Risingbd Online Bangla News Portal

ঢাকা     মঙ্গলবার   ৩০ নভেম্বর ২০২১ ||  অগ্রহায়ণ ১৬ ১৪২৮ ||  ২৩ রবিউস সানি ১৪৪৩

লিটন-মুশফিকের ব্যাটে দিনশেষে আড়াই’শ পেরিয়ে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৯:৩১, ২৬ নভেম্বর ২০২১   আপডেট: ১৮:৪৪, ২৬ নভেম্বর ২০২১
লিটন-মুশফিকের ব্যাটে দিনশেষে আড়াই’শ পেরিয়ে বাংলাদেশ

৪৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর দলের হাল ধরেন লিটন কুমার দাস ও মুশফিকুর রহিম। দিনের বাকি সময়ে এই দুজনকে আর বাগে আনতে পারেননি পাকিস্তানের বোলাররা। পঞ্চম উইকেটে এই জুটি ২০০ রান পার করেন। তাতে দলের মোট সংগ্রহ আড়াই’শ পেরোয়। ৪১১ বল খেলে লিটন ও মুশফিক ২০০ রান তোলেন। তার মধ্যে লিটনের অবদান ১০৯। আর মুশফিকের অবদান ৮১।

আলোক স্বল্পতায় ৫ ওভার বাকি থাকতেই দিনের খেলা শেষ হয়। মুশফিক-লিটনের ২০৪ রানের জুটিতে দিনশেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৮৫ ওভার শেষে ৪ উইকেটে ২৫৩। মুশফিক ৮২ ও লিটন ১১৩ রানে অপরাজিত আছেন। তারা দুজন আগামীকাল শনিবার সকালে আবার ব্যাট করতে নামবেন।

প্রথম দিন বাংলাদেশের চারটি উইকেট ভাগাভাগি করে নিয়েছেন শাহীদ আফ্রিদি, ফাহিদ আশরাফ, হাসান আলী ও সাজিদ খান।

লিটনের মেইডেন টেস্ট সেঞ্চুরিতে এগোচ্ছে বাংলাদেশ

প্রথম টেস্ট সেঞ্চুরির দেখা পেলেন লিটন কুমার দাস। এতোদিন টেস্টে তার ১০টি হাফ সেঞ্চুরি ছিল। কিন্তু কোনো সেঞ্চুরি ছিল না। অবশেষে বহুল প্রার্থিত সেই তিন অঙ্কের ম্যাজিক্যাল ফিগারের দেখা পেলেন তিনি। নোমান আলীর করা ৭৪তম ওভারের তৃতীয় বলে ১ রান নিয়ে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। ১৯৯ বলে ১০ চার ও ১ ছক্কায় স্পর্শ করেন শতরান। তার অপরাজিত ১০৯ ও মুশফিকের ৮১ রানে ভর করে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেটে ২৪৮।

বাংলাদেশের দুইশ

পঞ্চম উইকেটে লিটন দাসের সঙ্গে মুশফিকুর রহিমের দেড়শ রানের জুটিতে বাংলাদেশের দুইশ পার হলো। ৬৮তম ওভারে নওমান আলীর প্রথম বলে একটি সিঙ্গেল নিয়ে লিটন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে দুইশ তোলেন। ৬৮ ওভারে ৪ উইকেটে ২০০ রান স্বাগতিকদের।

জীবন পেলেন লিটন

৬৭ রানে জীবন পেলেন লিটন দাস। চা বিরতির পর ষষ্ঠ ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে তার ক্যাচ ছেড়ে দেন সাজিদ খান। পাকিস্তানি পেসারের শর্ট বলে মিডউইকেটে পুল করতে গিয়ে উইকেট হারাতে বসেছিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান। সাজিদ বল ধরতে পারেননি। ৬৬ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯১ রান বাংলাদেশের।

মুশফিক-লিটন রাঙালেন দ্বিতীয় সেশন

টপ অর্ডারের চার ব্যাটসম্যান ৪৯ রানের মধ্যে পড়ে গেলে প্রথম সেশনের শেষ ভাগে জুটি গড়েন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিম। লাঞ্চেও গেছেন তারা অপরাজিত থেকে। ফিরে এসে দ্বিতীয় সেশনও নিজেদের করে নিয়েছেন তারা। পঞ্চম উইকেটে তাদের অবিচ্ছিন্ন জুটি ১২২ রানের, ৪২.৪ ওভার খেলছেন তারা একসঙ্গে। ৪ উইকেট ৬৯ রানে প্রথম সেশন শেষ করেছিল বাংলাদেশ। দ্বিতীয় সেশনে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে যোগ হলো ১০২ রান। ৪ উইকেটে ১৭১ রানে চা বিরতিতে গেছে স্বাগতিকরা। লিটন ৬২ ও মুশফিক ৫৫ রানে অপরাজিত আছেন।

মুশফিকও চার মেরে হাফ সেঞ্চুরি করলেন

লিটন দাসের মতো একই স্টাইলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন মুশফিকুর রহিম। ৪৯ রানে ৪ উইকেট হারানোর পর এই জুটি একশ ছাড়ায়। তারপরই ৫৩তম ওভারে হাসান আলীকে টানা দুটি চার মেরে ১০৮ বলে ২৪তম হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান তিনটি ডাবল সেঞ্চুরির মালিক। 

চার মেরে লিটনের হাফ সেঞ্চুরি

টি-টোয়েন্টিতে বাজে ফর্ম কাটানো লিটন দাস নিজেকে ফিরে পেলেন টেস্টে। ৯৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন তিনি। ৪৯তম ওভারে নওমান আলীকে চার মেরে ফিফটি করেন এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ২৭ বছর বয়সী উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান নিজের দশম ফিফটি করলেন। এর দুই ওভার আগে সাজিদ খানকে একটি ছক্কাও মারেন লিটন। টেস্টের ক্যারিয়ার সেরা ৯৫ রান টপকে যেতে পারেন কি না তিনি, সেটাই দেখার।

হাফ সেঞ্চুরির পথে ছুটছেন মুশফিক-লিটন

পঞ্চাশ ছাড়ানো জুটিতে বাংলাদেশকে একশ পার করানোর পর হাফ সেঞ্চুরির পথে ছুটছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। ৩৪ রানে খেলছেন লিটন, আর মুশফিকের রান ৩৮। ৪৪ ওভারে ৪ উইকেটে ১২৫ রান বাংলাদেশের।

মুশফিকের চারে বাংলাদেশের সেঞ্চুরি

৪৯ রানে ৪ উইকেট হারালেও বাংলাদেশ উঠে দাঁড়াচ্ছে। মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাসের পঞ্চাশ ছাড়ানো অপরাজিত জুটিতে ভর করে আর কোনো উইকেট না হারিয়ে একশ করেছে স্বাগতিকরা। ৩৯তম ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে পয়েন্ট দিয়ে চার মেরে মুশফিক দলের রান একশ ছাড়ান। চট্টগ্রাম টেস্টের প্রথম দিন দ্বিতীয় সেশনের খেলা চলছে, ৩৯ ওভারে ৪ উইকেটে ১০২ রান স্বাগতিকদের।

শুরুর ধাক্কা সামাল দিচ্ছে বাংলাদেশ

প্রথম সেশনে ১১.৪ ওভারের জুটিতে মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস ২০ রানের জুটি গড়েছিল। দ্বিতীয় সেশনেও তারা সামাল দিচ্ছেন পাকিস্তানের বোলারদের। দলীয় স্কোর একশর পথে। ৩৪ ওভারে ৪ উইকেটে ৯০ রান বাংলাদেশের।

মুশফিক-লিটনের প্রতিরোধে শেষ প্রথম সেশন

১৬.২ ওভারে নাজমুল হোসেন শান্তর বিদায়, ৪৯ রানে বাংলাদেশের নেই ৪ উইকেট। ব্যাটসম্যানদের যাওয়ার আসার মিছিল আর লম্বা হতে দেননি মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। ১১.৪ ওভার একসঙ্গে ২০ রান তুলে প্রথম সেশন শেষ করেছেন তারা। ২৮ ওভারে ৪ উইকেটে ৬৯ রান বাংলাদেশের।

প্রথম সেশন শেষ করার অপেক্ষায় মুশফিক-লিটন

৪৯ রানে চার উইকেট হারানোর পর ক্রিজে জুটি গড়েছেন মুশফিকুর রহিম ও লিটন দাস। দুজন মিলে বেশ সতর্ক থেকে এগিয়ে চলেছেন। বুঝেশুনে বল ঠেকাচ্ছেন, আবার রান নিচ্ছেন। ২৩ ওভারে ৪ উইকেটে ৬৪ রান বাংলাদেশের। প্রথম সেশন পার করে দেওয়ার অপেক্ষায় মুশফিক-লিটন।

শান্তর বিদায়ে অশান্তিতে বাংলাদেশ

প্রথম সেশন শেষ হতে ঘণ্টাখানেক বাকি। এরই মধ্যে একের পর এক ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতায় অশান্তিতে বাংলাদেশ। মুমিনুল হক আউট হওয়ার ৬ বল পর বিদায় নিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ফাহিম আশরাফের বলে কাট করতে গিয়ে পয়েন্টে সাজিদ খানের সূক্ষ্ম ক্যাচ হন এই ব্যাটসম্যান। বারবার রিপ্লেতে যাচাই করতে হয়েছে বল ফিল্ডারের হাতে পড়ার আগে-পরে মাটিতে স্পর্শ করেছিল কি না। আউটই হন শান্ত, ৩৭ বলে ২ চারে করেন ১৪ রান। ৪৯ রানে চতুর্থ উইকেটের পতন।

মুমিনুল কট বিহাইন্ড

৩৩ রানে ২ উইকেট হারানোর পর মুমিনুল হকের হাল ধরার কথা। কিন্তু হাল ছাড়তে হলো তাকে। কট বিহাইন্ডের জোরালো আবেদনে আম্পায়ার সাড়া না দিলে রিভিউ নেয় পাকিস্তান। রিপ্লেতে সাজিদ খানের বৈধ ডেলিভারি তার ব্যাট আলতোভাবে ছুঁয়ে মোহাম্মদ রিজওয়ানের গ্লাভসে চলে যেতে দেখা গেছে। ১৯ বলে মাত্র ৬ রান করেছেন অধিনায়ক। ১৫.১ ওভারে দলীয় ৪৭ রানে তৃতীয় উইকেট হারাল বাংলাদেশ।

সাদমান ফিরলেন রিভিউ নষ্ট করে

হাসান আলীর বলে এলবিডাব্লিউ হলেন সাদমান ইসলাম। পাকিস্তানের আপিলে আম্পায়ার আউট দেন। সংশয়ে থাকায় রিভিউ নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার। কিন্তু উইকেট বাঁচাতে পারেননি। অষ্টম ওভারে দ্বিতীয় উইকেটের পতন ঘটল ৩৩ রানে। ২৮ বলে ১৪ রান করেন সাদমান। তিনটি চার ছিল তার ইনিংসে।

সাইফের বিদায়ে ভাঙল উদ্বোধনী জুটি

শাহীন শাহ আফ্রিদির শিকার হলেন সাইফ হাসান। পঞ্চম ওভারের দ্বিতীয় বলে চার মেরেছিলেন। পরের বলে তার ব্যাট ছুঁয়ে কাঁধে লেগে উপরে উঠে শর্ট ফাইন লেগে আবিদ আলীর হাতে ধরা পড়ে বল। ৪.৩ ওভারে ১৯ রানে ভাঙল উদ্বোধনী জুটি। ১২ বলে তিন চারে ১৪ রান করেন সাইফ। 

হাসানকে দুটি চার মেরে আগ্রাসী সাইফ

প্রথম ওভারে শাহীন শাহ আফ্রিদির বল বুঝতে সময় লেগেছে বাংলাদেশের ওপেনার সাদমান ইসলামের। স্ট্রাইকে যেতে পারেননি অন্য ওপেনার সাইফ হাসান। মেডেন হয়। দ্বিতীয় ওভারে ব্যাটিং প্রান্তে দাঁড়িয়ে আগ্রাসী সাইফ। হাসান আলীকে তিন বলের মধ্যে দুটি চার মারেন তিনি। ৩ ওভার শেষে বাংলাদেশের স্কোর কোনো উইকেট না হারিয়ে ১০ রান।

অপেক্ষা ফুরাল ইয়াসিরের

বাংলাদেশ দলে টেস্ট অভিষেক হয়েছে ইয়াসির আলী রাব্বির। অপেক্ষা ফুরাল তার। বাংলাদেশের ৯৮তম টেস্ট ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেক হলো ইয়াসিরের। অরাধ্য টেস্ট ক্যাপ পেয়েছেন অধিনায়ক মুমিনুল হকের কাছ থেকে। এছাড়া পাকিস্তান দলেও টেস্ট ক্যাপ পেয়েছেন আব্দুল্লাহ শফিক।

বাংলাদেশ: সাদমান ইসলাম, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুমিনুল হক (অধিনায়ক), মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস (উইকেটকিপার), ইয়াসির আলী, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, আবু জায়েদ রাহী, ইবাদত হোসেন, সাইফ হাসান।

পাকিস্তান: আব্দুল্লাহ শফিক, আবিদ আলী, আজহার আলী, বাবর আজম (অধিনায়ক), ফাওয়াদ আলম, মোহাম্মদ রিজওয়ান (উইকেটকিপার), ফাহিম আশরাফ, নওমান আলী, হাসান আলী, শাহীন শাহ আফ্রিদি, সাজিদ খান।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম টেস্টে শুরু হলো বাংলাদেশের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে যাত্রা। পাকিস্তানের বিপক্ষে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাটিংয়ে স্বাগতিকরা।

ঢাকা/ফাহিম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়