ঢাকা     মঙ্গলবার   ২৪ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ১০ ১৪২৯ ||  ২২ শাওয়াল ১৪৪৩

তারুণ্যের শক্তিতে উজ্জীবিত সিলেট

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২২:১৮, ১৬ জানুয়ারি ২০২২  
তারুণ্যের শক্তিতে উজ্জীবিত সিলেট

দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। আগামী ২১ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু বিপিএলের পর্দা উঠবে। ছয় দলের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই আসর নতুন করে শুরু হচ্ছে। নতুন দল, নতুন করে আবার দল গোছানো। সামর্থ্য ও শক্তিতে কে এগিয়ে? কোথায় দলগুলোর দুর্বলতা? তা নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন। আজ পড়ুন সিলেট সানরাইজার্সের গল্প।

বিপিএলে সিলেট দল মানেই বার বার মালিকানা পরিবর্তন। এক বছরের বেশি কেউই চা-বাগানের নগরীর দলটি পরিচালনা করতে চায় না। ফলে সাফল্যের রূপরেখাও তৈরি হয় না। এবার দলটির মালিকানা কিনেছে প্রগতি গ্রুপ। তারা কি সিলেটকে প্রথমবার বিপিএল শিরোপা এনে দিতে পারবে?

সিলেটের দলটির মূল শক্তি তারুণ্য। জাতীয় দলের নিয়মিত ক্রিকেটারদের মধ্যে কেবল তাসকিন আহমেদকেই তারা দলে ভিড়িয়েছে। সরাসরি সাইনে তাসকিনকে নেওয়ার পর প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে মিঠুন, মোসাদ্দেক, আল-আমিনকে দলে নিয়েছে। সম্প্রতি দারুণ ফর্মে আছেন মিঠুন, মোসাদ্দেক।

মিঠুন বিসিএলের লংগার ভার্সনে টুর্নামেন্ট সেরা। মোসাদ্দেক পঞ্চাশ ওভারের ক্রিকেটে। তাদের সঙ্গে ঘরোয়া ক্রিকেটের পরীক্ষিত ক্রিকেটার এনামুল হক বিজয়, নাজমুল ইসলাম অপু, সোহাগ গাজী রয়েছেন। অলরাউন্ডার হিসেবে মুক্তার আলী আছেন। বিগ হিটিংয়ে পারদর্শী নাদিফ চৌধুরীও আছেন দলটিতে। সিলেটের ক্রিকেটার হিসেবে আছেন অলোক কাপালি।

সব মিলিয়ে স্থানীয় ক্রিকেটার সংগ্রহে সিলেট কোনো চমক না দেখালেও হতাশ করেননি। মিঠুন, তাসকিন, মোসাদ্দেক, বিজয়রা জ্বলে উঠলে নিশ্চিতভাবেই সিলেটের বিজয়ের পতাকা উড়বে।

বিদেশি ক্রিকেটারদের মধ্যে শেষ মুহূর্তে লেন্ডল সিমন্সকে নিয়েছে তারা। মারকুটে এ ওপেনার নিশ্চিতভাবেই শক্তি বাড়াচ্ছে। এছাড়া দক্ষিণ আফ্রিকার কলিন ইনগ্রাম, ওয়েস্ট ইন্ডিজের কেসরিক উইলিয়ামস এবং শ্রীলঙ্কার সাবেক অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমালকে নিয়েছে। বিপিএলের নিয়মিত মুখ রবি বোপারাও আছেন দলটিতে। বাংলাদেশের উইকেট বেশ ভালোভাবে চেনায় বোপারাও হতে পারেন দলের চালিকাশক্তি।

শক্তিতে সিলেট পিছিয়ে নেই। তবে রয়েছে এক্স ফ্যাক্টরের অভাব। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যে ব্র্যান্ডের প্রয়োজন হয় সেই ব্র্যান্ডের ক্রিকেটার দলে নেই। নেতৃত্বের ঘাটতি হতে পারে।

মিঠুন, মোসাদ্দেকরা বড় মঞ্চে নেতৃত্ব দিলেও অন্য দলগুলোর অধিনায়করা নিশ্চিতভাবেই এগিয়ে থাকবেন।

তাসকিন দুর্দান্ত ফর্মে আছেন। বিপিএলের অন্যতম সেরা পেসার আল-আমিনও আছেন এই দলে। দুই পেসারের বোলিংয়ের দিকে তাকিয়ে থাকবে সিলেট তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এছাড়া স্পিনার নাজমুল ও সোহাগ গাজী বরাবরই ইকোনমিক্যাল। তাদের ঘূর্ণির অপেক্ষায় থাকবে দলটি। সঙ্গে লেগ স্পিনার জুবায়ের হোসেন লিখন বাড়তি শক্তি হতে পারেন।

ইয়াসিন/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়