Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ২৯ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৫ ১৪২৮ ||  ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

অফ-শোর বাতাসের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করবে সরকার 

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:৪৭, ১৮ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ২০:৫৩, ১৮ অক্টোবর ২০২১
অফ-শোর বাতাসের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করবে সরকার 

ছবি: ইন্টারনেট

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলার অংশ হিসেবে সরকার অফ-শোর বাতাসের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

সোমবার (১৮ অক্টোবর) প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সহযোগিতার মাধ্যমে জ্বালানির রূপান্তর নিয়ে ভার্চুয়ালি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারকে বাংলাদেশ সর্বাত্মকভাবে সমর্থন করে পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানির মধ্যে সৌর শক্তির বা সৌর বিদ্যুতের সম্ভাবনাই বেশি। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ ও বায়ু থেকে বিদ্যুৎ নিয়েও কাজ করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের এজেন্ডার স্বাক্ষরকারী হিসাবে পরিচ্ছন্ন জ্বালানির রূপান্তরের জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। বাংলাদেশের বার্ষিক মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ ০.৪ মেট্রিক টন, যেখানে বিশ্বের গড় ৪.৫ মেট্রিক টন। একটি কার্বন নিরপেক্ষ জাতি হতে প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৮৪৫১ মেগা-ওয়াট ক্ষমতার ১০টি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বায়ুর ম্যাপিং নয়টি সাইটে করা হয়েছে এবং খুব শিগগিরই অফ-শোর বাতাসের সম্ভাবনা নিয়ে একটি গবেষণা করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র বাস্তবায়নে জমির অভাব একটি বড় চ্যালেঞ্জ। জনশক্তি উন্নয়ন এবং প্রযুক্তি রূপান্তরেও আমরা পিছিয়ে রয়েছি। টাইডাল ওয়েভ হতে বিদ্যুৎ, বায়ু বিদ্যুৎ, আধুনিক প্রযুক্তি ইত্যাদি ক্ষেত্রে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে পারি।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আওতায় দীর্ঘস্থায়ী বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পথ ধরে তেল, গ্যাস এবং কয়লা খাতে উন্নয়নের জন্য উভয় দেশের সহযোগিতা বাড়ানো যেতে পারে। তেল ও গ্যাস খাত সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হতে পারে, উপকূলীয় এবং তীরবর্তী অঞ্চলে (পাহাড়ি অঞ্চল) তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে সহযোগিতা ও চীনা কোম্পানিগুলোর আসন্ন পিএসসি বিডিং রাউন্ডে অংশগ্রহণ।

সেশনটিতে প্রযুক্তি উদ্ভাবন গ্রিন এনার্জির খরচ কমায়, কার্বন নিঃসরণ ও জ্বালানি নিরাপত্তার উপাদানগুলিকে আরো ভালভাবে সামঞ্জস্য করে এমন নতুন সমাধানগুলো অন্বেষণ করা, সবুজ শক্তির সাধারণ প্রযুক্তির ওপর যৌথ গবেষণায় প্রচেষ্টা বাড়াতে সহযোগিতা করা, জ্বালানি প্রযুক্তির উদ্ভাবন নেটওয়ার্ক বৃদ্ধি, উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সাফল্যের মসৃণ সীমান্ত প্রয়োগ ইত্যাদি বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

আই ই এফ’র সাবেক মহাসচিব সান জিয়ানশেংয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মাঝে সৌদি আরবের জ্বালানিমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সালমান, কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের জ্বালানিমন্ত্রী হনরি সায়ি, পাপুয়া নিউগিনির পেট্রোলিয়ামমন্ত্রী কেরেঙ্গা কুয়া ও আন্তর্জাতিক শক্তি ফোরামের মহাসচিব জোসেফ ম্যাকমনিগল বক্তব্য রাখেন। 

হাসান/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়