা বিস্তারের আশঙ্কাও থেকে যাবে, তাই বিষয়টি বাস্তবতার নিরিখে বিবেচনায় নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতিও অনুরোধ জানান তিনি।

গণপরিবহনের সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘কিছু কিছু গণপরিবারে করোনাকালের জন্য গৃহীত ব্যবস্থা হিসেবে সমন্বিত ভাড়া মেনে চলছে না এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে গাড়ি চালানোর অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। আবার কেউ কেউ অর্ধেক আসন খালি রাখার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে শতভাগ আসনে যাত্রী পরিবহন করছেন। ঈদের সময়ে এটা দেখা গেছে। ঈদের আগে এ প্রবণতা ছিল না। কিন্তু ঈদের সময় থেকে এটা দৃশ্যমান। যা অত্যন্ত দুঃখজনক।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি পালনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার প্রতিও আহ্বান জানান।

বিশ্বে বিভিন্ন দেশে করেনোর সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাপ শুরু হয়েছে জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ অবস্থায় আমাদের সচেতনতা আরও বাড়ানো জরুরি। বিশেষ করে ঢাকায় লক্ষণ ছাড়াও সংক্রমণ ঘটছে বলে বিশেষজ্ঞরা বলছে। একদিকে আমাদের মাস্ক পরিধান করা অতি আবশ্যক এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। অন্যদিকে প্রতিরোধ বব্যস্থা জোরদারে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে।’

তিনি বলেন, সরকার করোনাকালে যে কোনো জনসমাগম বন্ধ ঘোষণা করেছে। রাজনৈতিক দলগুলোও সাংগঠনিক কর্মসুচি বন্ধ রেখেছে। সরকার যে কোনো অনিয়ম বা হত্যকাণ্ডের বিষয়ে দ্রুততার সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছে। তাই এ নিয়ে মানববন্ধন বা রাজনৈতিক কর্মসূচি করোনা সংক্রমণকে উৎসাহিত করতে পারে। তাছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যে কোনো মামলায় সন্দেহভাজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে। এ সময়ে সবাইকে ধৈর্য ধারন করতে বলেন তিনি।

'অ্যামনেস্টি থেকে বলা হয়েছে যে, সভা সমাবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু এ করোনাকালে বা বন্যার সময়ে সভা সমাবেশ তো হওয়ার কথা নয়। এখানে সভা সমাবেশে বাধা দেওয়ার কোনো তথ্যপ্রমাণ থাকলে বলতে পারেন। ঢালাও মন্তব্য করা সমীচিন না। কাউকে কোনো ব্যাপারে সন্দেহ হলে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ছেড়ে দিলে বলা হয় জনগণের চাপে এখানে সরকারের সদিচ্ছাকে সব সময় সংশয়ের মধ্যে রাখবেন এটা সঠিক নয়।'

এ সময় ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখ্যার্জীর রোগমুক্তি কামনা করেন সেতুমন্ত্রী।

পারভেজ/এসএম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়