ঢাকা     বুধবার   ০৬ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ২২ ১৪২৯ ||  ০৬ জিলহজ ১৪৪৩

জুটি বেঁধে বোলিংয়ে সুফল মিললো

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১২:৫০, ২৫ মে ২০২২   আপডেট: ১৩:১৩, ২৫ মে ২০২২
জুটি বেঁধে বোলিংয়ে সুফল মিললো

টেস্ট ক্রিকেটকে বলা হয় ধৈর্যের খেলা। আর ধৈর্য মানেই জুটি বাঁধা। সেটা বোলিং হোক কিংবা ব্যাটিং। বোলিংয়ে বাংলাদেশের সাফল্যের অন্তরায় জুটির অভাব। বল নতুন হোক বা পুরোনো, বোলিং জুটি গড়ে না ওঠায় বাংলাদেশ সাদা পোশাকের ক্রিকেটে সাফল্য পাচ্ছে না ধারাবাহিকভাবে। 

একটা সময় মাশরাফি বিন মুর্তজা ও শাহাদাত হোসেন রাজিব জুটি বেঁধে ধারাবাহিক বোলিং করতেন। প্রতিপক্ষ শিবিরে আক্রমণ চালাতেন। কিন্তু তাদের পর সেভাবে দলে নিয়মিত হতে পারেননি কেউ। আসা-যাওয়ার মধ্যেই আছেন পেসাররা। ফলে বোলিং জুটি গড়ে ওঠেনি। তবে বুধবার সকালে বাংলাদেশের চার বোলার দেখালেন আশার আলো। শুরুটা ইবাদত হোসেন ও সাকিব আল হাসানকে দিয়ে। ইবাদত পেসার, সাকিব স্পিনার। কিন্তু তাদের রসায়ন জমলো বেশ। 

শুরুর ঘণ্টায় ইবাদত-সাকিবের আক্রমণের উত্তর জানা ছিল না শ্রীলঙ্কার। ইবাদতের গতিময় বোলিংয়ের সঙ্গে বৈচিত্র্য। কখনও লেন্থ বলে আক্রমণ করছিলেন, কখনও শর্ট বলে নিচ্ছিলেন পরীক্ষা। ইয়র্কার দিচ্ছিলেন নিয়মিত। অফস্টাম্পের ফোর্থ ও ফিফথ স্টাম্প বরাবর ধারাবাহিক বোলিং করেছেন। দিনের দ্বিতীয় বলে তার হাত ধরেই আসে প্রথম সাফল্য। বোল্ড করেন কাসুন রাজিথাকে। 

সাকিব স্লো বোলিংয়ে ব্যাটসম্যানদের দ্বিধায় ফেলছিলেন। বল টার্ন করায় সাফল্য মেলে। তাদের পর খালেদ ও তাইজুল একই ধারাবাহিকতা দেখান। উইকেট থেকে সকালের সুবিধা আদায় করে সকালের সেশন নিজেদের করে নেয় বাংলাদেশ। 

দুটি উইকেট পেলেও বোলিং বিচারে বাংলাদেশ অনেক এগিয়ে। বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের যেভাবে আটকে রেখেছিলেন তাতে ফুল মার্কস পাবেন চার বোলার। ২৪.১ ওভারের সেশনে রান এসেছে ৬৭। সব মিলিয়ে মেডেন ছিল ৬টি। ইবাদতের করা একটি ওভারে ৩টি চার বাদে কালেভাদ্রে ব্যাটসম্যানরা বাউন্ডারি পেয়েছেন। সব মিলিয়ে এ সেশনে চার এসেছে ৯টি। 

বৃষ্টির বাগড়ায় ৫ বল আগে সেশনের খেলা শেষ করতে হয়েছে। বিরতির পর বোলাররা একই ধারাবাহিকতায় বল করলে নিয়মিত বিরতিতে সাফল্য আসবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রথম সেশনে জুটি বেঁধে বোলিংয়ে সুফল মিললো। সেই ধারাবাহিকতা দ্বিতীয় সেশনে থাকা চাই।

ঢাকা/ইয়াসিন/ফাহিম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়