RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ২১ জানুয়ারি ২০২১ ||  মাঘ ৭ ১৪২৭ ||  ০৬ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতে পারে আম: গবেষণা

দেহঘড়ি ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০৭, ২৪ নভেম্বর ২০২০   আপডেট: ১৮:২৮, ২৪ নভেম্বর ২০২০
ত্বকে বয়সের ছাপ কমাতে পারে আম: গবেষণা

বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রূপ নিয়ে আতঙ্কে ভোগেন রূপ সচেতন ব্যক্তিরা। কারণ রূপে বাধা হয়ে দাঁড়ায় ত্বকের ভাঁজ বা বলিরেখা। তবে শুধু বয়সের কারণেই যে বলিরেখা হয়, সেটাও নয়। অসুস্থতা, পরিবেশ দূষণ, ধূমপান, মদ্যপান, রোদে সুরক্ষা ব্যবহার না করা, অস্বাস্থ্যকর ডায়েট, এলোমেলো জীবনযাপন ইত্যাদি কারণেও অল্প বয়সেই অনেকের মুখে বলিরেখা ও বয়সের চিহ্ন পড়তে দেখা যায়। আর বয়স যত বাড়তে থাকে ততই যেন এই রেখাগুলো সৌন্দর্য ম্লান করতে থাকে।

মুখের ত্বকে ভাঁজ বা বলিরেখা থেকে পরিত্রাণ পেতে অনেকে স্কিন পিল থেকে শুরু করে আধুনিক চিকিৎসা বোটক্সসহ যেকোনো কিছুই করে থাকেন। তবে নতুন একটি গবেষণায় দেখা গেছে, বলিরেখা মুক্ত ত্বক পাওয়ার পদ্ধতি অনেক সহজতর ব্যাপার হতে পারে।

ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, ডেভিস-এর বিজ্ঞানীরা দাবি করেছেন, বয়স্ক নারীদের মুখের বলিরেখা হ্রাস করতে পারে আম।

গবেষণায় ২৮ জন পোস্ট মেনোপজ নারীকে দুটি দলে ভাগ করা হয়েছিল। একটি দল সপ্তাহে ৪ বার করে আধা কাপ আম খেয়েছেন ৪ মাস পর্যন্ত, অন্য দলটি একই সময়কালে দেড় কাপ আম খেয়েছেন। নারীদের খাদ্য তালিকায় আম যুক্ত করার আগে এবং পরে- উভয় ক্ষেত্রে মুখের ভাঁজ বিশ্লেষণ করতে গবেষকরা উচ্চ রেজ্যুলেশনের ক্যামেরা ব্যবহার করেন। 

এ প্রসঙ্গে গবেষকদলের সদস্য প্রফেসর রবার্ট হ্যাকমা বলেন, ‘বলিরেখা বিশ্লেষণের জন্য আমরা যে সিস্টেম ব্যবহার করেছিলাম তা কেবলমাত্র দৃশ্যমান বলিরেখা নয়, পাশাপাশি ভাঁজের পরিমাপ এবং পরিমাণ করা সম্ভব হয়েছে। নির্ভুল এই সিস্টেম দৃশ্যমান বলিরেখার তুলনায় আরও বেশি কিছু ক্যাপচার করার সুবিধা দিয়েছে।’

গবেষণার ফল থেকে জানা গেছে, যেসব নারী সপ্তাহে চারবার আধা কাপ আম খেয়েছিলেন, দুই মাস পর তাদের মুখের গভীর বলিরেখা ২৩ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেয়েছে। তবে যেসব নারী দেড় কাপ আপ খেয়েছিলেন তাদের মুখে বলিরেখা বেড়েছে।

গবেষণার নেতৃত্বদানকারী গবেষক ভিভিয়ান ফ্যাম বলেন, ‘একই সময়ে কালে যেসব নারী দেড় কাপ আম খেয়েছিলেন তাদের মুখে বলিরেখা বেড়েছে। এটি দেখায় যে, সামান্য আম ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো হতে পারে কিন্তু খুব বেশি পরিমাণে তা নাও হতে পারে।’

তবে এমন ঘটনার কারণটি অস্পষ্ট রয়ে গেছে। গবেষকদের ধারণা, আমের বিটা ক্যারোটিন এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টগুলো কোষের ক্ষতি ধীর করায় সহায়তা করতে পারে। এ গবেষণার ফল বলিরেখা হ্রাস করা নিয়ে আরো গবেষণাকে উৎসাহিত করবে বলে আশা করছেন গবেষক দলটি।

যাইহোক, গবেষণার ফলাফলের সুখবরে রূপ সচেতন ব্যক্তিরা আম কেনার এখনই ব্যাগ হাতে বাজারে দিকে ছুটলে নিরাশ হতে পারেন। কারণ এখন আমের মৌসুম না হওয়ায় বাজারে ‘ফলের রাজা’ সহজলভ্য নয়।

ঢাকা/ফিরোজ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়