Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৬ মে ২০২১ ||  বৈশাখ ২৩ ১৪২৮ ||  ২৩ রমজান ১৪৪২

গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ‌্যসুরক্ষা

আবু বকর ইয়ামিন || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৮:০৪, ১৯ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৮:০৭, ২০ এপ্রিল ২০২১
গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষায় গুরুত্ব পাবে শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ‌্যসুরক্ষা

ফাইল ফটো

করোনা পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ দিন ধরে বন্ধ আছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। পরীক্ষা নিতে না পারায় ২০২০ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের অটোপাস দিতে হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়ায় এখনো হয়নি ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা। পরীক্ষা কবে হবে, তারও নিশ্চয়তা নেই। এ অবস্থায় কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন চলছে, কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন শেষ হয়েছে। সর্বশেষ গুচ্ছ পদ্ধতির আওতাভুক্ত ২০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের সময় শেষ হলেও আরেক দফা সময় বাড়ানো হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার সময় শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ‌্যসুরক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে।

গত ১ এপ্রিল দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন শুরু হয়েছে। ১৫ এপ্রিল আবেদনের সময় শেষ হয়। এ সময়ে প্রায় ৩ লাখ ২৪ হাজার আবেদন জমা পড়েছে। তার মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৮৬ হাজার ৫৩৮টি, ‘বি’ ইউনিটে ৯১ হাজার ৫৩৫টি এবং ‘সি’ ইউনিটে ৪৬ হাজার ৭৩১টি আবেদন এসেছে।  তবে লকডাউনের মেয়াদ বাড়ায় শিক্ষার্থীদের আবেদনের সময় বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছ কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষাবিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর বলেন, ‘গুচ্ছ ভর্তির আবেদন ১৫ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা থাকলেও সময় বাড়ানো হয়েছে। করোনার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদনের পরিমাণ কমেছে।’

এছাড়া, পরিস্থিতি বিবেচনায় বিভাগভিত্তিক পয়েন্টও কমানো হয়েছে। ড. মুনাজ আহমেদ বলেন, ‘গুচ্ছ ভর্তিতে মানবিক ও বাণিজ্য বিভাগে এসএসসি ও এইচএসসি মিলে মোট ৭ পয়েন্ট চাওয়া হয়েছিল। পরে তা কমিয়ে ৬ পয়েন্ট করা হয়েছে। ৬ পয়েন্টধারীরা কবে থেকে আবেদন করতে পারবেন, সেটা দ্রুত সময়ের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে। এছাড়া, ভর্তি পরীক্ষার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসুরক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে।’

এদিকে, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদন প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ২১ মে শুরু হবে বলে নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে করোনার প্রকোপ বাড়ায় সেটি পেছাতে পারে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। 

ঢাবি’র বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মুহাম্মাদ আব্দুল মঈন বলেছেন, ‘পরীক্ষার জন‌্য এখনও এক মাস বাকি আছে। বিষয়টি নিয়ে এখনও ডিনস কমিটিতে আলোচনা হয়নি। তবে শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। পরিস্থিতি যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে পরীক্ষা পেছাতে পারে। তবে আমরা পরীক্ষার সব প্রস্তুতি নিয়ে রাখছি।’

ইঞ্জিনিয়ারিং অ‌্যান্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, ‘করোনা পরিস্থিতি যদি এমনই থাকে, তাহলে একাডেমিক কাউন্সিল বিষয়টি নিয়ে ভাববে। আমরা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। কোনো অবস্থাতেই শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির মধ্যে ফেলা হবে না।’

ইয়ামিন/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়