ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০৬ অক্টোবর ২০২২ ||  আশ্বিন ২১ ১৪২৯ ||  ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪১৪

কাঠামোর অভাবে কর দিচ্ছে ভোক্তা, লাভ নিচ্ছে কোম্পানি

হাসান মাহামুদ || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৪০, ৩০ জুলাই ২০২২   আপডেট: ১৫:৩৮, ৩০ জুলাই ২০২২
কাঠামোর অভাবে কর দিচ্ছে ভোক্তা, লাভ নিচ্ছে কোম্পানি

তামাক থেকে প্রতি বছর গড়ে সরকার যে পরিমাণ রাজস্ব আয় করে, তার চেয়ে বেশি কর আদায় করা সম্ভব। কিন্তু দেশে এ থেকে রাজস্ব আহরণে কোনো সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকায় সরকার বঞ্চিত হচ্ছে। তামাক কোম্পানিগুলো সরকারকে দুই ধরনের কর তিনভাবে দিয়ে থাকে। এর মধ্য দিয়ে দেশের বর্তমান তামাক কর কাঠামোর সুযোগ নিয়ে ভোক্তার পকেট থেকেই কর বের করে আনছে তামাক কোম্পানিগুলো। এভাবে বিশাল লাভের ব্যবসা ফেঁদেছে তারা। কর পরিশোধকে মুখ্য করেই তারা ব্যবসায় এক ধরণের অলিখিত প্রশ্রয় পাচ্ছে।

বর্তমান জটিল করকাঠামো তামাকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করতে যথেষ্ট নয়। এতে তামাক কোম্পানির মুনাফাই বাড়ছে শুধু। সিগারেটে বহু স্তরবিশিষ্ট করকাঠামো চালু থাকায় বাজারে সিগারেট অত্যন্ত সস্তা ও সহজলভ্য। ফলে ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে ভোক্তা তুলনামূলকভাবে কম দামি সিগারেট বেছে নিতে পারছেন। এছাড়া বাংলাদেশে সব তামাকপণ্যের উপর মূল্যের শতাংশ হারে সম্পূরক কর ধার্য করা হয়। তামাকপণ্যের ধরন অনুযায়ী ভিত্তিমূল্য এবং কর হারে ব্যপক পার্থক্য রয়েছে। একাধিক মূল্যস্তর এবং বিভিন্ন দামে তামাকপণ্য ক্রয়ের সুযোগ থাকায় তামাকের ব্যবহার কর ও মূল্যবৃদ্ধির পদক্ষেপ সঠিকভাবে কাজ করে না।

বাংলাদেশ পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি তামাক ব্যবহারকারী দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম। ৩৫.৩ শতাংশ বা ৩ কোটি ৭৮ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (১৫ বছর ও তদুর্ধ্ব) তামাক ব্যবহার করে। ১০৯টি দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ ধূমপায়ীর দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম। কর্মক্ষেত্রসহ পাবলিক প্লেস ও পরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ।

জানা গেছে, তামাকের করনীতি পরিবর্তনে এবারো কর আহরণের সুবিধার জন্য বিদ্যমান শতাংশভিত্তিক সম্পূরক শুল্কের পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট সম্পূরক শুল্ক আরোপের বাজেট-প্রস্তাবনা ছিল।

তামাক থেকে প্রতি বছর গড়ে সরকার মোটা অংকের রাজস্ব আয় করে। কিন্তু তামাকপণ্য ব্যবহারের কারণে মৃত্যূ, চিকিৎসা ব্যয় ও অন্যান্য প্রভাব মিলে এর থেকে বেশি ক্ষতি হয় দেশের।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং সংসদ সদস্য অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবে মিল্লাত এ বিষয়ে জানান, এ দেশে তামাকের কর ও রাজস্ব ইস্যুতে প্রচলিত কিছু ভুল জনশ্রুতি রয়েছে। তামাক হতে প্রতিবছর গড়ে সরকার রাজস্ব আয় করে ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। তামাকপণ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো বারবার এই বিষয়টিকে মুখ্য করে এক ধরণের অলিখিত “প্রশ্রয়” চেয়ে থাকে। কিন্তু খেয়াল করতে হবে, তামাকপণ্য ব্যবহারের কারণে চিকিৎসাব্যয় ও উৎপাদনশীলতা হারানো বাবদ সরকারের ক্ষতি হয় ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। যা রাজস্ব আয়ের চেয়ে অনেক বেশি। 

তামাক কোম্পানিগুলো সরকারকে দুই ধরনের কর (প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ) তিনভাবে দিয়ে থাকে। কোম্পানির নিজস্ব আয় থেকে (প্রত্যক্ষ কর), আমদানি/রপ্তানি পর্যায়ে কাস্টম ডিউটি (পরোক্ষ) এবং ভোক্তার কাছ থেকে তাকামপণ্য ব্যবহারের উপর (পরোক্ষ)। ভ্যাট ও সম্পূরক শুল্ক (পরোক্ষ কর) ভোক্তা পরিশোধ করেন। কোম্পানি কেবল সংগ্রহকারীর দায়িত্ব পালন করে। কাস্টম ডিউটি যেহেতু একধরনের পরোক্ষ কর, তাই এই করের বোঝাও পড়ে ভোক্তার উপরেই। তাই তামাক কোম্পানিগুলো বেশি কর দেয়- এই ভাবনাটা একেবারেই অমূলক। যেহেতু বাংলাদেশের বর্তমান তামাক কর কাঠামো অনেকটাই জটিল, আর তামাক সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো সেই সুযোগটিই নিয়ে থাকে।  

জানা গেছে, ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ (বিএটিবি) দেশের বৃহৎ করদাতা ইউনিটের (এলটিইউ) আওতায় নিবন্ধিত। ২০২১–২২ অর্থবছরে বিএটিবি ২৪ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা ভ্যাট দিয়েছে। তারা এবারো সর্বোচ্চ ভ্যাটদাতা। আগের অর্থবছরে বিএটিবি ভ্যাট দিয়েছিল এর থেকে একটু বেশি ২৪ হাজার ৯১১ কোটি টাকা। আর ২০১৯ সালে তারা কর বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছিল ২২ হাজার ৬৩০ কোটি টাকা, যার মধ্যে প্রত্যক্ষ কর; অর্থাৎ যেটা বিএটিবি’র পকেট থেকে এসেছে তার পরিমাণ মাত্র ১০৮২ টাকা। অর্থাৎ, কোম্পানি নয় ভোক্তাই তামাকের কর দিয়ে থাকে।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আটটি দেশে সুনির্দিষ্ট পদ্ধতিতে কর আহরণ করা হয়। সারা বিশ্বের ৬৫টি দেশে তামাক খাতে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালু রয়েছে। এর ফলে ওইসব দেশে এক দিকে যেমন তামাক পণ্যের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে, অন্য দিকে বেড়েছে সরকারের রাজস্ব আহরণ। কিন্তু বাংলাদেশ তামাক খাতে সুনির্দিষ্ট কর ব্যবস্থা চালু করেনি। এতে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বাড়ছে তেমনি কম উপার্জন হচ্ছে রাজস্ব। বাংলাদেশে প্রতি বছর এক লাখ ৬১ হাজার মানুষ তামাকজনিত রোগে মারা যান। বর্তমানে বাংলাদেশে চার কোটির বেশি প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ তামাক ব্যবহার করেন। আর তামাকের কারণে পরোক্ষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন আরও প্রায় চার কোটি মানুষ। অর্থাৎ তামাকপণ্য থেকে রাজস্ব আয়ের থেকে এসব ক্ষতির পরিমাণ অনেক বেশি।

স্বাস্থ্যঝুঁকি মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৬ সালে সমন্বিত একটি তামাক করনীতি প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু ছয় বছরেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্বাভাবিক নিয়মে দেখা যায়- কর হার বেশি হলে তামাকজাত পণ্যের দামও বেশি হয়। কিন্তু বাংলাদেশে তার উল্টো। এখানে কর বেশি, কিন্তু সিগারেটের দাম কম। এই কর কাঠামোর কারণে অনেক দেশের তুলনায় বাংলাদেশে বিড়ি-সিগারেটসহ তামাকপণ্য সস্তা।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০১৮ সালের তথ্যমতে, বিশ্বের ১৫৭টি দেশের মধ্যে সবচেয়ে কম মূল্যের সিগারেট প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ১০২তম। প্রতি অর্থবছরে সিগারেটের উপর করারোপ করা হলে তাতে মূলত দামের পরিবর্তন আসে ব্র্যান্ডের সিগারেটের উপর। কমদামি সিগারেটের মূল্যে খুব একটা হেরফের হয় না। এ জন্য সিগারেটের ৪ মূল্যস্তর ব্যবস্থা বাতিল করে ২ স্তরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

প্রজ্ঞার তামাক নিয়ন্ত্রণবিষয়ক প্রকল্প প্রধান হাসান শাহরিয়ার জানান, বর্তমানে বিশ্বের ৬৫টি দেশে তামাক খাতে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি চালু রয়েছে। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আটটি দেশে এ পদ্ধতিতে কর আহরণ করা হয়। এর ফলে ওইসব দেশে একদিকে যেমন তামাকপণ্যের ব্যবহার উল্লে­খযোগ্য হারে কমেছে, অন্যদিকে বেড়েছে সরকারের রাজস্ব আহরণ। কাজেই বাংলাদেশ তামাক খাতে ‘সুনির্দিষ্ট কর’ ব্যবস্থা চালু করে অধিক রাজস্ব আহরণের সুযোগ রয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. রুমানা হক বলেন, মানুষের মাথাপিছু আয় বাড়ার পাশাপাশি মূল্যস্ফীতি এবং নিত্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য দ্রব্যের মূল্যও বেড়েছে। সেই বিবেচনায় মূল্য না বাড়ানোর ফলে এসব তামাকজাত দ্রব্য আগের বছরের তুলনায় আরো সহজলভ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের ত্রুটিপূর্ণ কর ব্যবস্থার কারণে কোম্পানিগুলো লাভবান হচ্ছে। গত ১০ বছরে এসব প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন বেড়েছে দ্বিগুণ, কিন্তু একই সময়ে তাদের মুনাফা বেড়েছে পাঁচ গুণ। প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার পূরণ ও নির্দেশ বাস্তবায়নে সমন্বিত একটি তামাক করনীতি প্রণয়ন জরুরী।

২০১৮ সালে তামাকজনিত রোগে প্রায় ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মৃত্যুবরণ করে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে তামাক ব্যবহারের অর্থনৈতিক ক্ষতির (চিকিৎসা ব্যয় এবং উৎপাদনশীলতা হারানো) পরিমাণ ৩০ হাজার ৫৬০ কোটি টাকা। যা ওই বছরের জিডিপির ১.৪ শতাংশ। অথচ একইসময়ে তামাকখাত থেকে সম্পূরক শুল্ক ও মূসক বাবদ অর্জিত রাজস্ব আয়ের পরিমাণ মাত্র ২২ হাজার ৮১০ কোটি টাকা। পরিবেশ এবং কৃষকের জীবন-জীবিকার উপর তামাক চাষের বিরূপ প্রভাব ব্যাপক। তামাকজনিত রোগের চিকিৎসা বাবদ প্রত্যক্ষ ব্যয় ৮৪০০ কোটি টাকা এবং তামাক ব্যবহারের ফলে অকাল মৃত্যু ও পঙ্গুত্বের কারণে উৎপাদনশীলতা হারানোর ক্ষতি ২২ হাজার ১৭০ কোটি টাকা। পরোক্ষ ধূমপানের আর্থিক ক্ষতি তামাকজনিত মোট আর্থিক ক্ষতির ১৩.৫ শতাংশ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশের বর্তমান তামাক কর কাঠামো অত্যন্ত জটিল  যা তামাক ব্যবহার নিরুৎসাহিতকরণে যথেষ্ট নয়। বাংলাদেশে সকল তামাকপণ্যের উপর মূল্যের শতাংশ হারে সম্পূরক শুল্ক ধার্য করা হয়। এছাড়াও তামাকপণ্যের ধরন (সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও গুল), বৈশিষ্ট্য (ফিল্টার, নন ফিল্টার) এবং ব্রান্ড ভেদে ভিত্তিমূল্য (সিগারেটে ৪টি মূল্যস্তর যথা, নিন্ম, মধ্যম, উচ্চ এবং প্রিমিয়াম) এবং কর-হার এ রয়েছে ব্যাপক পার্থক্য। এছাড়া সিগারেটে বহুস্তর বিশিষ্ট করকাঠামো চালু থাকায়- বাজারে অত্যন্ত সস্তা এবং সহজলভ্য সিগারেট বিদ্যমান, ধূমপান ছেড়ে দেওয়ার পরিবর্তে ভোক্তা তুলনামূলকভাবে কমদামি সিগারেট বেছে নিতে পারছে, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে মাথাপিছু সিগারেট বিক্রি বিগত বছরগুলোতে প্রায় একইরকম রয়েছে এবং সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিগারেটের ব্যবহার তুলনামূলকভাবে প্রায় একইরকম রয়েছে। পাশাপাশি করের ভিত্তি এবং করহার খুবই কম হওয়ায় বিড়ি এবং ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য (জর্দা ও গুল) অধিক সহজলভ্য থেকে যাচ্ছে।

তারা বলছেন, তামাকের ব্যবহার কমানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে কর বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাকপণ্যের মূল্য বাড়ানো। কার্যকরভাবে কর বাড়ালে তামাকপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি পায় এবং সহজলভ্যতা হ্রাস পায়। উচ্চমূল্য তরুণদের তামাক ব্যবহার শুরু নিরুৎসাহিত করে এবং বর্তমান ব্যবহারকারীদেরকে তামাক ছাড়তে উৎসাহিত করে।

তামাক নিয়ন্ত্রণে করণীয় সর্ম্পকে বিশেষজ্ঞদের মতামত হচ্ছে - অ্যাড ভ্যালোরেম এর পরিবর্তে সুনির্দিষ্ট কর পদ্ধতি প্রবর্তন এবং করহার মূল্যস্ফীতি এবং আয় বৃদ্ধির সাথে সঙ্গতি রেখে নিয়মিতভাবে বাড়াতে হবে, নিম্ন স্তরের সিগারেটের কর ও মূল্য ব্যাপকভাবে বাড়াতে হবে, বিড়ির কর ও মূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বাড়াতে হবে যাতে সস্তা সিগারেটের সাথে মূল্য পার্থক্য কমে আসে, ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্যের কর আহরণ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং একইসাথে প্রমিত প্যাকেট/কৌটা প্রচলনের ন্যায় অন্যান্য কর-বহির্ভূত পদক্ষেপ অনুসন্ধান করতে হবে।

তারা আরো বলছেন, করারোপ প্রক্রিয়া সহজ করতে তামাকপণ্যের মধ্যে বিদ্যমান বিভাজন (ফিল্টার/নন ফিল্টার বিড়ি, সিগারেটের মূল্যস্তর, জর্দা ও গুলের আলাদা খুচরা মূল্য প্রভৃতি) তুলে দিতে হবে, সকল ধোঁয়াবিহীন তামাকপণ্য উৎপাদনকারীকে করজালের আওতায় নিয়ে আসতে হবে, পর্যায়ক্রমে সকল তামাকপণ্য অভিন্ন পরিমাণে (শলাকা সংখ্যা এবং ওজন) প্যাকেট/কৌটায় বাজারজাত করা, একটি সহজ এবং কার্যকর তামাক কর নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন (৫ বছর মেয়াদি) করা, যা তামাকের ব্যবহার হ্রাস এবং রাজস্ব বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে এবং তামাকপণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ রপ্তানি শুল্ক পুনর্বহাল করতে হবে।

ঢাকা/টিপু

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়