ঢাকা     সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১৩ ১৪২৭ ||  ১০ সফর ১৪৪২

‘ইচ্ছে থাকলে সবই সম্ভব’

আসাদ আল মাহমুদ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:৪৪, ১৪ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
‘ইচ্ছে থাকলে সবই সম্ভব’

ইচ্ছে থাকলে সবই সম্ভব।  যার দৃষ্টান্ত রাজধানীর মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খাল। মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশে মাত্র ১২ দিনে পরিষ্কার করা হয়েছে।

জানা গেছে, রামচন্দ্রপুর খালের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৯৪ কিলোমিটার। নিয়মিত পরিষ্কার না করায় গত ২০ ও ২১ জুলাইয়ের বৃষ্টিতে পুরান ঢাকার বেশকিছু এলাকাসহ মোহাম্মদপুরে তীব্র জলাবদ্ধতা হয়।  স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলামের নির্দেশে রামচন্দ্রপুর খালটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে পরিষ্কার করা হয়েছে।

গত ২২ জুলাই দুপুরে জলাবদ্ধতা নিরসনে করণীয় নির্ধারণ করতে অনলাইনে জলাবদ্ধতা নিরসনে টেকনিক্যাল কমিটির জরুরি সভার আয়োজন করা হয়।   এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলামের সঙ্গে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম সভায় যুক্ত হন।

ওই সভায় খাল পরিষ্কারে ওয়াসার কোনো ভূমিকা নেই—এ বিষয়ে দক্ষিণের মেয়র প্রশ্ন ওঠালে বিতণ্ডায় জড়ায় ঢাকা ওয়াসা। বক্তৃতার পক্ষে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন দক্ষিণের মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নুর তাপস।  এ অবস্থায় মেয়র, স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে বলেন, ‘আপনি এখনি আমার সঙ্গে চলেন। আপনাকে খালের অবস্থা দেখাবো। ’ এরপর রামচন্দ্রপুর, বাসিলা, হাজারিবাগ খালের চিত্র দেখতে যান। বসিলা ও হাজারিবাগ খালের বিভিন্ন পয়েন্টে ভরাট, দূষণ আর দখলের চিত্র দেখেন এবং দ্রুত রামচন্দ্রপুরসহ সব খাল দ্রুত পরিষ্কারের নির্দেশ দেন ওয়াসাকে। যেই কথা সেই কাজ।  মন্ত্রীর কঠোর নির্দেশে দ্রুত রামচন্দ্রপুর খালটি পরিষ্কার করা হয়।  বাকিগুলো পরিষ্কারের কাজ চলছে।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খাল এলাকায় কথা হয় ওয়াসার কর্মকর্তা মাহাবুর রহমানের সঙ্গে।  তিনি বলেন, একটানা কাজ করে গত ৪ আগস্ট পরিষ্কার করা হয়েছে খালটি। রাজধানীর ২৪টি খালের খননকাজ কাজ চলছে।   খালগুলোতে অবাধ পানি চলাচলের পাশাপাশি পানির ধারণ ক্ষমতাও বাড়বে।

এ বিষয়ে ঢাকা ওয়াসার প্রকৌশল বিভাগের পরিচালক শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজধানীর খালগুলোর রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব ওয়াসার হওয়ায় ২৬টি খালের মধ্যে ২৪টি খালের ময়লা পরিষ্কার এবং খালগুলো খননের কাজ চলছে।  এ সময়ের মধ্যে খননকাজ শেষ হবে।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী ঢাকা ও এর আশেপাশের বুড়িগঙ্গা, তুরাগসহ বিভিন্ন নদ-নদী দখলমুক্ত করে খননসহ পরিষ্কার রাখতে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করা হয়েছে। প্ল্যান অনুযায়ী রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার আশপাশের নদীগুলো ড্রেজিং করে পানির ধারণ ক্ষমতা বাড়ানো হবে।

আসাদ/সাইফ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়