ঢাকা, রবিবার, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭, ০৭ জুন ২০২০
Risingbd
সর্বশেষ:

আয়োজক হতে ঘুষ প্রদানের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কাতার ও রাশিয়া

ক্রীড়া ডেস্ক : রাইজিংবিডি ডট কম
     
প্রকাশ: ২০২০-০৪-০৮ ৬:১৪:৪১ পিএম     ||     আপডেট: ২০২০-০৪-০৮ ১০:৩৭:০৩ পিএম

বিশ্বকাপ আয়োজনের জন্য ঘুষের আদান-প্রদান হতো। সম্প্রতি এমনই এক তথ্য দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট। তাদের দাবি, ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হতে ঘুষ দিয়েছিল কাতার, একই কাজ করেছিল ২০১৮ সালের আয়োজক রাশিয়া।

তবে এমন অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে কাতার বিশ্বকাপের আয়জক কমিটি (এসসি)। আর এই অভিযোগকে কোনো পাত্তাই দিচ্ছে না রাশিয়া।

২০১৮ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার দৌড়ে রাশিয়ার সঙ্গে ছিল ইংল্যান্ড, বেলজিয়াম-নেদারল্যান্ডস ও পর্তুগাল-স্পেন। আর ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজন করতে কাতার ছাড়াও ময়দানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণ করার জন্য ২০১০ সালে তৎকালিন ফিফা প্রেসিডেন্ট সেপ ব্ল্যাটারের অধীনে ভোটাভুটির আয়োজন করা হয়। সেখানে ’১৮ বিশ্বকাপের জন্য রাশিয়া এবং আসন্ন ‘২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হিসেবে নির্বাচিত হয় কাতার।

এরপর থেকে ওই ভোটাভুটি নিয়ে সন্দেহ ও দুর্নীতির গুঞ্জন শুরু হয়। এটি আরও পাকাপোক্ত হয় ২০১৫ সালে। যখন এমন অভিযোগের জন্য ফিফা টালমাটাল হয়ে পড়ে। নিজের পদ থেকে চ্যুত হন ব্ল্যাটার। সেসময় এই অভিযোগে অভিযুক্ত ব্ল্যাটার বলেন, ‘এর জন্য ফিফার কার্যনির্বাহীর সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি সৌজন্মূলক চুক্তি হয়েছিল।‘

অবশেষে গত সোমবার প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আনে যুক্তরাষ্ট্রের জাস্টিস ডিপার্টমেন্ট। তাদের অভিযোগ ছিল, রাশিয়া ও কাতারের প্রতিনিধিরা তাদের পক্ষে ভোট আদায়ের জন্য ফিফা নির্বাহী কমিটির ৪৫ কর্মকর্তাকে প্রায় ২০০ মিলিয়ন ডলার ঘুষ দিয়েছিল।

তবে এসসি এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বিবৃতি দিয়েছে, ‘কাতার অনৈতিকভাবে ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক হয়েছে, বছরের পর বছর ধরে এমন ভুয়া দাবি করা হচ্ছে। কিন্তু ফিফার কঠোর বিডিংয়ের নিয়ম ভাঙার জন্য ঘুষ প্রদানের কোনো প্রমাণ কখনও হাজির করা হয়নি।’

বরং ২০১৮ ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক নির্ধারণে সকল নিয়ম দৃঢ়ভাবে মানা হয়েছে জানিয়ে কাতারের সুপ্রিম কমিটি ফর ডেলিভারি অ্যান্ড লেগাসি (এসসি) জানিয়েছে, এসব অভিযোগ ভিত্তিহীন এবং এসব কঠোরভাবে মোকাবেলা করা হবে।

 

ঢাকা/কামরুল