Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

শ্রমিক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৪:৫৩, ৯ নভেম্বর ২০১৯   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
শ্রমিক লীগের সম্মেলন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠন শ্রমিক লীগের ১২তম জাতীয় সম্মেলন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শান্তির প্রতীক সাদা পায়রা ও বেলুন উড়িয়ে সম্মেলন উদ্বোধন করেন তিনি। এ সময় একসঙ্গে জাতীয় সঙ্গী‌ত গাওয়া হয়। উত্তোলন করা হয় জাতীয় পতাকা।

এ সময় একযোগে শ্রমিক লীগের ৭৪টি সাংগঠনিক জেলার দলীয় পতাকাও উত্তোলন করা হয়।

মঞ্চে উঠে শেখ হাসিনা নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে অভিনন্দনের জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীকে সম্মেলনের ব্যাজ পরিয়ে দেন শ্রমিক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শামসুন নাহার।

প্রধানমন্ত্রীকে ফুল ও ক্রেস্ট দিয়ে বরণ করে নেন শ্রমিক লীগের সভাপতি শুক্কুর মাহামুদ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম এবং কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু।

পরে 'মুজিব জাতির পিতা', ' ভয় নেই কোনো ভয়,  জয় বাংলার জয়'  শিরোনামে গান পরিবেশনা করেন ফকির আলমগীর।

বেলা ১১ টা ৮ মিনিটে পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াতের মাধ্যমে সম্মেলনের কার্যক্রম শুরু হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলোয়াত করেন জাতীয় বায়তুল মোকাররম মসজিদের ক্বারী মো. হাবিবুর রহমান। গীতা থেকে পাঠ করেন দুলাল চন্দ্র রবি দাস। বাইবেল থেকে পাঠ করেন ভিক্টর রায়।

সম্মেলনের প্রথম পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুরের বিরতির পর সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনষ্টিটিউশনে। এখানেই ঘোষণা হবে শ্রমিক লীগের নতুন নেতৃত্ব।

এর আগে সমাবেশস্থলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা পৌঁছালে তাকে স্লোগান আর করতালি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা।

দীর্ঘদিন পর সংগঠনের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে সোহারাওয়ার্দী উদ্যান পরিণত হয়েছে উৎসবের স্থান হিসেবে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে ব্যানার ফেস্টুনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।

শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. সিরাজুল ইসলাম রাইজিংবিডিকে জানান, সম্মেলনে সাড়ে আট হাজার কাউন্সিলর, সাড়ে আট হাজার ডেলিগেটর এসেছেন। আছেন বিদেশি অতিথিও। এর মধ্যে রয়েছেন ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড ইউনিয়ন কনফেডারেশন বাংলাদেশ কাউন্সিল-আইটিইউসি জেনারেল সেক্রেটারি জাপানি নাগরিক ওসিদা, সার্ক শ্রমিক সংগঠনের জেনারেল সেক্রেটারি শ্রীলঙ্গান নাগরিক লাক্সমান বাক্সনেট, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলও এর কান্ট্রি ডিরেক্টর মি টোমো। সম্মেলনে তারাও বক্তব্য রাখবেন।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সম্মেলন হয় সর্বশেষ ২০১২ সালে। ওই সম্মেলনে সভাপতি হন শুক্কুর মাহামুদ, সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পান সিরাজুল ইসলাম। ৩ বছরের কমিটির মেয়াদ থাকলেও চলেছে প্রায় ৮ বছর।

শ্রমিক লীগের এবারের সম্মেলনে সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন-সংগঠনটির বর্তমান কমিটির কার্যকরী সভাপতি ফজলুল হক মন্টু, সরদার মোতাহের উদ্দিন, নূর কুতুব আলম মান্নান, হাবিবুর রহমান আকন্দ, আমিনুল হক ফারুক, মোল্লা আবুল কালাম আজাদ, এজাজ আহমেদ, সাবেক শ্রমিক নেতা ইসরাফিল আলম। এ ছাড়া বর্তমান সভাপতি শুক্কুর মাহমুদ এবং সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামও সভাপতি পদপ্রার্থী। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে রয়েছেন সংগঠনটির বর্তমান কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির, খান সিরাজুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব কে এম আযম খসরু, দপ্তর সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক সুলতান আহমেদ, শ্রমিক উন্নয়ন ও কল্যাণ বিষয়ক সম্পদক কাউসার আহমেদ পলাশ, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মোতালেব হাওলাদার।

১৯৬৯ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শ্রমিক লীগ প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৮ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুসারে শ্রমিক লীগকে ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের মর্যাদা দেয় আওয়ামী লীগ।

 

ঢাকা/রেজা/ইভা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে