Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     সোমবার   ১৭ মে ২০২১ ||  জ্যৈষ্ঠ ৩ ১৪২৮ ||  ০৩ শাওয়াল ১৪৪২

অভিষেকের ঠিকানায় নাফীসের আরেক ‘অভিষেক’

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৫:০৯, ১২ এপ্রিল ২০২১   আপডেট: ১৬:৫৫, ১২ এপ্রিল ২০২১
অভিষেকের ঠিকানায় নাফীসের আরেক ‘অভিষেক’

টেস্ট ক্যাপ অমূল্য। ক্রিকেটারদের আজন্ম আরাধ্য স্বপ্ন হয়ে থাকে একটা টেস্ট ক্যাপ। আর স্বপ্ন পূরণের দিনটি স্মৃতিতে অম্লান। শাহরিয়ার নাফীসও সেই দিনটি ভুলেননি। ভুলবেন না কখনো।

বাংলাদেশের হাতেগোনা ক্রিকেটারের আন্তর্জাতিক অভিষেক দেশের বাইরে। সেখানে নাফীসের ওয়ানডে ও টেস্ট অভিষেক দুটোই দেশের বাইরে। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামে ঐতিহাসিক ন্যাটওয়েস্ট ত্রিদেশীয় সিরিজে নাফীসের মাথায় উঠে ওয়ানডে ক্যাপ। সেপ্টেম্বরে কলম্বোর মুসলিম অধ্যুষিত এলাকা প্রেমাদাসায় ৪৩তম বাংলাদেশি ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট অভিষেক তার।

সেই দিনটির স্মৃতি আজও তরতাজা নাফীসের মনে, ‘সেদিন স্বপ্ন সত্যি হয়েছিল। সব সময় টেস্ট খেলার স্বপ্ন দেখতাম। ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্যাপ পাওয়ার অনুভূতি অকল্পনীয়।’

অভিষেকে দ্যুতি ছড়াতে না পারলেও পরবর্তীতে নিজের সামর্থ্যের জানান ভালোভাবে দিয়েছেন নাফীস। দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সমাপ্তি টেনেছেন এ বছরই। ক্রিকেটার পরিচয় পাল্টে হয়েছেন পরিচালনা বিভাগের অপারেশন ম্যানেজার। এবার সেই দায়িত্ব পালনে এবার জাতীয় দলের সঙ্গী হলেন তিন ফরম্যাট মিলিয়ে ১০০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলা নাফীস।

দুই টেস্ট খেলতে বাংলাদেশ আজ দুপুরে উড়াল দিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রে। টেস্ট অভিষেকের ঠিকানায় নাফীসের ম্যানেজার হিসেবেও অভিষেক হতে যাচ্ছে।

জাতীয় দলের সফরসঙ্গী হওয়ার উচ্ছ্বাস লুকাতে পারলেন না তিনিও, ‘শেষ দুই মাস আমি নিজের কাজটা শেখার চেষ্টা করেছি। ২০ বছর ক্রিকেট খেলেছি। এখন ক্রিকেট দলের অপারেশন ম্যানেজার। নিজের পেশাদারিত্ব দিয়ে কাজ করার চেষ্টা করছি। এবারই প্রথম জাতীয় দলের সঙ্গে সফর হচ্ছে। এটা অবশ্যই আনন্দদায়িক। সুজন ভাই (খালেদ মাহমুদ) আমাদের সঙ্গে আছে। তিনি থাকায় কাজ আরও সহজ হয়ে যাবে।’

নিজের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি ক্রিকেটারদের অনুপ্রেরণা দেওয়ার কাজটাও করতে চান তিনি। নাফীস বলেন, ‘আমি যদি আমার কাজটা ঠিকঠাক মতো করতে পারি, তাদের সফর স্বস্তিদায়ক করতে পারি নিশ্চিতভাবেই তারা উপকৃত হবে। পাশাপাশি তারা প্রত্যেকেই আমার সতীর্থ। তাদের অনুপ্রাণিত করার সর্বাত্মক চেষ্টা থাকবে আমার।’

টেস্ট অঙ্গনে অনেক দিন ধরেই সুখবর নেই। অধিনায়ক মুমিনুল হকের মতো নাফীসেরও বিশ্বাস নিজেদের মানের ক্রিকেট খেলতে পারলে ভালো কিছু নিয়ে দেশে ফেরা সম্ভব। ২০১৭ সালে বাংলাদেশ শেষ দ্বীপরাষ্ট্রে টেস্ট খেলেছিল। স্বাগতিকরা ম্যাচ জিতলেও বাংলাদেশ কলম্বোতে নিজেদের শততম টেস্ট জিতে বদলা নিয়েছিল। সেই সুখস্মৃতি এবার ফেরে কিনা সেটাই দেখার।

ঢাকা/ইয়াসিন/রিয়াদ

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়