Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৮ ||  ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

ফ্যামিলি পডস: শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে পরিবারের ছোঁয়া 

আবু ধাবি থেকে ক্রীড়া প্রতিবেদক  || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১৩:২৪, ২৮ অক্টোবর ২০২১   আপডেট: ১৩:২৫, ২৮ অক্টোবর ২০২১
ফ্যামিলি পডস: শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে পরিবারের ছোঁয়া 

মরুভূমির বুকে দৃষ্টিনন্দন শেখ জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়াম। অ্যারাবিয়ান সাগরের কোলঘেষা আবু ধাবির বুকে যেন এক টুকরো সবুজের চারণভূমি। বিশ্বের স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে দৃষ্টিনন্দন এই শেখ জায়েদ স্টেডিয়াম নজর কেড়েছে দুই পাশের খোলা গ্যালারিতে থাকা ছোট ছোট বর্গাকার ছাদবিহীন খুপড়ি। যার নাম ফ্যামিলি (পরিবার) পডস। শুধু ফ্যামিলি নয়, বন্ধুদের জন্যও সুযোগ থাকছে এই পডসে।

সবুজ ঘাসের উপর সাদা রঙয়ের এই খুপড়িগুলো দূর থেকে দেখতে দারুণ লাগে। প্রথমে একে করোনাকালীন আইসোলেশন গ্যালারি মনে হলেও ব্যাপারটা কিন্তু তা নয়। তবে যাতে করে কিছুটা সামাজিক দূরত্বে থেকে এখানে বসে খেলা উপভোগ করতে পারেন দর্শকরা, এজন্য তৈরি হয়েছে এই কাঠামো।

কিন্তু আবু ধাবি ক্রিকেট ও বিশ্বকাপে শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে দায়িত্বে থাকা মিডিয়া ম্যানেজার কালিম খানের কথায় ভুল ভাঙে। তার কাছে প্রশ্ন ছিল, দর্শকদের নিরাপদ দূরত্বে রাখতেই এমন কিছু? তিনি জানালেন, দল বেঁধে খেলা দেখতে আসা পরিবারের সদস্যরা যাতে করে একসঙ্গে বসে খেলা উপভোগ করতে পারেন তার জন্য এই পডসগুলো তৈরি। আর দল বেঁধে আসা বন্ধুরাও এই পডস ব্যবহার করতে পারবেন।

তবে এই পডসে সর্বোচ্চ চারজনের একসঙ্গে থাকার অনুমতি আছে। বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালে এই পডসগুলো প্রায় পূর্ণ হয়ে যায়। অনেক পরিবারের সঙ্গে ছিল ছোট বাচ্ছা। তাদের অবশ্য এখানে আটকে রাখা যায়নি। এই পডসগুলোর বাইরেও পড়ে ছিল বিশাল জায়গা। তারা তাদের মতো করে এখানে ছুটোছুটি করেছেন, খেলে বেড়িয়েছেন।

দুই কোটি মার্কিন ডলারের বেশি খরচ করে এই দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়ামটি তৈরি হয়। ২০০৪ সালে স্টেডিয়ামটি খুললেও খেলা শুরু হয় দুই বছর পর ২০০৬ সালে। দর্শক ধারণক্ষমতা ২০ হাজার। করোনাকালে প্রত্যেক দর্শককে খেলা দেখতে দিতে হয়েছে কোভিড টেস্ট। দুই পাশে দুটি বড় স্ট্যান্ড থাকলেও আর দুই পাশ খোলা আকাশের নিচে। শহর থেকে ৩০ মিনিট দূরত্বে এই স্টেডিয়ামটি দাঁড়িয়ে আছে আবাসন-লোকালয়ের বাইরে।

আবু ধাবি/রিয়াদ/ফাহিম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়