RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ||  ফাল্গুন ১৩ ১৪২৭ ||  ১৩ রজব ১৪৪২

ভোট দিয়ে কী লাভ, নাগরিকদের এমন মানসিকতা হয়ে গেছে: ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২১:২৪, ২৭ জানুয়ারি ২০২১  
ভোট দিয়ে কী লাভ, নাগরিকদের এমন মানসিকতা হয়ে গেছে: ইসি সচিব

মো. আলমগীর (ফাইল ছবি)

ভোট দেওয়ার ব‌্যাপারে নাগরিকদের  অনীহা রয়েছে বলে মন্তব‌্য করেছেন নির্বাচন কিমশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব মো. আলমগীর। তিনি বলেন, ‘নাগরিকদের কেন-যেন রাষ্ট্রের প্রতি যে দায়িত্ব আছে, ভোট যে তার অধিকার,  এটা তারা মনে করছেন না। কষ্ট করে ভোট দেবো, কেন অন্যকে ভোট দেবো, এতে লাভ কী; এমন মানসিকতা হয়ে গেছে।’

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ভোট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব এসব কথা বলেন।


ইসি  সচিব বলেন, ‘গণমাধ্যমে আমরা যে নির্বাচন দেখেছি, আমাদের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের মাধ্যমে রিপোর্ট পেয়েছি, তাতে বলবো ভালো নির্বাচন হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দুই কেন্দ্রে শুধু কিছু উচ্ছৃঙ্খল লোক তাদের ইভিএমে ভোট হোক, চায় না। আক্রমণ চালিয়েছিল। ইভিএম ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়। বাকিগুলোকে অত্যন্ত সুন্দরভাবে ভোট হয়েছে। ভোটাররা ভোট দিয়ে বাড়ি গেছেন। অধিকাংশ কেন্দ্রে ফলও হয়ে গেছে। ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র দুইটির ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে।’ 

 স্থানীয় পর্যায়ের অভিযোগ রিটার্নিং অফিসার দেখবেন উল্লেখ করে ইসি সচিব বলেন,  ‘এরপরও যেসব অভিযোগ কমিশনে পাঠাবে, সেগুলো কমিশনে উপস্থাপন করবো। কমিশন বললে তখন ব্যবস্থা নেবো।’ তিনি আরও বলেন, ‘তৃতীয় বিশ্বের মতো দেশের নির্বাচনে সহিংসতা কিছু  ঘটে। সে হিসেবে বলবো, বরং কমই হয়েছে। মাত্র দুই-তিনটি কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটেছে। এ ধরনের দুষ্কৃতকারীরা এই কাজ করে। ইভিএমে ভোট হলে অনেকে মনে করে এখানে জাল ভোট দেওয়া যাবে না, তারা সাধারণত এই ধরনের আক্রমণ করে।’

সচিব বলেন, ‘চট্টগ্রামে নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে হওয়ার জন্য ২০ হাজার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য নিয়োজিত ছিল; কমিশনও যত রকম ব্যবস্থা নেওয়া যায় নিয়েছিল।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘উপস্থিতি তুলনামূলক  কম ছিল। শুধু চট্টগ্রামে নয়, যেকেনো বড় শহরে ভাসমান লোক থাকে, উপস্থিতি কম হয়। চট্টগ্রামে আমরা আরেকটু বেশি আশা করেছিলাম। তার চেয়ে একটু কমই হয়েছে।’

সাংবাদিকদের আরেক প্রশ্নের জবাবে মো. আলমগীর বলেন, শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য ২০ হাজার আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্য দেওয়া হয়েছে। ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি কোথায় হলো? যেখানে ৭৩৫ কেন্দ্রের মধ্যে মাত্র দুটি কেন্দ্র স্থগিত? ইভিএম ভাঙচুর না করলে সেখানেও নির্বাচন হতো। ভোট নেওয়া সম্ভব হয়নি বলে বন্ধ রাখা হয়েছে দুটি কেন্দ্র। ২ কেন্দ্রের সহিংসতা হয়েছে। পারসেন্ট করলে শান্তিপূর্ণ কত, অশান্তি কত?’

ঢাকা/হাসিবুল/এনই

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়