ঢাকা     বুধবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ||  আশ্বিন ১৩ ১৪২৯ ||  ০১ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত কমিশনের এখতিয়ারে নেই: কাদের

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:৫২, ১৮ আগস্ট ২০২২  
জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত কমিশনের এখতিয়ারে নেই: কাদের

বিএনপি জাতিসংঘের অধীনে মানবাধিকার বিষয়ক যে তদন্ত কমিশন চেয়েছেন, তা সংস্থাটির এখতিয়ারে নেই জানিয়ে দলটির নেতাদের ভুল শুধরে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক আলোচনা সভা ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনার মিশেল ব্যাচলেট মূলত এসেছেন রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে। এর সাথে আরও অনেকের কমপ্লেইন গেছে..এগুলো উনি জেনেছেন। …উনি পারেন…উনার এখতিয়ার আছে এই ব্যাপারে বলা যে, বাংলাদেশ এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিক।’

‘ফখরুল সাহেব বলছেন, তাকেই নিন্দা করতে। এটা তো তার এখতিয়ার নেই। মনে হয় যেন ব্যাচলেটই শেখ হাসিনার সরকারকে শাস্তি দিয়ে দেবে। ফখরুল আবার বলেছেন, জাতিসংঘের অধীনেই তদন্ত কমিশন। এটা কোনোদিনই হয় না। ফখরুল সাহেব লেখাপড়া করেছেন, জাতিসংঘের এখতিয়ারটা জানেন না?’

তিনি বলেন, ‘এখতিয়ার হচ্ছে, বাংলাদেশ সরকারকে বলতে পারে এইসব বিষয়ে কনসার্ন আছে, তুমি এই ব্যাপারে ইনভেস্টিগেট করো। কিন্তু তাদের অধীনে হবে না আর ব্যাচলেটও সাজা দিতে পারবে না। এটা তার এখতিয়ারে নেই।’

‘প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রশমনে বঙ্গবন্ধুর দর্শন ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি।   

সরকার খাদের কিনারায়-বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের জবাবে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এ কথা শুনছি ১৩ বছর ধরে। ১৩ বছর ধরে, আজ নয় কাল, রোজার ঈদের পর কোরবানি ঈদ। কোরবানি ঈদের পর পরীক্ষা..এইভাবে বন্যা..আসন্ন বন্যা আছে..। এভাবে একটার পর একটা শুধু দিন তারিখ দিয়েছে।  দেখতে দেখতে ১৩ বছর। এই সময়ে এক দিনেও একটা আকর্ষণীয় মিছিল তাদের নেত্রীর মুক্তির দাবিতে এই শহরে করতে পারেনি।’

‘তাদের নেতিবাচক রাজনীতি আন্দোলনেও ফেল, নির্বাচনেও ফেল। শক্তি পরীক্ষা করবেন? বড় বড় কথা না বলে আগামী নির্বাচনে আসেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। দেখা যাবে জনপ্রিয়তা কার?’

বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা সারা দুনিয়া প্রশংসা করে আর আপনারা হিংসায় মরেন। হিংসায় জ্বলেন। এই হিংসা করতে করতে সরকারের পতন ঘটাতে ১৩টা বছর চলে গেলো। এখন মানুষের প্রশ্ন কবে দেখা দেবে সোনার হরিণ, ক্ষমতায় ময়ূর সিংহাসন। সব স্বপ্ন। এই স্বপ্ন দেখতে দেখতে, রঙিন খোয়াব দেখতে দেখতে আপনারই এখন খাদের কিনারায় পড়ে যাবেন। বেশি দেরি নেই।’  

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাড. জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, কামরুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন দলের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী।

পারভেজ/এনএইচ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়