Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৮ শা'বান ১৪৪২

হলুদ কেন খাবেন, কতটুকু খাবেন?

এস এম গল্প ইকবাল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০২:১৭, ১৭ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
হলুদ কেন খাবেন, কতটুকু খাবেন?

হলুদ রান্নায় ব্যবহৃত হয়। বর্তমানে আপনি চা, কফি, প্রোটিন বার ও সাপ্লিমেন্টের উপাদান হিসেবেও হলুদের ব্যবহার লক্ষ্য করে থাকবেন। দিনদিন হলুদের জনপ্রিয়তা বাড়ার কারণ- গবেষণায় হলুদের ইতিবাচক প্রভাব।

গবেষণা বলছে, হলুদ ব্যবহারে প্রদাহরোধী উপকার পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু শরীর থেকে প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে কতটুকু হলুদ ব্যবহার করা উচিত? বিশেষজ্ঞদের মতে, হলুদ ব্যবহারের সর্বোত্তম ও নিরাপদ পরিমাণ নির্ভর করে কিছু বিষয়ের ওপর।

প্রথমত, হলুদ গ্রহণের ভিন্ন কিছু উপায় রয়েছে। হলুদের গুঁড়া, হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্ট হচ্ছে হলুদের প্রচলিত ব্যবহার। কারকামিন হলো হলুদের প্রধান সক্রিয় উপাদান যা হলুদকে প্রদাহনাশক ক্ষমতা দিয়েছে। ইন্টারন্যাশনাল ফুড ইনফরমেশন কাউন্সিল ফাউন্ডেশনের পুষ্টি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক আলি ওয়েবস্টার এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, ‘হলুদের নির্যাস ও কারকামিন সাপ্লিমেন্টে বেশি মাত্রায় কারকামিন থাকে। ব্যথা কমাতে শুকনো হলুদের চেয়ে এগুলো বেশি কার্যকরী।’

আরেকটি বিষয় হলো, একজন ব্যক্তি নিয়মিত টারমারিক সাপ্লিমেন্ট অথবা কারকামিন সাপ্লিমেন্ট সেবন না করলে রান্নায় হলুদের ব্যবহারে উল্লেখযোগ্য ব্যথা প্রশমনের মতো উপকার পাবেন না। আমেরিকার আর্থ্রাইটিস ফাউন্ডেশন প্রদাহ বা ব্যথা কমাতে প্রতিদিন তিনটি করে ৪০০ থেকে ৬০০ মিলিগ্রাম টারমারিক ক্যাপসুল অথবা অর্ধ থেকে তিন গ্রাম হলুদের গুঁড়া ব্যবহার করতে পরামর্শ দিচ্ছে। জার্নাল অব মেডিসিনাল ফুডে প্রকাশিত গবেষণা মতে, আর্থ্রাইটিস বা বাতের রোগীরা প্রতিদিন এক গ্রাম কারকামিন খেয়ে উপকার পেতে পারেন।

তবে স্মরণে রাখা ভালো যে, শরীর হলুদ ভালোভাবে শোষণ করতে পারে না। এ কারণে হলুদের সঙ্গে গোল মরিচ ও অলিভ অয়েল ব্যবহার করা যেতে পারে। সাধারণত রান্নায় যে পরিমাণ হলুদ ব্যবহার করা হয় তা নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে না। কিন্তু অত্যধিক পরিমাণে হলুদ খেলে পেটে অস্বস্তিকর অনুভূতি, মাথাঘোরা, বমিভাব ও ডায়রিয়া হতে পারে।

কিছু রক্ত তরলকারী ওষুধ রয়েছে। ভুলেও এই ওষুধের সঙ্গে হলুদ খাবেন না। তাহলে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বেড়ে যাবে। তবে প্রদাহজনিত সমস্যা থাকলে প্রতিদিনকার রেসিপিতে এখন থেকে হলুদের গুঁড়া আরেকটু বাড়িয়ে নিতে পারেন। তবে এর আগে অবশ্যই পরিমাণ চিকিৎসকের কাছ থেকে জেনে নিতে ভুলবেন না।


ঢাকা/ফিরোজ/তারা

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে