ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ২৮ মে ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে যেভাবে ছাত্র সংগঠনগুলো

আবু বকর ইয়ামিন : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৫-২৩ ৩:৪৬:৩৪ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৫-২৩ ৩:৫৩:১৩ পিএম

দেশে চলমান করোনা মহামারির ভেতর গত ২০-২১ মে আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় আম্ফান। এতে উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাণহানিসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়ে এসব ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে সরকারি ত্রাণ। আর এই ত্রাণ কাজে সহযোগিতা করছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের পাশাপাশি দলের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগও। এর বাইরে বাকি ছাত্র-সংগঠনগুলোর ভূমিকা কী, তা নিয়ে রাইজিংবিডির সঙ্গে কথা বলেছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা। 

করোনা মোকাবিলায় সাংগঠনিকভাবে যে কর্মসূচি চালু হয়েছিল, তা ঘূর্ণিঝড় পরবর্তী সময়েও অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকন। তিনি বলেন, ‘আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য আলাদা করে কোনো কার্যক্রম নেই আমাদের। তবে, যেসব এলাকা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সাহায্য করার জন্য কর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছি।’

আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে জানতে চাইলে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক অনিক রায় বলেন, ‘আম্ফানের পূর্বাভাসের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছিল। এরপর বিভিন্ন এলাকা থেকে উপকূলবাসীদের আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করেছেন আমাদের নেতাকর্মীরা। এখনো যশোর, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, কক্সবাজার, ভোলাসহ বিভিন্ন এলাকায় আমাদের সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে।’

একই প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ শাহরিয়ার বলেন, ‘যশোর-সাতক্ষীরার নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দেওয়া আছে, তারা যেন আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করেন। তালিকা অনুযায়ী সাহায্য দেওয়া হবে। তবে, আমরা আম্ফানের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করতে।’

ক্ষতিগ্রস্তদের সহযোগিতা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি গোলাম মোস্তফা। তিনি বলেন, ‘আমরা ঝড়ের পূর্বাভাসের পরপরই নেতা-কর্মীদের মাধ্যমে উপকূলবাসীদের সতর্ক করেছি। এখনো বিভিন্ন সাহায্য-সহযোগিতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।’

এদিকে, বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক দিলীপ রায় বলেন, ‘করোনার সময় আমাদের যেসব কার্যক্রম ছিল, সেগুলোই অব্যাহত রয়েছে। আম্ফানের পরে আমাদের কার্যক্রমে পরিধি বাড়ানো হয়েছে।’ তবে, কী কার্যক্রম চলছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।


ইয়ামিন/এনই