ঢাকা     রোববার   ২২ মে ২০২২ ||  জ্যৈষ্ঠ ৮ ১৪২৯ ||  ২০ শাওয়াল ১৪৪৩

মুশফিকের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে ক্লুজনার

ক্রীড়া প্রতিবেদক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২০:১৯, ১৯ জানুয়ারি ২০২২  
মুশফিকের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে ক্লুজনার

২০১৯ সালে রাজশাহী কিংসের প্রধান কোচ হিসেবে বিপিএলে ছিলেন। তিন বছর পর আবারো এই টুর্নামেন্ট দিয়ে ফিরলেন বাংলাদেশে। খুলনা টাইগার্সের প্রধান কোচ হয়ে বাংলাদেশে ফিরে আপ্লুত আফগানিস্তানের সাবেক কোচ ল্যান্স ক্লুজনার। শিরোপা জিততেই এসেছেন বললেন এবং দলের তারকা ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিমের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে তিনি।

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অলরাউন্ডার বুধবার অনুশীলন শেষে জানালেন তার বাংলাদেশ প্রীতির কথা, ‘বাংলাদেশে ফিরে আসাটা বিরাট সৌভাগ্যের ব্যাপার। সম্ভবত চার কিংবা পাঁচ বছর আমি বাংলাদেশে ছিলাম না, শেষবার বিপিএলে ছিলাম রাজশাহীর হয়ে। সবসময় আমার হৃদয়ের বিশেষ জায়গায় আছে বাংলাদেশ।’

দলে অভিজ্ঞ তারকা বলতে মুশফিকের সঙ্গে আছেন সৌম্য সরকার। বড় কোনোও বিদেশি ক্রিকেটারও নেই। থিসারা পেরেরা, সিকান্দার রাজারা আছেন। তারপরও শিরোপা জেতার মনোবল ক্লুজনারের, ‘প্রতিযোগিতায় জেতার জন্য আমরা এখানে। ছেলেদের সঙ্গে এটাই আমি বলছিলাম। প্রতিযোগিতায় জেতা ছাড়া আর কোনো কারণ নেই এখানে আসার। আমি জানি অনেক ভালো দল আছে, কিন্তু দিন শেষে আমরা তিন সপ্তাহ ধরে লড়ব শিরোপার জন্য। সেটা হতে পারে আমাদের জন্য বিশাল অর্জন।’

লক্ষ্য অর্জনে স্থানীয় খেলোয়াড়দের দিকেই তাকিয়ে তিনি, ‘আমি বিশ্বাস করি না যে বাংলাদেশে বিপিএল বিদেশি খেলোয়াড় নির্ভর। আমি মনে করি বিপিএল স্থানীয় খেলোয়াড়দের। আমাদের লক্ষ্য সেরা স্থানীয় খেলোয়াড়দের নিয়ে চেষ্টা করে যাওয়া, ইতিহাস বলে যে গত চার-পাঁচ বছর বিপিএলের স্থানীয় খেলোয়াড়রাই টুর্নামেন্টকে এগিয়ে নিয়েছে। আগে স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা পেতে চাই এবং পরে বিদেশি খেলোয়াড়রা তাদের সহায়তা করবে।’

মুশফিকের দিকে বিশেষ নজর ক্লুজনারের, ‘আমি মুশফিকের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে। আগে কখনো এই সুযোগ পাইনি। তবে সম্ভবত সে বাংলাদেশের সবচেয়ে স্মার্ট ও কঠিন ক্রিকেট মস্তিষ্কের খেলোয়াড়। তার মতো একজনের সঙ্গে কাজ করতে পারা আমার সৌভাগ্যের। আমি এই সম্পর্কের দিকে তাকিয়ে এবং আমি তাকে সমর্থন দিয়ে নিশ্চিত করতে চাই যে আগামী তিন সপ্তাহ শিরোপার জন্য লড়ব আমরা। আমি তার মস্তিষ্কের ব্যবহার পেতে চাই, কারণ আমার কাছে বাংলাদেশই সম্ভবত ক্রিকেট খেলার জন্য সবচেয়ে কঠিন জায়গা। এখানে বিদেশি দেশগুলো আসার পর আমরা সেটা দেখেছি। তাই স্থানীয় খেলোয়াড়দের কাছ থেকে সেরাটা বের করাতেই আমার মনোযোগ।’

ঢাকা/ফাহিম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়