RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     শুক্রবার   ২৩ অক্টোবর ২০২০ ||  কার্তিক ৮ ১৪২৭ ||  ০৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

করোনাভাইরাস: কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন কী?

মুছা মল্লিক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:১২, ১৭ মার্চ ২০২০   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
করোনাভাইরাস: কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন কী?

কোভিড-১৯ নামের নতুন করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ‘কোয়ারেন্টাইন’ এবং ‘আইসোলেশন’- শব্দ দুটি ব্যাপকভাবে শোনা যাচ্ছে। তবে এ দুটি শব্দের অর্থ এবং ব্যবহারীক প্রয়োগ নিয়ে অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি বা ভীতি তৈরি হতে পারে। 

কোয়ারেন্টাইন ও আইসোলেশন সম্পর্কে রাইজিংবিডির সঙ্গে কথা বলেছেন রেজিয়া তালেব হাসপাতালের মেডিসিন ও হরমোন রোগ বিশেষজ্ঞ ডা. জহুরুল হক।

কোয়ারেন্টাইন কী? 

যেসব ব্যক্তিকে আপাতদৃষ্টিতে সুস্থ মনে হয়, কিন্তু সে সুস্থ হতে পারে, আবার নাও পারে, তার মধ্যে হয়তো জীবাণু আছে কিন্তু তার মধ্যে কোনো ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়নি- এমন ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়। করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে একজন মানুষকে প্রাথমিকভাবে ১৪ দিন এভাবে বিশেষ ব্যবস্থায় রাখা হয়। ১৪ দিন পর্যন্ত কাউকে কোয়ারেন্টাইন করে রাখলে যদি তার ভেতরে জীবাণু থাকে তাহলে উপসর্গ দেখা দেবে। কোয়ারেন্টাইন থেকে লক্ষণ প্রকাশ না হলে তাকে সম্পূর্ণ সুস্থ বলা হয়। কোয়ারেন্টাইনে রাখা অবস্থায় উপসর্গ দেখা দিলে আইসোলেশনে নিয়ে যেতে হবে।

আইসোলেশন কী?

আইসোলেশন হচ্ছে, কারো মধ্যে যখন জীবাণুর উপস্থিতি ধরা পড়ে বা ধরা না পড়লেও তার মধ্যে উপসর্গ থাকে তখন তাকে আলাদা করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করাই হলো আইসোলেশন। বিশেষ এই পদ্ধতিতে কোনো রোগীর হাঁচি-কাশি, মল-মূত্র অন্য কারো সংস্পর্শে যাবে না। জীবাণু যাতে ছড়িয়ে পড়তে না পারে, এজন্য রোগীকে যত রকম ব্যারিয়ার দেওয়া সম্ভব, আইসোলেশনে তা দেওয়া হয়। 

সংক্ষেপে বলতে গেলে বলা যায়, আইসোলেশন হচ্ছে অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য, আর কোয়ারেন্টাইন হচ্ছে সুস্থ বা আপাত সুস্থ ব্যক্তিদের জন্য। আইসোলেশনে কতদিন রাখা হবে তার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। পুরোপুরি সেরে না ওঠা পর্যন্ত আইসোলেশনে রাখা হয়।

 

ঢাকা/ফিরোজ

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়