Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     বুধবার   ১৬ জুন ২০২১ ||  আষাঢ় ২ ১৪২৮ ||  ০৩ জিলক্বদ ১৪৪২

করোনাকালে বিশ্ববিদ‌্যালয়ের অর্ধশত শিক্ষার্থীর অপমৃত্যু

আবু বকর ইয়ামিন || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:০১, ৬ জুন ২০২১   আপডেট: ১২:৪২, ৭ জুন ২০২১
করোনাকালে বিশ্ববিদ‌্যালয়ের অর্ধশত শিক্ষার্থীর অপমৃত্যু

করোনা পরিস্থিতিতে এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ আছে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর মধ‌্যে গত বছরের মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধশত শিক্ষার্থীর অপমৃত‌্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে ১৬ জনই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। সর্বশেষ রোববার (৬ জুন) সকালে রাজধানীর আজিমপুর সরকারি স্টাফ কোয়ার্টারে বাথরুমের দরজা ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইসরাত জাহান তুষ্টির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

তুষ্টির মরদেহ হাসপাতালে নিয়েছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র সাফায়েত আহমেদ। তিনি জানান, তুষ্টি আগে থেকেই অ্যাজমা (হাঁপানি) ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। শনিবার বিকেলে দোকানে যাওয়ার সময় তিনি বৃষ্টিতে ভিজেছিলেন। শরীর খারাপ লাগায় শনিবার তিনি বাসা থেকে বের হয়নি। ভোরের দিকে রুমমেটরা বাথরুমের ভেতর থেকে শব্দ পান। কিন্তু বাথরুমটি ভেতর থেকে বন্ধ ছিল।

এর আগে গত ১৫ মে মারা যান একই বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য বিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান। আট দিন পর ২৩ মে ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজের মর্গে হাফিজুরের লাশ শনাক্ত করেন তার ভাই।

আরও পড়ুন: হাফিজুরের পর ইশরাত, কেন এত শিক্ষার্থীর অপমৃত্যু

হাফিজুরের মৃত্যু:
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মে হাফিজুর রহমানকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল এলাকায় তার তিন বন্ধু এলএসডি সেবন করান। প্রতিক্রিয়া শুরু হলে তিনি সেখান থেকে চলে যান। ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালের সামনে এক ডাব বিক্রেতার ভ্যানে রাখা দা নিয়ে নিজের গলায় আঘাত করেন হাফিজুর। ঢাকা মেডিক‌্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টা ৪০ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

অপমৃত‌্যু হয়েছে ঢাবির আরও ১৪ শিক্ষার্থীর:
সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, করোনাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ‌্যালয়ের ১৬ শিক্ষার্থীর অপমৃত্যু ঘটেছে।

গত বছরের ২৭ ডিসেম্বর সকালে ঢাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র তৌহিদুল ইসলাম সিয়াম আত্মহত্যা করেন। এর আগে ২৫ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর আজিমপুর স্টাফ কোয়ার্টারে নিজ কক্ষে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন রুমানা ইয়াসমিন। ঢাবির পুষ্টিবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক ছাত্রী রুমানা ৩৭তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে উত্তীর্ণ হয়ে আনসার বাহিনীর সহকারী পরিচালক হিসেবে প্রশিক্ষণরত ছিলেন। তার বাড়ি বগুড়ায়।

আরও পড়ুন: মেয়েকে বিসিএস অফিসার দেখতে চেয়েছিলেন তুষ্টির বাবা

১২ নভেম্বর আত্মহত্যা করেছেন অনিন্দ‌্য ইশরাক নামে ঢাবির আরেক শিক্ষার্থী। তিনি আইবিএ’র ২২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

২৪ সেপ্টেম্বর রাতে পারিবারিক কলহের জেরে ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক ছাত্র জাকারিয়া বিন হক শুভ আত্মহত্যা করেন। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের তাজমহল রোডের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ।

২১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ফার্মগেটের একটি আবাসিক হোটেল থেকে কামরুল বাহার নামে ঢাবির ইলেকট্রিক্যাল অ‌্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৩-১৪ সেশনের শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তিনি অমর একুশে হলের আবাসিক ছাত্র। তার বাড়ি ফেনীতে।

আরও পড়ুন: তুষ্টির মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না সহপাঠীরা

১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর কাঁঠালবাগানের একটি বাসার ৯ তলার বারান্দা থেকে পড়ে আসিফ ইমতিয়াজ খান জিসাদ নামে ঢাবির সাবেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। তবে, ঢাবির ওই শিক্ষার্থীর পরিবারের সদস‌্য ও বন্ধুদের দাবি, তাকে বারান্দা থেকে ফেলে দিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আসিফ ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০০৫-২০০৬ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন।

১৭ আগস্ট নিজ বাড়িতে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে ঢাবির শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ইমাম হোসাইন নামের এক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। এর আগে ফেসবুকে ‘আল-বিদা’ লিখে স্ট্যাটাস দেন ওই শিক্ষার্থী।

পছন্দের ছেলেকে বাদ দিয়ে অন্যের সঙ্গে জোর করে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়ায় গত ২৬ অক্টোবর আত্মহত্যা করেন ঢাবির ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী ফারিহা তাবাসসুম রুম্পা। রুম্পার গ্রামের বাড়ি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী থানাধীন দীঘায়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হলের আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।

বিষণ্নতা ও মানসিক চাপের কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ঢাবির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী শুভজ্যোতি মণ্ডল (২২)। ১৪ অক্টোবর বিকেলে সংবাদ পেয়ে রাজধানীর মোহাম্মদীয়া হাউজিং সোসাইটির ৪ নম্বর রোডের ১৪১ নম্বর বাড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। শুভজ্যোতি ঢাবির চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক ডিজাইন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের শিক্ষার্থী।

২২ জুন শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সুমাইয়া খাতুনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সুমাইয়া নাটোর সদরের হরিশপুর বাগানবাড়ি এলাকার মোস্তাক হোসাইনের স্ত্রী। ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের এ শিক্ষার্থী মাস্টার্স পরীক্ষা শেষে রেজাল্টের জন‌্য অপেক্ষা করছিলেন।

গত বছরের ৮ এপ্রিল তরুণ সেন নামের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গ্র্যাজুয়েট আত্মহত্যা করেন। তিনি দর্শন বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। সরকারি চাকরির বয়স শেষ হওয়ার পরও চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে আত্মহত্যা করেন তরুণ সেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি ছাত্রীনিবাস থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়। ওই ছাত্রীর নাম মোবাসসিরা তাহসিন ইরা। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর দেবজ্যোতি বসাক পার্থ নামে রাবির এক শিক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। পার্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
গত ৫ মার্চ রাত ৩টার দিকে নিজ বাড়িতে আত্মহত্যা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী নাইমুল হাসান। তিনি চবির রসায়ন বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের ছাত্র ছিলেন। গত বছরের ২০ জুলাই চট্টগ্রাম মহানগরীর দেওয়ানবাজার এলাকায় নিজ বাসায় গলায় ওড়না পেঁচিয়ে নীলম ধর অর্পা (২৩) নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেন। অর্পা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ছাত্রী ছিলেন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ড্রইং অ্যান্ড পেইন্টিং ডিসিপ্লিনের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আফসানা আফরিন সুমি (১৯)। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিজ বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে তিনি আত্মহত্যা করেন। ৩ সেপ্টেম্বর চিরকুট লিখে আত্মহত্যা করেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থী আব্দুর রহিম।

জাবি ছাত্রীর আত্মহত্যা:
গত বছরের ৩ নভেম্বর রাত ১২টার দিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ফাতেমা এলিন ফুজি আত্মহত্যা করেন।

শাবিপ্রবির ৪ শিক্ষার্থীর মৃত্যু:
গত ৬ মে মধ্যরাতে নিজ বাসার পাশে আমগাছের ডালের সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আলমগীর কবির। পরে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আলমগীর কবির বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের ২০১২-১৩ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বাড়ি সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায়।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি রাতে তৌহিদুল আলম প্রত্যয় নামে শাবিপ্রবির আরেক শিক্ষার্থী আত্মহত্যা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বগুড়ার নিজ গ্রামের বাসায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন আছিয়া আক্তার নামে শাবিপ্রবির বাংলা বিভাগের এক ছাত্রী। ৬ আগস্ট গলায় ফাঁস দিয়ে তোরাবি বিনতে হক নামে শাবিপ্রবির অপর এক ছাত্রী আত্মহত্যা করেন। তিনি ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

মেডিক্যালের এক শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
গত ২২ মার্চ রাজশাহীতে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে লুৎফর রহমান (২৭) নামের একজন আত্মহত্যা করেন। লুৎফর রহমান রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজের এমবিবিএস ৫৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

বশেমুরবিপ্রবির ২ ছাত্রীর আত্মহত্যা:
১০ জুলাই গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) ছাত্রী সাদিয়া কুতুব আত্মহত্যা করেন। তিনি সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। ১১ অক্টোবর মনীষা হিরা নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের আরেক ছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। হিরা ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ ছাত্রীর আত্মহত্যা:
গত ২ জানুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে অভিমান করে আত্মহত্যা করেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ফাবিহা সুহা। সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিজ বাড়িতে গলায় ফাঁস দেন তিনি। সুহা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগে পড়তেন। ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার শেখপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে ২ অক্টোবর আত্মহত্যা করেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী উলফাত আরা তিন্নি।

শেকৃবি ছাত্রীর আত্মহত্যা:
গত বছরের ৯ নভেম্বর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী (শেকৃবি) জুলহাস সিলভিয়া আত্মহত্যা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী এবং কৃষকরত্ন শেখ হাসিনা হলের আবাসিক ছাত্রী ছিলেন।

হাজী দানেশ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর আত্নহত্যা:
গত ১৯ সেপ্টেম্বর হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ১৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী সুমন রায় সিধু আত্মহত্যা করেন।

নর্থ সাউথের ছাত্রীর মৃত্যু:
১৩ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরার ৪ নম্বর সেক্টরের একটি বাসায় খন্দকার ফাকিহা নুর (২২) নামে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

ড্যাফোডিলের ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
আসাদুজ্জামান জলিল (২৪) নামে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এক শিক্ষার্থী গত ২৪ এপ্রিল প্রেমিকার বাড়িতে এসে বিষ পান করে আত্মহত্যা করেন। গত বছরের ১০ জুন বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ‌্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের স্নাতকের শিক্ষার্থী রবীন্দ্র চন্দ্র বর্মণ (২২) ও তার মা সরস্বতী বর্মণ (৪৭) বিষপানে আত্মহত্যা করেন।

বিইউবিটির ২ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা:
গত ১৯ মে বিকেলে রাজধানীর মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের একটি বাসা থেকে বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি (বিইউবিটি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তার নাম মাহমুদুল হক ওরফে রকি (২৫)।  তিনি ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন। গত বছরের ১ ডিসেম্বর জান্নাতুল হাসিন নামে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী নির্মাণাধীন ৯ তলা ভবনের ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেন। তিনি স্নাতক শেষ করে একটি ব্যাংকে ইন্টার্নশিপ করছিলেন।

ইয়ামিন/রফিক

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়