Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ১৩ এপ্রিল ২০২১ ||  চৈত্র ৩০ ১৪২৭ ||  ২৯ শা'বান ১৪৪২

জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপনের কারণ জানালেন আকমল

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:০০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১   আপডেট: ২২:২০, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
জুয়াড়ির প্রস্তাব গোপনের কারণ জানালেন আকমল

গত বছরের পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) জুয়াড়ির অনৈতিক প্রস্তাব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে না জানিয়ে নিষিদ্ধ হন উমর আকমল। আন্তর্জাতিক ক্রীড়া আদালতের (সিএএস) রায়ে শাস্তি আরেক দফা কমেছে পাকিস্তানি কিপার-ব্যাটসম্যানের। তাতে এখনই ক্রিকেট মাঠে ফিরতে পারবেন। আপিলের রায়ে নিষেধাজ্ঞা কমার পর আকমল জানালেন, কী কারণে তিনি জুয়াড়ির প্রস্তাব লুকিয়েছিলেন?

জুয়াড়ির অনৈতিক প্রস্তাব পাওয়ার কথা কেন পিসিবির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে জানাননি, তা সাংবাদিকদের কাছে ব্যাখ্যা করলেন আকমল। তার দেওয়া তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে এমন আশঙ্কা ছিল তার মনে। পাকিস্তানের এই ব্যাটসম্যান বলেছেন, ‘পিসিবির দুর্নীতি বিরোধী ইউনিটকে বিষয়টি নিয়ে আমি রিপোর্ট করতে চাইনি কারণ আমার ভয় হচ্ছিল যে তথ্য ফাঁস হয়ে যাবে এবং তা গোপন থাকবে না।’

তবে বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করতে গিয়েছিলেন বলে আকমল জানালেন, ‘বিষয়টি নিয়ে রিপোর্ট করার ইচ্ছা আমার ছিল। পাকিস্তান সুপার লিগে আমাকে ম্যাচ পাতানোর প্রস্তাব দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে আমি বোর্ড চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি ব্যস্ত ছিলেন এবং তারপরই এই ঘটনা ঘটে গেলো।’

নিজেকে কলঙ্কমুক্ত দাবি করে বলেছেন, ‘আমি কখনও এই ধরনের অনৈতিক কাজে জড়াইনি। পাকিস্তানের হয়ে খেলা আমার জন্য সবচেয়ে সম্মানের।’

জুয়াড়ির প্রস্তাব লুকানোর কারণে গত বছরের এপ্রিলে প্রথমে আকমলকে তিন বছরের নিষেধাজ্ঞা দেয় পিসিবি। পরের মাসে তার আপিলে শাস্তি কমে দাঁড়ায় দেড় বছরে। পরে ক্রীড়া আদালতে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার আপিল করেন আকমল এবং তা আরও ছয় মাস কমে হয় ১২ মাসের। এই রায় অনুযায়ী এরই মধ্যে শাস্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে মাঠে ফেরার আগে পিসিবির দুর্নীতি বিরোধী পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে হবে তাকে।

দ্রুত মাঠে ফিরতে পিসিবির সঙ্গে সব ধরনের সহযোগিতা করতে চান আকমল, ‘ক্রিকেট আমার রুটি-রুজি। আমি জানি ক্রিকেট থেকে দূরে থাকায় গত বছর কতটা ক্ষতি আমার হয়েছে। আমার পাকিস্তান ক্যারিয়ারকে পুনরুত্থান করতে চাই এবং তা পারবো বলে আশাবাদী। গত ১২ মাসে আমি অনেক কিছু শিখেছি। আমি এখন কেবল ক্রিকেটে মনোনিবেশ করতে চাই, কারণ এখনও দেওয়ার অনেক বাকি আছে।’

ঢাকা/ফাহিম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়

শিরোনাম

Bulletলকডাউন: ১৪-২১ এপ্রিল। যা যা চলবে: ১. বিমান, সমুদ্র, নৌ ও স্থল বন্দর এবং তৎসংশ্লিষ্ট অফিস। ২. পণ্য পরিবহন, উৎপাদন ব্যবস্থা ও জরুরি সেবাদানের ক্ষেত্রে এ আদেশ প্রযোজ্য হবে না ৩. শিল্প-কারখানা ৪. আইনশৃঙ্খলা এবং জরুরি পরিসেবা, যেমন, কৃষি উপকরণ (সার, বীজ, কীটনাশক, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি), খাদ্যশস্য ও খাদ্যদ্রব্য পরিবহন, ত্রাণ বিতরণ, স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড-১৯ টিকা প্রদান, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস/জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরগুলোর (স্থল, নদী ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট (সরকারি-বেসরকারি), গণমাধ্যম (প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়া), বেসরকারি নিরাপত্তা ব্যবস্থা, ডাক সেবাসহ অন্যান্য জরুরি ও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ও সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অফিসসমূহ, তাদের কর্মচারী ও যানবাহন এ নিষেধাজ্ঞার আওতা বর্হিভূত থাকবে। ৫. ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি ক্রয়, চিকিৎসা সেবা, মৃতদেহ দাফন/সৎকার ৬. খাবারের দোকান ও হোটেল-রেস্তোরাঁয় দুপুর ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত কেবল খাদ্য বিক্রয়/সরবরাহ করা যাবে। ৭. কাঁচাবাজার এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি সকাল ৯টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত উন্মুক্ত স্থানে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে || যা যা বন্ধ থাকবে: ১. সব সরকারি, আধাসরকারি, সায়ত্ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ২. সব ধরনের পরিবহন (সড়ক, নৌ, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট) বন্ধ থাকবে ৩. শপিংমলসহ অন্যান্য দোকান বন্ধ থাকবে