ঢাকা     বুধবার   ১৭ আগস্ট ২০২২ ||  ভাদ্র ২ ১৪২৯ ||  ১৮ মহরম ১৪৪৪

বিটি বেগুন বিষ নাকি আশীর্বাদ

মুকুল || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৩:২২, ২৮ নভেম্বর ২০১৪   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
বিটি বেগুন বিষ নাকি আশীর্বাদ

মনজুরুল আলম মুকুল : বেগুনের ভাজা-পোড়া, বেগুনের ভর্তা, বেগুন মাছের তরকারি কে না পছন্দ করে। শুধু স্বাদের দিক থেকেই নয়, বেগুনের রয়েছে অনেক গুণ।

ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, ভিটামিন বি ও সি, খনিজ ও অন্যান্য খাদ্য উপাদান সমৃদ্ধ এই সবজি ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের জন্য উপকারী। উচ্চমাত্রার আশঁযুক্ত এই সবজি কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে, শরীরের মেদ কমাতে,  স্মৃতিশক্তি বাড়াতে ও ত্বকের উজ্জলতা বাড়াতে সহায়তা করে।

বেগুনের গুণাগুণ সবার জানা না থাকলে ও আবহমান কাল ধরে বাঙালীর পছন্দ ও খাদ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বেগুনের নানা পদ।  বেগুনকে আবার সবজির রাজাও বলা হয়, কেননা ধনী-গরীব সকলের কাছে এটি প্রিয় সবজি। বেগুন বাঙালী সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে আছে। বেগুন নিয়ে রচিত হয়েছে অসংখ্য গানও।

বেগুন নিয়ে কৃষি বিজ্ঞানীদের গবেষণার কমতি ছিলনা কোন সময়েই। এরই ধারাবাহিকতায় চলে এসেছে জিনগত ভাবে রুপান্তরিত বিটি বেগুন। সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় দেশি-বিদেশি সংস্থার উদ্যোগে ইতিমধ্যে দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে বিটি বেগুনের চাষ।

অন্যদিকে, পরিবেশবাদী সংগঠনসহ বিশেষজ্ঞ মহল বিটি বেগুন চাষ বন্ধের জন্য সোচ্চার হয়ে উঠেছেন। গঠন করেছেন বিটি বেগুন বিরোধী মোর্চা। এমতাবস্থায় আসলে বিজ্ঞানসিদ্ধ সঠিক তথ্যটা কি, এ নিয়ে বিপাকে পড়েছেন বেগুন প্রিয় মানুষ ও বেগুন চাষিরা।

বিটি বেগুন কি : বেগুন ফসলের প্রধান শত্রু হল ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা (এফএসবি)। গবেষণায় দেখা গেছে, এই পোকা চাষাবাদের সময় ফসলের প্রায় ৭০ শতাংশ নষ্ট করে ফেলে। অন্যদিকে এই পোকা একেকটি ফলের প্রায় ৯৫ শতাংশই নষ্ট করে দেয়। সাধারণভাবে কৃষকরা ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধ করার জন্য ঘন ঘন কীটনাশক ব্যবহার করে থাকে। যা সবজিকে বিষাক্ত করা সহ পরিবেশেরও দারুণ ক্ষতি করে। যে কারণে ডগা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা প্রতিরোধী জাত উদ্ভাবনের গবেষণা প্রচেষ্টা র্দীঘদিনের।

 

এরই ধারাবাহিকতায় জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে ফল ও ডগা ছিদ্রকারী পোকা মারার জন্য বেগুনের ভেতর একটি ব্যাকটেরিয়ার জিন (Cry1 AC) ঢুকিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিটি বেগুন। ব্যাকটেরিয়ার বি এবং টি নিয়ে জিনটির নাম দেওয়া হয়েছে বিটি জিন। বিটি জিন ঢুকানো হয়েছে বলে এর নাম বিটি বেগুন।

বাংলাদেশে বিটি বেগুন : বেগুনের উৎপত্তিস্থল এশিয়া মহাদেশে। এটি মূলত ভারত উপমহাদেশের প্রাচীন ও স্থানীয় উদ্ভিদ হিসেবে চিহ্নিত। সুবিধাজনক জলবায়ুর কারণে প্রায় সব ঋতুতেই প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের সব অঞ্চলে চাষ হয়ে আসছে। অঞ্চল হিসেবে বাংলাদেশেই সবচেয়ে বেশি বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন ধরনের বেগুনের চাষ হয়। কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইট অনুসারে বাংলাদেশের প্রায় ১৫ শতাংশ সবজি চাষের জমিতে বেগুনের আবাদ হয়। বেগুন চাষে গতি আনার জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউটের বিজ্ঞানীরাই উদ্ভাবন করেছেন বিটি বেগুন।

বিটি জিন ও বিটি জিন প্রযুক্তি এর মেধাসত্ব ও মালিকানা মার্কিন বহুজাতিক কোস্পানি মনস্যান্টোর। ভারতীয় করপোরেট কোম্পানি মাহিকো এই প্রযুক্তি ব্যবহারের অনুমোদন লাভ করে। মার্কিন দাতা সংস্থা ইউএসএইডের সহায়তায় বাংলাদেশ ভারত ও ফিলিপাইনে বিটি বেগুন চাষ চালু করার জন্য এক প্রকল্প গ্রহণ করা হয় ২০০৫ সালে। সে বছর অর্থাৎ ২০০৫ সালে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এক ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষর করে গবেষণা কার্যক্রম শুরু করে। প্রায় সাত বছর গবেষণাকালীন সময়ে বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা জনপ্রিয় নয়টি জাতে ‘বিটি জিন’ সংযোজন করেছে। ২০১৩ সালের ৩০ অক্টোবার বাংলাদেশ সরকারের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় জিনগত ভাবে রূপান্তরিত বিটি বেগুন চাষের অনুমোদন দেয়।

এর আগে বেসরকারী সংস্থা- নয়া কৃষি আন্দোলনের পক্ষ থেকে বিটি বেগুন নিষিদ্ধ করার জন্য হাই কোর্টে আবেদন করা হলে প্রথমে আদালত কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হলেও পরে খারিজ হয়ে যায়। ২০১৪ সালের ২২ জানুয়ারি কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী বিটি বেগুনের চারটি জাত গাজীপুর, পাবনা, রংপুর ও জামালপুর অঞ্চলের ২০ জন কৃষকের হাতে তুলে দেন।

বিটি বেগুনের স্বপক্ষের বক্তব্য : পরিবেশবাদীদের ব্যাপক বিরোধিতার কারণে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট  পক্ষ থেকে বিটি বেগুনের গুণাগুণ নিয়ে ব্যাপক প্রচার চালানো হচ্ছে। বারির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, বিটি বেগুন কৃষি বিজ্ঞানের অন্যত্তম সংযোজন। যুগে যুগে নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হবে এবং তা মানব কল্যাণে ব্যবহৃত হবে এটাই স্বাভাবিক। এই প্রযুক্তি বাংলাদেশের মত জনবহুল ও ক্রম হ্রসমান আবাদি জমির দেশে খাদ্য ঘাটতি মোকাবেলায় এবং নিরাপত্তা  নিশ্চিতকরণের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বারির মতে প্রচলিত বেগুন চাষে ব্যাপকহারে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়, যা সকল মাটি পানি ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতি করে। কিন্তু বিটি বেগুন চাষে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়না যা পরিবেশের ক্ষতি কমানোর সাথে সাথে কৃষকের উৎপাদন খরচও কমাতে সাহায্য করে।

 

 

তিনি আরো দাবি করেন, বিটি বেগুনের খাদ্যমান ও রাসায়নিত উপাদান গুলো দেশি-বিদেশি উন্নত গবেষণাগারে পরীক্ষা করা হয়েছে এবং এতে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর কোন উপাদান পাওয়া যায়নি। পুষ্টিমান বিবেচনায় এটি প্রচলিত বেগুনের অনুরূপ।

 

রফিকুল ইসলাম মন্ডল দাবি করেন, পৃথিবীর বিভিন্ন উন্নত দেশের এক্রিডিয়েটেড ল্যাবরেটরিতে মাছ, মুরগী, ছাগল, খরগোশ, ইঁদুর মহিষসহ বিভিন্ন প্রাণির ওপর পরীক্ষা দেখা গেছে বিটি বেগুনের কোন ক্ষতিকারক প্রভাব তাদের উপর লক্ষ্য করা যায়নি। তা ছাড়া বেগুন একটি পরাগায়িত উদ্ভিদ বিধায় স্থানীয় বেগুন দ্বারা পরাগায়িত হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

বারির মহাপরিচালক আরো দাবি করেন, বিটি বেগুনের জাতসমূহ হাইব্রিড না হওয়ায় কৃষকরা নিজেরা বিটি বেগুনের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ করতে সক্ষম হবে। বীজ কেনার জন্য প্রতি বছর কোন একক বীজ কোম্পানির দ্বারস্থ হতে হবে না এবং বিটি বেগুন চাষের জন্য কোন কোম্পানিকে রয়েলটি প্রদান করতে হবে না।

বারির মহাপরিচালক দাবি করেন, বিটি বেগুনের চারা কৃষকদের বিতরণ করা হয়েছে এবং কৃষকরা সফলভাবে চাষাবাদ করে উৎপাদিত ফসল বাজারজাত করছে। এতে করে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন। তবে ২/১ জন কৃষক চাষাবাদ এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সঠিকভাবে অনুসরণ না করায় বিটি বেগুন চাষ সফল হতে পারেননি।

বিটি বেগুনের বিপক্ষের বক্তব্য : এদিকে পরিবেশবাদী অনেক সংগঠন সহ কিছু বিশেষজ্ঞ বিটি বেগুনের চাষ বন্ধের জন্য জোরালো ভাবে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাদের বক্তব্য হচ্ছে, বাংলাদেশসহ পৃথিবীর তিনটি দেশে বিটি বেগুনের চাষ শুরু হয়েছিল। অনেক বিরোধিতা ও ক্ষতিকারক বিষয়সমুহ বিবেচনা করে ২০১০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ভারত  সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে বিটি বেগুন নিষিদ্ধ করেছে। পরে নিষিদ্ধ হয়েছে ফিলিপাইনে।

 

সমপ্রতি এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ রিজাওয়ানা হাসান বলেন, ‘বহুজাতিক কোম্পানি ও প্রতিষ্ঠানগুলো ভারত ও ফিলিপাইনে ব্যর্থ হয়ে বিষাক্ত বিটি বেগুন বাংলাদেশে  ঢুকানোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’

বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন- বাপার যুগ্ম সম্পাদক মহিদুল হক বলেন, ‘আমাদের এই বিটি বেগুনের প্রয়োজন নেই। বিদেশিদের স্বার্থ রক্ষার জন্য সরকার জনস্বার্থকে উপেক্ষা করা হচ্ছে।’

নয়া কৃষি আন্দোলনের নির্বাহী পরিচালক ফরিদা আখতারের মতে, বহুজাতিক কোম্পানিগুলো বিটি বেগুনের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করে এদেশের কৃষির উপর নিয়ন্ত্রণ নিতে চাইছে।

পরিবেশ ও জীব বৈচিত্র বিষয়ক গবেষক পাভেল পার্থর মতে, সরকার ও বিদেশি কোম্পানিগুলো বিটি বেগুন নিয়ে দেশে মিথ্যা প্রচারণা চালাচ্ছে, আসলে বিটি বেগুন স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।

বাংলাদেশ ফল ও সবজি রপ্তানিকারক সংগঠনের উপদেষ্টা মনজুরুল ইসলাম বলেন, ‘দেশে বেগুনের চাহিদাপূরণ করে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। অনেক পশ্চিমা দেশে জিএম (জেনেটিক্যালি মডিফায়েড) ফুড নিষিদ্ধ। কোনভাবে রপ্তানি পণ্যে জিএম ধরা পড়লে পশ্চিমা দেশে আমাদের সব কৃষি পণ্য নেওয়া বন্ধ করে দিতে পারে। তা ছাড়া যথাযথ গবেষণা ছাড়া তাড়াহুড়ো করে উৎপাদনের অনুমোদন দেওয়া ঠিক হয়নি।’

রসায়নবিদ জাহেদুর রহমান বলেন, ‘বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে বিটি বেগুন জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর এবং বিটি বেগুন খেলে মানবদেহ বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হতে পারে।’

চাষিদের মিশ্র প্রতিক্রিয়া : ২০১৪ সালের ২২ শে জানুয়ারি গাজীপুর পাবনা রংপুর ও জামালপুর জেলার ২০ জন কৃষকের মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে বিটি বেগুনের চারা বিতরণ করা হয়। বিটি বেগুন চাষের সফলতা নিয়েও রয়েছে বির্তক। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সস্টিটিউট দাবি করছে ‘বিতরণকৃত চারা কৃৃষকরা সফলভাবে চাষাবাদ করে উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করেন এবং তাতে করে কৃৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হন। কৃষকদের সফলতা প্রচার করার জন্য কয়েকজন কৃষকের উপস্থিতিতে একটি সংবাদ সম্মেলনও করেছে।

অন্যদিকে অনেক চাষি বিটি বেগুন চাষ করে ক্ষতিগ্রস্ত এমন খবরও গণমাধ্যমে এসেছে। তাছাড়া ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার কথা উল্লেখ করে অনেকচাষি ক্ষতিপূরণ দাবি করে আসছে।

সম্প্রতি ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে বিটি বেগুন বিরোধিরা এক সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন ২০ জন বিটি বেগুন চাষকারী কৃষকের মধ্যে মাত্র একজন সফল হয়েছে, এই বেগুন চাষ করে ১৩ জন সম্পূর্ণভাবে এবং বাকী ৬ জন আংশিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এ বিষয়ে বারির বক্তব্য, ২/১ জন কৃষক চাষাবাদ এর প্রয়োজনীয় নির্দেশনা সঠিক ভাবে অনুসরণ না করায় বিটি বেগুন চাষে সফল হতে পারেনি।

সাধারণ মানুষের বক্তব্য : বাইজিংবিডির সাথে আলাপকালো মগবাজার এলাকার একজন স্কুল শিক্ষিকা ওয়াহিদা মুনতাসির বলেন, ‘বেগুন আমাদের দেশের একটি জনপ্রিয় সবজি এবং আমারও খুব প্রিয়। তবে বিটি বেগুন নিয়ে গণমাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে যে বির্তক দেখি এতে দেশের অন্যান্য মানুষের মত আমিও উদ্বিগ্ন। বাজার থেকে বেগুন কেনার সময় অনেক দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকি। আসলে এ ব্যাপারে একটি আশু সমাধান প্রয়োজন।’

ব্যাংক কর্মকতা এস এম হাসানুজ্জামান প্রায় একই ধরনের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘যদিও গুটি বেগুন আমাদের দেশে ব্যাপকহারে চাষাবাদ ও বাজার জাতকরণ শুরু হয়নি তারপরও বাজার থেকে বেগুন কেনার বিষয়ে সিদ্বান্তহীনতায় থাকি।’

বিশেষজ্ঞরা এইভাবে মতামত দেন, এটা সত্য যে স্বাস্থ্য ও পরিবেশের ক্ষতির কথা বিবেচনা করে পৃথিবীর অনেক দেশে জিএম পণ্য নিষিদ্ধ, এটাও সত্য যে মানুষ ও প্রকৃতির ক্ষতি হতে পারে এই বিবেচনায় ভারত ও ফিলিপাইনে আপাতত বিটি বেগুনের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। আসলে বিটি বেগুন স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কিনা এ বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন। তিনি জানান, সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় স্বাধীন গবেষক, বিজ্ঞানী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও উভয় পক্ষের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে বিটি বেগুন নিয়ে আরো গবেষণা ও পর্যলোচনার পর একটি প্রতিবেদন তৈরি করে জন সমক্ষে প্রকাশ প্রয়োজন ।

 

 

রাইজিংবিডি/ঢাকা/২৮ নভেম্বর ২০১৪/মুকুল/টিপু

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়