ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ৩০ জুন ২০২২ ||  আষাঢ় ১৬ ১৪২৯ ||  ২৯ জিলক্বদ ১৪৪৩

মহাকাশবিজ্ঞানী এ এম চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন

প্রকাশিত: ১৯:৫৮, ২১ মে ২০২২   আপডেট: ২০:০২, ২১ মে ২০২২
মহাকাশবিজ্ঞানী এ এম চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন

মহাকাশবিজ্ঞানী ও দুর্যোগ পূর্বাভাস বিশেষজ্ঞ ড. এ এম চৌধুরীর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২১ মে) বাদ আসর ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে প্রথম জানাযা ও বাদ মাগরিব মিরপুর বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে দ্বিতীয় জানাযা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

গত বৃহস্পতিবার (১৯ মে) বার্ধক্যজনিত কারণে ধানমন্ডির নিজ বাসভবনে মারা যান দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই মহাকাশবিজ্ঞানী। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮১ বছর।

বিশিষ্ট এই বিজ্ঞানী রোজ প্যাটেল থিওরির প্রবক্তা। ৭০-এর দশক থেকে তার যুগান্তকারী মডেলগুলোর সঙ্গে ঘূর্ণিঝড়ের ভবিষ্যদ্বাণীতে মূল অবদানের জন্য বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রের সাবেক এই চেয়ারম্যান ১৯৯৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান ‘স্বাধীনতা পদক’ গ্রহণ করেন। এছাড়া বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় নাসা গ্রুপ অ্যাচিভমেন্ট পুরস্কার অর্জন করেন।

অসামান্য মেধাবী ড. এ. এম চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে সে সময়ের শ্রেষ্ঠ রাজা কালী নারায়ণ বৃত্তির অধিকারী ছিলেন। নবেল বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী অধ্যাপক আব্দুস সালামের সঙ্গে কাজ করেছেন এই গুণীজন। গাণিতিক পদ্ধতিতে দুর্যোগের পূর্বাভাস নিয়ে তিনি দীর্ঘ সময় কাজ করেছেন। 

এই মহাকাশবিজ্ঞানী ১৯৪০ সালে সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ জেলার দিনারপুর পরগনার অর্ন্তরভূক্ত কায়স্তর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফলিত গণিত বিষয়ে এমএসসি এবং লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৬ সালে স্পেস সাইন্স বিষয়ে পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা ও ১৯৬৯ সালে স্পেস ফিজিক্স বিষয়ে পিএইচডি অর্জন করেন।  

মৃত্যকালে তিনি ২ ছেলে ১ মেয়ে ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। বড় ছেলে আনীর চৌধুরী ডিজিটাল বাংলাদেশের বিনির্মাণে অন্যতম অবদান রাখা এটুআই-এর পলিসি অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করছেন, মেয়ে ক্যারিনা চৌধুরী স্বপরিবারে আমেরিকায় বসবাস করছেন এবং ছোট ছেলে মৃদুল চৌধুরী এম’পাওয়ার সোশ্যাল-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও।

/ফিরোজ/

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়