ঢাকা, বুধবার, ৭ মাঘ ১৪২৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

এর চেয়েও বড় ছক্কা আমি মেরেছি : শানাকা

ক্রীড়া প্রতিবেদক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০১৯-১২-১১ ১০:৪৩:৩৮ পিএম     ||     আপডেট: ২০১৯-১২-১২ ৮:৪৪:৩৯ এএম

১২তম ওভারে দাসুন শানাকা যখন ব্যাটিংয়ে নামলেন তখন কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের রান মাত্র ৮৫।

পরের দুই ওভারে স্কোরবোর্ডে যোগ হলো ৪ রান। তাকে একা রেখে ফিরলেন সাব্বির রহমান ও মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন। ৮৯ রানে ৬ উইকেট নেই কুমিল্লার। সেখান থেকে কুমিল্লা নিজেদের ইনিংস শেষ করে ১৭৩ রানে। পুরো কৃতিত্ব অধিনায়ক শানাকার।

মাত্র ৩১ বলে ৩ চার ও ৯ ছক্কায় ৭৫ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলেন শানাকা। তাতেই বাজিমাত কুমিল্লার। তাদের ১৭৩ রানের জবাবে রংপুর করতে পারে মাত্র ৬৮। শেষ দুই ওভারে শানাকা রীতিমত ঝড় তোলেন মিরপুরের ২২ গজে।

মুস্তাফিজকে পরপর চার বলে মেরেছেন চার ছক্কা। আর শেষ ওভারে জুনায়েদকে তিনটি ছক্কা ও এক চার হাঁকিয়েছেন। মুস্তাফিজের ওভারে ফ্রি হিটে যে ছক্কা ডিপ মিড উইকেট দিয়ে উড়িয়েছেন সেই বল আর মাঠে ফেরেনি। প্রেসিডেন্ট বক্সের ছাদে ড্রপ করে দৃষ্টি সীমানার বাইরে চলে যায় বল ।

আন্দ্রে রাসেল কিংবা ক্রিস গেইলের মতো পাওয়ার হিটার নন তিনি। শেন ওয়াটসন, কাইরন পোলার্ড কিংবা মাহেন্দ্র সিং ধোনির মতোও গড়ন নেই শানাকার। কিন্তু তার প্রতিটি শট, প্রতিটি ছক্কা বলে দেয় শক্তি ও সামর্থ্যে তিনি পিছিয়ে নেই কারো থেকে। এ সামর্থ্যের রহস্য কি?

‘শক্তি আসে ট্রেনিং থেকে। দেশে (শ্রীলঙ্কায়) আমি কঠোর পরিশ্রম করি। এটা সেটিরই ফল। ছক্কার ট্রেনিং খুব বেশি আমি করি না। আমি টেকনিক নিয়েই বেশি কাজ করি। ক্যারিয়ারের শুরুতে আমার টেকনিক ভালো ছিল না। এজন্য আমি এমন টেকনিক রপ্ত করেছি যেটা আমার খেলার ধরনের সঙ্গে যায়।’ – বলেছেন শানাকা।

টি-টোয়েন্টি মানেই পাওয়ার হিটিং এমনটা মানতে চান না শানাকা,‘পাওয়ার সবকিছু নয়। টেকনিকও বড় ভূমিকা রাখে। আমি তো কৃশকায়। ছক্কার ক্ষেত্রে স্কিল ও টেকনিক বড় ভূমিকা রাখে।’

মুস্তাফিজকে ছক্কায় উড়িয়ে যে বল স্টেডিয়ামের বাইরে পাঠিয়েছেন শানাকা সেই শটটি খুব উপভোগ করেছেন। তবে ওই ছক্কার থেকেও বড় ছক্কা এসেছে তার ব্যাট থেকে। ম্যাচ শেষে জানালেন এমনটাই,‘এর চেয়েও বড় ছক্কা আমি মেরেছি। তবে হ্যাঁ, ওই শট আমি উপভোগ করেছি। আমি ওকে ৩-৪ বার খেলেছি। তাই জানতাম, ওর পরিকল্পনা কেমন হতে পারে। আমি অপেক্ষা করছিলাম ওর আলগা বলের জন্য।’

নিজের ব্যাটিং পরিকল্পনা জানাতে গিয়ে শানাকা বলেন,‘ আমি ১০-১২ বল নিয়েছি থিতু হতে। এজন্যই পরে সফল হয়েছি।আমাদের ব্যাটসম্যানরা সময় নিলে ভালো করতো।’

অধিনায়ক শানাকা নিজের প্রথম অ্যাসাইনমেন্টে দারুণ সফল। পুরো সফরে তার থেকে এমন পারফরম্যান্সই প্রত্যাশা করছে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্স।


ঢাকা/ইয়াসিন