ঢাকা     শনিবার   ০২ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ১৮ ১৪২৯ ||  ০২ জিলহজ ১৪৪৩

হজযাত্রীদের চিকিৎসাসেবায় ১৩৮ সদস্যের দল

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:২৩, ২৬ মে ২০২২  
হজযাত্রীদের চিকিৎসাসেবায় ১৩৮ সদস্যের দল

হজযাত্রীদের চিকিৎসাসেবা দিতে ১৩৮ সদস্যের দল গঠন করা হয়েছে। এ দলে থাকবেন চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ওটি অ্যাসিস্ট্যান্টসহ সংশ্লিষ্টরা।

দুই ব্যাচ-ভিত্তিক এ দলের প্রথম ব্যাচের সদস্যদের পাসপোর্ট আগামী ২৯ মে’র মধ্যে এবং দ্বিতীয় ব্যাচের সদস্যদের পাসপোর্ট আগামী ১০ জুনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ শাখায় জমা দিতে বলা হয়েছে। যদি কোনো সদস্য তার ভ্রমণের তারিখ ও কর্মস্থল পরিবর্তনের জন্য আবেদন করেন তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্ধারিত সময়ে কাগজপত্র জমা দিতে ব্যর্থ হলে তিনি সৌদি আরবে যেতে অনিচ্ছুক বলে ধরে নেওয়া হবে।

গত ২৪ মে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে বলা হয়েছে, ১৪৪৩ হিজরি সনের হজ মৌসুমে সৌদি আরবে অসুস্থ বাংলাদেশি হাজীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য দুটি দলে বিভক্ত করে চিকিৎসক, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান ও ওটি অ্যাসিস্ট্যান্টের সমন্বয়ে ১৩৮ সদস্য বিশিষ্ট সমন্বিত হজ চিকিৎসকদল গঠন করে সৌদি আরবে পাঠাতে সরকারের সম্মতি জ্ঞাপন করছি। দলের সদস্যরা পর্যায়ক্রমে তাদের নামের বিপরীতে উল্লেখিত তারিখ অনুযায়ী বিমানের ফ্লাইট-প্রাপ্তি সাপেক্ষে সৌদি আরব যাবেন এবং দায়িত্ব পালন শেষে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করবেন।

হজ মৌসুমে চিকিৎসার জন্য সৌদি আরবে প্রেরিত/আনীত ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের যথাযথ ব্যবহার এবং রক্ষণাবেক্ষণের সকল দায়িত্ব হজ চিকিৎসক দলের দলনেতা ও উপ-দলনেতাদের ওপর ন্যস্ত থাকবে। হজ চিকিৎসক দলের দলনেতা ও উপ দলনেতাকে হজ চিকিৎসাকেন্দ্রে রক্ষিত ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের হালনাগাদ খরচ ও মজুদ সংক্রান্ত পূর্ণাঙ্গ তথ্য কাউন্সিলরকে (হজ) লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। একই সঙ্গে ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের হালনাগাদ খরচ ও মজুদ সংক্রান্ত হিসাব অবশ্যই পর্যায়ক্রমে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বুঝিয়ে দিতে হবে।

দলের সদস্যগণ সার্বক্ষণিক দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন মর্মে বিবেচিত হবেন। যেকোনো সময় সদস্যগণ হজযাত্রীদের সেবা দিতে বাধ্য থাকবেন। এ ক্ষেত্রে ছুটি কিংবা শিফটের বিষয় গ্রহণযোগ্য হবে না।

দলনেতা/উপদলনেতা ও দুজন ফার্মাসিস্ট সৌদি আরব গমনকালে ঢাকাস্থ হজ ক্যাম্প থেকে ইনসুলিন আইস বক্স জেদ্দা হজ টার্মিনালে নিয়ে যাবেন। কাউন্সেলর (হজ) জেদ্দা হজ টার্মিনাল থেকে ইনসুলিন ছাড় করানোর পদক্ষেপ নেবেন। হজ চিকিৎসা দলের দলনেতা/উপ-দলনেতাগণ ঢাকায় প্রত্যাবর্তনের আগে মক্কা, মদিনা ও জেদ্দায় অসুস্থ হজযাত্রীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া শেষে উদ্বৃত্ত ঔষধ ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ব্যবহারের ভিত্তিতে ২০২৩ সনের হজ মৌসুমে হজযাত্রীদের চিকিৎসা কাজে ব্যবহার্য ঔষধের সম্ভাব্য প্রয়োজনীয় পরিমাণসহ অপর একটি তালিকা কাউন্সেলরের (হজ) কাছে উপস্থাপন করবেন। ওই তালিকা দুটির একটি করে কপি (সফট কপিসহ) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর অবশ্যই দাখিল করবেন।

এ সফর সরকারি সফর হিসেবে গণ্য হবে। বিদেশে অবস্থানকালে সরকারি কর্মকর্তা/কর্মচারীরা বাংলাদেশের মুদ্রায় নিজ নিজ কর্মস্থল থেকে যথারীতি বেতন ও ভাতাদি পাবেন।

নঈমুদ্দীন/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়