RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ৮ ১৪২৭ ||  ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

যেসব খাবারে সোরিয়াসিস বাড়ে

এস এম গল্প ইকবাল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০২:১১, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
যেসব খাবারে সোরিয়াসিস বাড়ে

সোরিয়াসিস হচ্ছে সোরিয়াসিস ত্বকের একটি জটিল চর্মরোগ। এ রোগে ত্বক থেকে মাছের মতো আঁশ ওঠতে থাকে ও আক্রান্ত স্থান লাল হয়ে যায়। এসব আঁশ হচ্ছে মূলত ত্বকের মৃতকোষ, অর্থাৎ সোরিয়াসিসে ত্বক কোষের জীবনের পরিসমাপ্তি খুব দ্রুত ঘটে।

কনুই, হাঁটু ও মাথার ত্বকে এ চর্মরোগ বেশি হয়। সোরিয়াসিসের অন্যতম উপসর্গ হচ্ছে চুলকানি। আপনার এ সমস্যা হলে কিছু খাবার সীমিত করার প্রয়োজন হবে। এখানে সোরিয়াসিসের তীব্রতা বাড়াতে পারে এমন কিছু খাবারের তালিকা দেয়া হলো।

মরিচ: অনেকে বেশি পরিমাণে মরিচ খেতে পছন্দ করেন। কিন্তু সোরিয়াসিস হলে এ অভ্যাসকে দমন করতে হবে। সোরিয়াসিসকে উক্ত্যক্ত করতে না চাইলে কাঁচা মরিচ ও মরিচের গুঁড়ার ব্যবহার সীমিত করুন। এ মসলা অতিরিক্ত খেলে দীর্ঘমেয়াদি ক্রনিক প্রদাহ সৃষ্টি হবে। এটা মনে রাখা ভালো যে প্রদাহ বাড়লে সোরিয়াসিসের উপসর্গও তীব্র হবে।

টমেটো: কিছু ফল ও সবজিকে নাইটশেড পরিবারের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ পরিবারের কিছু সদস্য হচ্ছে টমেটো, মরিচ, বেগুন ও সাদা আলু। এখনও পর্যন্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে, নাইটশেড পরিবারের সদস্য ও সোরিয়াসিসের মধ্যে যোগসূত্র রয়েছে। কিন্তু অনেক রোগী অভিযোগ করেছেন যে, নাইটশেড পরিবারের ফল-সবজি খাওয়ার পর তাদের উপসর্গের তীব্রতা বেড়ে গেছে। তাই এসব খাবার খাওয়ার পর সোরিয়াসিসের উপসর্গ আরো রেগে গেলে এগুলোকে এড়িয়ে চলাই ভালো।

দুগ্ধজাত খাবার: ফুল ফ্যাট দুধ-দই সোরিয়াসিসের প্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে। এর পরিবর্তে লো ফ্যাটের দুগ্ধজাত খাবার খেয়ে খেয়াল করুন ত্বক কী প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে।

চিনিযুক্ত সিরিয়াল: গ্রানোলা ও দইয়ের মতো স্বাস্থ্যকর ব্রেকফাস্টও সোরিয়াসিসের অবস্থা আরো খারাপ করতে পারে। এর কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত চিনি। কিছু গ্রানোলার প্যাকে ২০ গ্রামেরও বেশি চিনি ও কর্ন সিরাপ রয়েছে। হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, চিনি শরীরে প্রদাহমূলক রিসেপ্টর বৃদ্ধি করতে পারে।

বেশি লবণের খাবার: চিকেন পট পাইয়ের মতো খাবার আপনাকে প্রলুব্ধ করলে নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রাখুন। অন্যথায় সোরিয়াসিস ক্ষেপে যাবে। চিনি ও প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো এটিও শরীরে প্রদাহ বাড়াতে পারে। এর কারণ হচ্ছে অতিরিক্ত লবণ। সোরিয়াসিসকে ডিস্টার্ব করতে না চাইলে যে খাবারে ৫০০ মিলিগ্রামের বেশি লবণ ব্যবহার করা হয়েছে তা এড়িয়ে চলুন।

গ্লুটেনযুক্ত খাবার: আমেরিকার ন্যাশনাল সোরিয়াসিস ফাউন্ডেশনের তথ্যমতে, প্রায় ২৫ শতাংশ সোরিয়াসিস রোগীর গ্লুটেনের প্রতি সংবেদনশীলতাও রয়েছে। গ্লুটেন সংবেদনশীলতা যাচাই করতে মেডিক্যাল টেস্টের প্রয়োজন নেই, আপনি নিজেই এটা শনাক্ত করতে পারেন। একটি দুটি গ্লুটেনযুক্ত খাবার খেয়ে দেখুন ত্বকে কি প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। সোরিয়াসিসের উপসর্গের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে ডায়েট থেকে গ্লুটেনযুক্ত খাবার সম্পূর্ণরূপে দূর করুন।

পড়ুন : *

        *

       *

      *

 

ঢাকা/ফিরোজ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়