ঢাকা     শুক্রবার   ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ ||  আশ্বিন ১০ ১৪২৭ ||  ০৭ সফর ১৪৪২

‘জিয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না’

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৯:৪৪, ১৩ আগস্ট ২০২০   আপডেট: ১০:৩৯, ২৫ আগস্ট ২০২০
‘জিয়া মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না’

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় বক্তারা

‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান কখনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ছিলেন না। বরং স্বাধীন বাংলাদেশে পাকিস্তানি ভাবধারার রাষ্ট্রে ফিরিয়ে নিতে নেপথ্যে থেকে যেমন ষড়যন্ত্র করেছেন, ঠিক তেমনই সরাসরি নিজেও ষড়যন্ত্র করেছেন।’

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে ‘১৫ আগস্টের নির্মম হত্যাকাণ্ড: নেপথ্যের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এ মন্তব্য করেন।  আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ উপ-কমিটির উদ্যোগে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
 
সভা উপস্থাপনা করেন আওয়ামী লীগের টানা দ্বিতীয় মেয়াদে বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব থাকা দেলোয়ার হোসেন। 

দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে ভারত জুজু ভীতি দেখিয়ে একটি রাজনীতি শুরু হয়।  এ সংকটটা ছিল প্রকট এবং বিরাট।  এর নেপথ্যের নায়ক হিসেবে জিয়াউর রহমান ষড়যন্ত্রটা পাকাপোক্ত করেন।
 
আলোচনা সভার শ্লোগান ছিলো-আসুন আইনের শাসন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বিবেকবোধ জাগ্রত করি। বঙ্গবন্ধু’সহ ১৫ আগস্টের শহীদদের আত্মার শান্তি কামনা করি।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড এবং বঙ্গবন্ধুর সরকারকে উৎখাতের জন্য যারা ষড়যন্ত্র করেছে তাদেরকে জিয়াউর রহমান সবসময় উৎসাহ দিয়েছে, মদদ দিয়েছে।  পঁচাত্তরের আত্মস্বীকৃত খুনিরা পরে বিভিন্ন সময়ে সাক্ষাৎকারে বলেছে, জিয়াউর রহমান তাদের সবসময় বলেছেন ‘তোমরা যদি কিছু করতে পারো করো, আমি আছি- তবে ব্যর্থ হলে আমার নামটা নিও না।’

জিয়াউর রহমান ৭৫’র হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘এর সব থেকে বড় প্রমাণ তিনি খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছেন এবং পুরস্কৃত করেছেন। জিয়াউর রহমান যদি এর সঙ্গে জড়িত না থাকতো, তাহলে খুনিরা পুরস্কৃত হতো না; রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা পেতো না। ’ 

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. খন্দকার বজলুল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সিনিয়র সাংবাদিক পার্থ চট্টোপাধ্যায়, লেখক ও সাংবাদিক আবেদ খান, ভাষাতাত্ত্বিক ও শিক্ষাবিদ পবিত্র সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর নাসরিন আহমেদ, বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দীন চৌধুরী মানিক বাংলাদেশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডক্টর হারুন-অর-রশিদ।

ঢাকা/পারভেজ/জেডআর

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়