ঢাকা     বুধবার   ১৭ আগস্ট ২০২২ ||  ভাদ্র ২ ১৪২৯ ||  ১৮ মহরম ১৪৪৪

পারিবারিক আদালত আইনের খসড়া অনুমোদন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৭:৫৬, ৩ জুলাই ২০২২  
পারিবারিক আদালত আইনের খসড়া অনুমোদন

মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠক (ফাইল ফটো)

পারিবারিক আদালত আইন, ২০২২ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

রোববার (৩ জুলাই) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার ভার্চুয়াল বৈঠকে এটি অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আগের আইনটি সামরিক শাসনামলের। ১৯৮৫ সালে একটি ফ্যামিলি কোর্ট অর্ডিন্যান্স হয়। সেই অর্ডিন্যান্সে পারিবারিক বিষয়গুলো—দাম্পত্য কলহ, তালাক, ম্যারিজ রেস্টোরেশন, শিশুদের ভরণপোষণ ইত্যাদি ছিল। এর আগে এ বিষয়গুলো ফৌজদারি কার্যবিধির ৪(৮৮)-তে বিবেচ্য হতো। হাইকোর্টের বিধি-বিধান অনুযায়ী এটিকে (সামরিক শাসনামলের অধ্যাদেশ) আইনে পরিণত করতে হবে। তাই, এ আইনের খসড়াটি নিয়ে আসা হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আগে যেটা ছিল, মোটামুটি সেটাই আছে। এখানে ৩১টি ধারা আছে। বিবাহবিচ্ছেদ, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং শিশু সন্তানদের অভিভাবকত্ব ও তত্ত্বাবধান সংক্রান্ত বিষয়গুলো এ আদালত বিবেচনায় নেবে। একটাই মূল পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেটা হলো—আগে ছিল, যে আদালতে রায় হবে, সেটার আপিল কর্তৃপক্ষ ছিলেন জেলা জজ। এখান সংশোধন এনে বলা হচ্ছে, জেলা পর্যায়ে আরও জজ আছেন, নারী-শিশু বা শ্রম আদালত। শুধু জেলা জজ বললে ওনার ওপর একটু বেশি চাপ পড়ে যায়। সরকার যদি মনে করে, কোনো জেলাতে আপিলের জন্য অতিরিক্ত মামলা আছে, সেক্ষেত্রে জেলা জজ পর্যায়ের অন্যান্য যে জজরা রয়েছেন, তাদেরকেও আপিল আদালত হিসেবে বিবেচনা করা যাবে।’

খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার ক্ষেত্রে ফি ৫০ টাকা ছিল, তা ২০০ টাকা করা হয়েছে। ১৯৮৫ সালে কোর্টে মামলা করলে ৫০ টাকা দিতে হতো, যদিও বাড়িয়ে এখন যেটা করা হয়েছে সেটাও অনেক কম। কারণ, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একটু অসহায় মেয়েরা এসে মামলা দায়ের করে, সেটা বিবেচনা করে ফি বাড়ানো হয়নি।’

প্রধানমন্ত্রী গণভবন থেকে এবং মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বৈঠকে যোগ দেন।

নঈমুদ্দীন/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়