ঢাকা, বুধবার, ৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

শানাকা ঝড়ে এলোমেলো রংপুর

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-১১ ১০:২৭:০০ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-১১ ১০:২৭:০০ পিএম

১৪তম ওভারের পর কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স ঘুরে দাঁড়াল। রংপুর রেঞ্জার্সের ইনিংস শেষ হল ওই সময়ে!

ফলে বিপিএলের দ্বিতীয় ম্যাচই হলো লো স্কোরিং।  মিরপুর শের-ই-বাংলায় কুমিল্লা ১০৫ রানে হারাল রংপুর রেঞ্জার্সকে।  আগে ব্যাটিং করে কুমিল্লা ৭ উইকেটে ১৭৩ রান তোলে।  জবাবে রংপুর গুটিয়ে যায় মাত্র ৬৮ রানে।

টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে ভালো শুরুর পরও হোঁচট কুমিল্লার।  সৌম্যর ১৮ বলে ২৬, মালানের ২৩ বলে ২৫ ও সাব্বিরের ১৭ বলে ১৯ রানে ভালো পথেই এগিয়ে যাচ্ছিল কুমিল্লা। কিন্তু নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে পথ হারায় কুমিল্লা।  ১৪তম ওভারের পর তাদের ইনিংসের বাকবদল শুরু।

দলীয় রান তখন মাত্র ৮৯।  ষষ্ঠ ব্যাটসম্যান হিসেবে মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন ফিরলেন সাজঘরে।  অধিনায়ক দাসুন শানাকা ছিলেন ক্রিজে। তার সঙ্গী আবু হায়দার রনি।  দুজনের সপ্তম উইকেট জুটিতে আসল ৩৫ রান।  দল খাদের কিনারা থেকে কুমিল্লা বাঁচল ওই সময়ে। রনি ১০ বলে ৬ রান যোগ করে যোগ্য সমর্থণ দিয়েছেন। আর শানাকা শেষ দুই ওভারের জন্য নিজের ব্যাটিং তুলে রেখেছিলেন।

১৯তম ওভারে শানাকা তোলেন ২৬ রান। শেষ ওভারে তার ব্যাট থেকে আসে ২৩। ১২৪ থেকে এক লাফে কুমিল্লার রান ১৭৩। ১৯তম ওভারে মুস্তাফিজকে পরপর চার বলে চার ছক্কা শানাকার।  যার একটি ছিল ফ্রি হিটে। তৃতীয় বলে ডিপ মিড উইকেট দিয়ে বল পাঠান স্টেডিয়ামের বাইরে। প্রেসিডেন্ট বক্সের ছাদে ড্রপ করে বল আর ফিরে আসেনি। শেষ বলে জুনায়েদকে তিন ছক্কা ও এক চার উড়িয়েছেন শানাকা। তার শেষ ঝড়ে লন্ডভন্ড রংপুর। মাত্র ৩১ বলে ৭৫ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দেন কুমিল্লার অধিনায়ক।  ৯ ছক্কা ও ৩ চারে শানাকা সাজান নিজের ইনিংস।

৪ ওভারে জুনায়েদ দেন ৪৭ রান। নিজের প্রথম ৩ ওভারে মাত্র ১১ রান দেওয়া মুস্তাফিজ শেষ ওভারে ব্যয় করেন ২৬। বল হাতে বাঁহাতি পেসার নেন ২ উইকেট। তাসকিন ২ ওভারে খরচ করেন ২৩ রান।

রংপুরের ব্যাটিং শেষ হয় ১৪তম ওভারে। ফিল্ডিংয়ে জাকির হাসান চোট পাওয়ায় ব্যাটিংয়ে নামেননি। বাকিরা সবাই ছিলেন নিষ্প্রভ। ওপেনিং শাহজাদ আবু হায়দার রনিকে দুই ছক্কা মেরেছিলেন ঠিকই। কিন্তু তার ইনিংসটি কাটা পড়ে ১৩ রানে স্বদেশি মুজিব-উর-রহমানের বলে।  নাঈম ওপেনিংয়ে নেমে দলের প্রয়োজন মেটাতে পারেননি। ২৭ বলে আউট হন ১৭ রানে। অধিনায়ক নবীর ব্যাট থেকে আসে ১১ রান। বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘর ছুঁতে পারেনি।

১৪ রানে ৩ উইকেট নিয়ে কুমিল্লার সেরা বোলার পেসার আল-আমিন। এছাড়া ২টি করে উইকেট নেন সৌম্য ও সানজামুল।

২৪১ স্ট্রাইক রেটে ইনিংস সাজানো শানাকার হাতে উঠেছে ম্যাচ সেরার পুরস্কার।  দুর্দান্ত জয়ে কুমিল্লা যাত্রা শুরু করল।  রংপুর শুরুতেই পেল বড় ধাক্কা।


ঢাকা/ইয়াসিন