Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ০১ ডিসেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৭ ১৪২৮ ||  ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

বাবার পথেই হাঁটছেন প্রধানমন্ত্রীর ‘খবির চাচা’র ছেলে রবি 

পঞ্চগড় প্রতিনিধি || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:২৩, ২০ অক্টোবর ২০২১  
বাবার পথেই হাঁটছেন প্রধানমন্ত্রীর ‘খবির চাচা’র ছেলে রবি 

রবিউল ইসলাম রবি

বাবা খবির উদ্দীন আহাম্মেদের দেখানো পথেই হাঁটছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার সাতমেরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি। 

জন্মলগ্ন থেকে পঞ্চগড় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত খবির উদ্দীন। তৃণমূলে ছিলেন খুবই জনপ্রিয় এবং একনিষ্ঠ। তার দীর্ঘ জীবনের সততা এবং সংগ্রামী জীবন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও জানেন। এ কারণে প্রধানমন্ত্রী তাকে ‘খবির চাচা’ সম্বোধন করেন। 

খবির উদ্দীন দীর্ঘদিন জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের ২৪ জন সৎ রাজনীতিবিদের মধ্যে অন্যতম একজন ছিলেন তিনি। তাঁর সততা ও নিষ্ঠার কারণে ২০১৬ সালের ৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ১২ লাখ টাকা অনুদান দেন। এর কয়েকদিন পরেই তিনি পঞ্চগড়ে এক সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন এবং ১৫ মে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। 

নিজ চোখে বাবার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবন, বঙ্গবন্ধু ও তার কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি সম্মান ও ভালোবাসা বুকে ধারণ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে সক্রিয় হয়ে পড়েন ছেলে রবি। 

নিজ ইউনিয়নের কোনো মানুষ বিপদে পড়লেই সবার আগে ছুটে যাওয়া মানুষটিই তিনি। প্রতিনিয়ত অসহায় মানুষের পাশে থাকায় রবি এখন সবার ভরসা হয়ে উঠেছেন। ইউনিয়নের মানুষের চাওয়া রবিকে এবার নৌকা প্রতীকে সাতমেরা ইউনিয়ন থেকে মনোনয়ন দেওয়া হোক। তার হাত দিয়েই আসুক এ ইউনিয়নের উন্নয়নের জোয়ার।

সাতমেরা ইউনিয়নের কাহার পাড়ার বাসিন্দা রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘নৌকা প্রতীকে মনোয়ন দিলে রবি বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। এলাকায় তিনি বাবার মতোই জনপ্রিয়। রবি ভাই সাধ্যমতো মানুষের সমস‌্যা সমাধানের চেষ্টা করেন।’

১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আজিরুল ইসলাম বলেন, ‘রবি তার বাবার মতোই একজন ভালো মানুষ। তার কাছে সবাই সমান। বাবার রাজনৈতিক আর্দশ নিয়ে দেশ গড়ার কাজে তিনি সব সময় নিবেদিত।’ 

সাতমেরা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রতি আমার বাবা সারাজীবন নিবেদিত ছিলেন। তিনি মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দলকে সময় দিয়েছেন। কঠিন সময়েও তিনি দলের সিদ্ধান্ত এবং ভালো লাগা থেকে এক চুলও সরেননি। এটা পঞ্চগড়বাসী জানে। পঞ্চগড় আওয়ামী লীগের সবাইও অবগত। বাবার কাছ থেকে সরাসরি রাজনীতি শিখেছি। অসহায় মানুষের জন্য কীভাবে কাজ করতে হয় সেটা বাবা শিখিয়েছেন। তার দেখানো পথেই হাঁটছি।’

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে দলের জন্য কাজ করছি। দলের মানুষের জন্য কাজ করছি। এবার এলাকার মানুষ চায় আমাকে নৌকা প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে। তবে দল আমার বাবা ও আমার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিবেচনা করে যা সিদ্ধান্ত দেবে সেটাই আমার সিদ্ধান্ত।’

নাঈম/ইকাস

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়