ঢাকা     শুক্রবার   ০১ জুলাই ২০২২ ||  আষাঢ় ১৭ ১৪২৯ ||  ০১ জিলহজ ১৪৪৩

বাটলারের সেঞ্চুরিতে কোহলিদের হারিয়ে ফাইনালে রাজস্থান

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ২৩:৩৪, ২৭ মে ২০২২   আপডেট: ০০:২১, ২৮ মে ২০২২
বাটলারের সেঞ্চুরিতে কোহলিদের হারিয়ে ফাইনালে রাজস্থান

সেঞ্চুরির পর জস বাটলার || ছবি: আইপিএল

আইপিএলের এবারের আসরে নিয়মিত হাসছে জস বাটলারের ব্যাট। মোট রানের দিক দিয়ে রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটসম্যানের ধারে-কাছে নেই কেউ। শুক্রবার আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিপক্ষেও হাসলো তার ব্যাট। তুলে নেন চলতি আইপিএলে নিজের চতুর্থ সেঞ্চুরি। তার ঝড়ো সেঞ্চুরিতে ভর করে বেঙ্গালুরুকে ৭ উইকেটে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে রাজস্থান।

বেঙ্গালুরু আগে ব্যাট করে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রান সংগ্রহ করে। জবাবে বাটলারের ৬০ বলে করা ১০৬ রানের ইনিংসে ভর করে ৭ উইকেট ও ১১ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় রাজস্থান। নিশ্চিত করে ফাইনাল। রোববার (২৯ মে) ফাইনালে গুজরাট টাইটান্সের মুখোমুখি হবে রাজস্থান।

বাটলার আজ ৫৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। শেষ পর্যন্ত ১০টি চার ও ৬টি ছক্কায় ১০৬ রানে অপরাজিত থাকেন। এর আগে তিনি মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ১০০, কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিপক্ষে ১০৩ ও দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে ১১৬ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। এছাড়া প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে গুজরাটের বিপক্ষে করেছিলেন ৮৯ রান। ৪ সেঞ্চুরি ও ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে ১৬ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়িয়েছে ৮২৪। দ্বিতীয় স্থানে থাকা লোকেশ রাহুলের রান ৬১৬।

চারটি সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে বিরাট কোহলির ৬ বছর আগে করা রেকর্ড ছুঁয়েছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান বাটলার। ২০১৬ সালে কোহলি এক আসরে সর্বোচ্চ ৪টি সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। সেবার তিনি ৪টি সেঞ্চুরি ও ৭টি হাফ সেঞ্চুরিতে রেকর্ড ৯৭৩ রান করেছিলেন।

আজ বেঙ্গালুরুর ছুড়ে দেওয়া ১৫৭ রান তাড়া করতে নেমে উদ্বোধনী জুটিতে ৫ ওভারেই ৬১ রান তুলে ফেলেন যশস্বী জয়সাল ও জস বাটলার। এই রানে জয়সাল ২১ রান করে সাজঘরে ফেরেন। এরপর সঞ্জু স্যামসনকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ১১৩ পর্যন্ত নিয়ে যান বাটলার। এই রানে সঞ্জু ফিরেন ২৩ রান করেন। 

সেখান থেকে দেবদূত পাড্ডিকালকে নিয়ে দলীয় সংগ্রহকে ১৪৮ পর্যন্ত টেনে নেন বাটলার। এই রানে ফেরেন পাড্ডিকাল ৯ রান করে। বাটলারকে অবশ্য আউট করা যায়নি। তিনি ৮৬ মিনিটে ক্রিজে থেকে ৬০ বল মোকাবিলা করে ১০টি চার ও ৬ ছক্কায় ১০৬ রানের ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে এবং ফাইনালে তুলে মাঠ ছাড়েন।

বল হাতে বেঙ্গালুরুর জস হ্যাজলেউড ২টি উইকেট নেন।

তার আগে টস হেরে ব্যাট করতে নামা বেঙ্গালুরু ৯ রানেই প্রথম উইকেট হারায়। এ সময় সাজঘরে ফেরেন বিরাট কোহলি। ৮ বলে ৭ রান করে প্রসিদ্ধ কৃষ্ণার বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি।

সেখান থেকে ৭০ রানের জুটি গড়েন ফাফ ডু প্লেসিস ও রজত পতিদার। ৭৯ রানের মাথায় ডু প্লেসিস ২৫ রান করে ফিরলে ভাঙে এই জুটি। এরপর পতিদার ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল দলীয় সংগ্রহকে টানতে থাকেন। ১১১ রানের মাথায় মারমুখী হয়ে ওঠা ম্যাক্সওয়েলও আউট হন ১৩ বলে ২৪ রান করে। ১৩০ রানের মাথায় পতিদার আউট হলে ধুকতে শুরু করে বেঙ্গালুরু।

আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান আজ ৪২ বলে ৪টি চার ও ৩ ছক্কায় সর্বোচ্চ ৫৮ রান করে আউট হন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৮ রানের বেশি করতে পারেনি বেঙ্গালুরু।

বল হাতে রাজস্থানের প্রসিদ্ধ কৃষ্ণা ও ওবেদ ম্যাককয় ৩টি করে উইকেট নেন।

ম্যাচসেরা হন রাজস্থানের সেঞ্চুরিয়ান জস বাটলার।

ঢাকা/আমিনুল

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়