ঢাকা     রোববার   ২৭ নভেম্বর ২০২২ ||  অগ্রহায়ণ ১৩ ১৪২৯ ||  ০১ জমাদিউল আউয়াল ১৪১৪

‘সিরামিক পণ্য রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে’

বিশেষ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫৮, ২৪ নভেম্বর ২০২২  
‘সিরামিক পণ্য রপ্তানি বাড়াতে উদ্যোগ নেওয়া হবে’

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেছেন, সিরামিক বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পের একটি। এই শিল্প খুব কম সময়েই দেশে প্রসার লাভ করেছে। একসময় সিরামিক বিদেশ থেকে আমদানি করে দেশের মানুষ কাজ করতো। এখন চাহিদার প্রায় ৮৫ ভাগ পূরণ করেছে দেশে উৎপাদিত সিরামিক। বাংলাদেশে তৈরি সিরামিকের প্রচুর চাহিদা রয়েছে বিদেশে। বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৫০টি দেশে সিরামিক পণ্য রপ্তানি হচ্ছে। এখাতের বর্তমান রপ্তানি আয় বছরে প্রায় পাঁচশ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার (২৪ নভেম্বর) ঢাকায় ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিসিএমইএ) আয়োজিত তৃতীয় বারের মতো ‘তিন দিনব্যাপী সিরামিক এক্সপো-২০২২’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ সিরামিক ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিএমইএ) প্রেসিডেন্ট মো. সিরাজুল ইসলাম মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন এফবিসিসিআই’র ভাইস প্রেসিডেন্ট মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সিরামিক ম্যান্যুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি জেনারেল এরফান উদ্দিন। বাণিজ্যমন্ত্রী আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে সিরামিক মেলা ঘুরে দেখেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার বিভিন্নভাবে সিরামিক পণ্য রপ্তানিতে উৎসাহ দিচ্ছে। আশা করা হচ্ছে, খুব অল্প সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের সিরামিক পণ্যের রপ্তানি এক বিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে। বাংলাদেশের সিরামিক পণ্যের মান বেশ ভালো। দেশে বর্তমানে ৭০টির বেশি সিরামিক শিল্প রয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে গ্যাস সংকটের কারণে সিরামিক শিল্পে কিছু সমস্যা হচ্ছে। আস্তে আস্তে পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে। আশা করা যায়, আগামী জানুয়ারি মাস থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ মানুষ সিরামিক শিল্পের সঙ্গে জড়িত। দিন দিন দেশে এ শিল্পের ব্যাপক প্রসার ঘটছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এ খাতের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রায় ২০০ শতাংশ। দেশে-বিদেশে সিরামিক পণ্যের চাহিদাও বাড়ছে। সিরামিক পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি করতে যেসব সমস্যা রয়েছে সেগুলো নিয়ে আমরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করবো। সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত তা সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এবারের মেলায় বিশ্বের ২০টি দেশের ১২০টি প্রতিষ্ঠান প্রায় ১৫টি ব্রান্ড নিয়ে অংশগ্রহণ করেছে। আগামী ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত মেলা দর্শনার্থীদের জন্য খোলা থাকবে। মেলায় প্রবেশ করতে কোনও প্রবেশমূল্য দিতে হবে না। মেলা চলাকালে ৫টি সেমিনার, জব ফেয়ার, বি-টু-বি এবং বি-টু-সি মিটিং, স্পর্ট অর্ডার এবং পণ্যের মোড়ক উন্মোচন করা হবে।

ঢাকা/হাসনাত/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়