Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৯ ডিসেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ২৫ ১৪২৮ ||  ০৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৩

আ.লীগ বঙ্গবন্ধুকে ছোট করছে: জিএম কাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০৪, ১৫ আগস্ট ২০২১   আপডেট: ২৩:০৮, ১৫ আগস্ট ২০২১
আ.লীগ বঙ্গবন্ধুকে ছোট করছে: জিএম কাদের

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোনো একটি দলের নন, তিনি বাঙালি জাতির সম্পদ। বঙ্গবন্ধুকে দলীয় সম্পদ করতে গিয়ে আওয়ামী লীগ তাকে ছোট করছে।’

রোববার (১৫ আগস্ট) দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অলোচনা সভায় তি‌নি এসব কথা বলেন।

জিএম কা‌দের ব‌লেন, ‘বঙ্গবন্ধু সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বাঙালি। কারণ, তার নেতৃত্বে একটি জাতির সকল ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। একই সময়ে দেশের মানুষকে উজ্জীবিত করেছিলেন তিনি। ইতিহাসে বঙ্গবন্ধুর মত নেতৃত্ব বিরল। তাই, বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধ আর বঙ্গবন্ধু- এই তিন প্রশ্নে জাতির কোন দ্বিমত নেই।’

পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ জাতীয় সংসদে বক্তৃতায় বলেছিলেন, জাতীয় পার্টি বঙ্গবন্ধুকে জাতির জনকের স্বীকৃতি দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কিছু বাঁধার কারণে তা করতে পারেননি তি‌নি।

কাদের আরও বলেন, জীবনের একটি বিশাল অংশ কারাবরণ করেছেন বঙ্গবন্ধু, ফাঁসির মুখেও গিয়েছেন একাধিকবার কিন্তু দেশ ও মানুষের অধিকারের প্রশ্নে কখনোই আপোস করেননি তিনি। বাঙালি জাতির এক অবিসংবাদিত নেতা ছিলেন তিনি। স্বাধীনতার পূর্বে তিনি রাষ্ট্রের কোন পদে ছিলেন না, কিন্তু তিনি ছিলেন গণমানুষের হৃদয়ের নেতা। তাই বঙ্গবন্ধুর নির্দেশ সরকারি কর্মচারীরাও পালন করতেন। কোন দল নয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের ওপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম সংগঠিত হয়েছে। সত্তর-এর নির্বাচনে অনেকেই প্রার্থীর নাম জানতেন না, তারা শেখ মুজিবের নৌকায় ভোট দিয়েছেন।

জাপার মহাসচিব জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলু বলেন, বঙ্গবন্ধু হত্যায় রাজনৈতিক নেতাদের জড়িত থাকার বিষয়টি উদ্ঘাটন করতে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। ইতিহাস বিকৃত করা যায় না, ইতিহাস তার আপন গতিতে চলবে।

তিনি আরও বলেন, জেলখানায় হত্যার শিকার চার জাতীয় নেতা ছাড়া আর সবাই খুনিদের সঙ্গে ছিলেন। বাকশালের নেতারাই খন্দকার মোশতাক আহমেদের সরকারে ছিলেন। তারাই ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিলেন।

এসময় বক্তব্য রাখেন প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, মীর আব্দুস সবুর আসুদ, ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এমপি, আব্দুস সাত্তার মিয়া। উপস্থিত ছিলেন, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, নাজমা আক্তার এমপি, সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য আতিকুর রহমান আতিক, উপদেষ্টা ড. নুরুল আজহার শামীম, গোলাম মোস্তফা, এডভোকেট লাকী আক্তার, হেনা খান পন্নি, আমানত হোসেন আমানত, ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তফা আল মাহমুদ, আহসান আদেলুর রহমান এমপি, ইয়াহ ইয়া চৌধুরী, এইচ.এম. শাহরিয়ার আসিফ, যুগ্ম মহাসচিব গোলাম মোহাম্মদ রাজু, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, ইকবাল হোসেন তাপস, মোঃ বেলাল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হেলাল উদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর হোসেন মঞ্জু, এনাম জয়নাল আবেদীন, মোঃ হুমায়ুন খান, সম্পাদকমন্ডীর সদস্য সুলতান মাহমুদ, এমএ রাজ্জাক খান, জহিরুল ইসলাম মিন্টু, বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসহাক ভূঁইয়া, গোলাম মোস্তফা, আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, মিজানুর রহমান মিরু, এডভোকেট ফায়েকুজ্জামান ফিরোজ, মোঃ নজরুল ইসলাম, এডভোকেট আবু তৈয়ব, মাহমুদ আলম, সমরেশ মন্ডল মানিক, শাহজাহান কবীর, শহীদ হোসেন সেন্টু, হাফেজ ক্বারী ইসারুহুল্লাহ আসিফ, কেন্দ্রীয় নেতা মনিরুজ্জামান টিটু, মোঃ ফারুক শেঠ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, মাওলানা খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, মিথিলা, মোমেনা আক্তার, ইব্রাহিম খান জুয়েল, মহিবুর রহমান, ক্বারী শাহ আলম ফরাজী, আবুল কালাম আজাদ টুলু, এমদাদুল ইসলাম রনি।

নঈমুদ্দীন/রফিক

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়