Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

কো‌নো প্রতিষ্ঠানকে খেলার মাঠ দেবো না: তাপস

জ্যেষ্ঠ প্রতি‌বেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০১, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১  
কো‌নো প্রতিষ্ঠানকে খেলার মাঠ দেবো না: তাপস

কোনও প্রতিষ্ঠান বা ক্লাবকে দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের খেলার মাঠ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। 

সাপ্তাহিক নিয়মিত পরিদর্শন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে টিটি পাড়া বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন মাঠ পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তি‌নি। 

ডিএসসিসি মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, ‘আমরা এখন যে জমিগুলো দখলমুক্ত করছি, অবমুক্ত করছি, সেগুলো ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায় উন্মুক্ত খেলার মাঠ হিসেবে আমরা উপযোগী করে গড়ে তুলছি। যাতে করে উক্ত ওয়ার্ডে আমাদের সন্তানেরা বা আশেপাশের ছেলেরা যেন সেখানে খেলাধুলা করতে পারে। সুতরাং কোনও প্রতিষ্ঠান বা ক্লাবকে আমাদের খেলার মাঠ আমরা দেবো না।’

তি‌নি বলেন, ‘‘আমরা ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি জায়গা দখল মুক্ত করেছি। সেখানে খেলার মাঠের উপযোগী করে গড়ে তোলার কাজ চলছে। ইনশাল্লাহ আগামী মাস থেকে আমাদের ছেলেরা সেখানে খেলতে পারবে। ৪২ ওয়ার্ড (লক্ষীবাজার) একটি ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা সেখানে উপযুক্ত কোনও খেলার মাঠ ছিল না। এখন থেকে ছেলেরা সেখানে খেলাধুলা করতে পারবে।

‘মুক্তাঙ্গণ জায়গাটি দখল অবস্থায় ছিল। সেই জায়গাটি আমরা দখল মুক্ত করেছি। সেখানেও খেলার উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করছি। আমরা ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মানিকনগরে বড় একটি জায়গা উন্মুক্ত করতে পেরেছি, অবমুক্ত করতে পেরেছি। সেখানেও আমরা যে অবকাঠামো নির্মাণ করছি, সেখানে উপযুক্ত খেলার মাঠের পরিবেশ আমরা তৈরি করে দিচ্ছি।”

খেলার মাঠ প্রসঙ্গে ডিএসসিসি মেয়র বলেন, ‘আমরা চাই, প্রতিটি ওয়ার্ডে অন্তত একটি করে খেলার মাঠ কিংবা উন্মুক্ত স্থান থাকুক, যেন আমাদের সন্তানরা খেলাধুলা করতে পারে। আমাদের কাজ বেগবান করেছি, যাতে করে নগরবাসীকে উন্নত ঢাকার সুফল আমরা দিতে পারি।’

তিনি বলেন, ‘আজ কমলাপুর সংলগ্ন টিটি পাড়া এলাকা পরিদর্শন করেছি। এখানে রেলওয়ের জমিসহ বেশ কিছু সরকারি জমি অবৈধ দখল অবস্থায় আছে। এসব জমি যেন আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়, সেজন্য আমরা চিঠি দেব। এসব স্থানে খেলার মাঠের ব্যবস্থা করতে আমরা কাজ চালিয়ে যাব।’

এসময় মশার উপদ্রব প্রসঙ্গে শেখ তাপস বলেন, ‘মশার ওষুধ বা কীটনাশকের মান যেন ঠিক থাকে সেজন্য আমরা বারবার পরীক্ষা করাই। বেশিদিন ধরে যদি একই কীটনাশক বারবার ব্যবহৃত হয়, তাহলে সেটি মশার জন্য সহনশীল হয়ে যায়। সেজন্য আমরা কীটনাশক পরিবর্তন করে দিচ্ছি। আগামী দুই সপ্তাহ পর থেকে নতুন কীটনাশক ব্যবহার করা হবে। আশা করছি, দুই সপ্তাহ পর থেকে মশা আরও বেশি নিয়ন্ত্রণে আসবে।’ 

অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মশক নিয়ন্ত্রণে রয়েছে উল্লেখ ক‌রে তি‌নি ব‌লেন, ‘আমরা নিয়মিতভাবে পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছ। আশা করছি আগামীতে মশা কমে যাবে।’

এর আগে ডিএসসিসি মেয়র ৭৫ নম্বর ওয়ার্ডের ফকিরখালীসহ বেশ কয়েকটি এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং বিভিন্ন ধরনের দিক-নির্দেশনা দেন। এছাড়াও তিনি খিলগাঁওয়ের তিলপাপাড়ায় অঞ্চল-২ এর কার্যালয় নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন। 

এসময় অন্যান্যের মধ্যে দক্ষিণ সিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. বদরুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব মো. আকরামুজ্জামান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হক, অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মোঃ জাফর আহমেদ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কাজী মো. বোরহান উদ্দিন, মো. খায়রুল বাকের, প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. সিরাজুল ইসলাম, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ঢাকা/পার‌ভেজ/সনি

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে