ঢাকা     সোমবার   ৩০ জানুয়ারি ২০২৩ ||  মাঘ ১৬ ১৪২৯

ফ্রান্সের সঙ্গে শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়া নাকি ডেনমার্ক?

ক্রীড়া ডেস্ক || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ১০:০০, ৩০ নভেম্বর ২০২২   আপডেট: ১০:০৭, ৩০ নভেম্বর ২০২২
ফ্রান্সের সঙ্গে শেষ ষোলোতে অস্ট্রেলিয়া নাকি ডেনমার্ক?

শেষ ষোলোয় চোখ রেখে আল ওয়াকরার আল জানোব স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে অস্ট্রেলিয়া ও ডেনমার্ক। ‘ডি’ গ্রুপ থেকে ফ্রান্সের সঙ্গে নকআউটে ওঠার লড়াইয়ে ডেনিসদের চেয়ে এগিয়ে আছে সকারুরা। আগের ম্যাচে তিউনিসিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া, যা ২০১০ সালের পর বিশ্বকাপে তাদের প্রথম জয়।

অস্ট্রেলিয়ার জন্য আরেকটি উজ্জীবিত হওয়ার মতো ব্যাপার হলো, প্রথম ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে বড় ব্যবধানে হারলেও প্রথম গোলটি করেছিল তারাই। অন্যদিকে তিউনিসিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর ফ্রান্সের কাছে ২-১ গোলে হেরে ডেনমার্ক কঠিন পরীক্ষার সামনে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৯টায় মুখোমুখি হচ্ছে দুই দল।

কাতারে দুই ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে অস্ট্রেলিয়া, ডেনমার্কের পয়েন্ট ১। ২০১০ সালেও অস্ট্রেলিয়া ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ পর্ব শেষ করেছিল। গ্রুপের শেষ ম্যাচে ওইবার সার্বিয়াকে হারালেও গোল ব্যবধানে ঘানার সঙ্গে পিছিয়ে থাকায় ছিটকে যায় তারা। 

বিশ্বকাপে পাঁচবার অংশ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার সেরা সাফল্য ২০০৬ সালের শেষ ষোলোতে খেলা। এবার সেই অর্জনের পুনরাবৃত্তি করতে পারলে সেটা হবে দারুণ প্রাপ্তি। তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ১৯৭৪ সালের পর প্রথম ক্লিনশিট ধরে রেখে উজ্জীবিত সকারুরা, ডেনিসদের বিপক্ষে একই পারফরম্যান্স করতে পারলে সেরা সাফল্যকে ছুঁতে পারে তারা। 

খাদের কিনারায় থাকা ডেনমার্কের জন্য অপ্রত্যাশিত বটে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে ৯ ম্যাচে আটটি ক্লিন শিট ধরে রেখে কাতারের টিকিট পেয়েছিল তারা। অথচ সেই দলটি গ্রুপ পর্বে ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায়।

তবে ডেনমার্ক অনুপ্রেরণা নিতে পারে গত ইউরো তেকে। গ্রুপের প্রথম দুটি ম্যঅচ হেরে গিয়েও তারা খেলেছিল সেমিফাইনালে। এছাড়া পাঁচবার বিশ্বকাপ খেলে চারবারই তারা নকআউটে উঠেছে। এসব পরিসংখ্যান নিশ্চিতভাবে আশাবাদী করে তুলবে ডেনিসদের। চারবারের দেখায় অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ২-১ এ এগিয়ে তারা। বিশ্বকাপে একবার দেখা হয়েছিল দুই দলের। গত আসরের ম্যাচটি ড্র হয়েছিল ১-১ গোলে।  

অস্ট্রেলিয়ার সামনে সমীকরণ- শীর্ষ দুই থেকে গ্রুপ পর্ব শেষ করতে হলে ডেনমার্ককে হারাতে হবে। ড্র করলেও কোয়ালিফাই করবে, যদি তিউনিসিয়া ফ্রান্সের বিপক্ষে জিততে না পারে। যদি অস্ট্রেলিয়া ড্র করে এবং তিউনিসিয়া জেতে, তাহলে গোলব্যবধানে অস্ট্রেলিয়াকে পেছনে ফেলে দ্বিতীয় হবে তিউনিসিয়া। হারলে সকারুদের বিদায়ঘণ্টা বাজবে।

ডেনমার্কের সামনেও প্রায় একই সমীকরণ। তাদের অবশ্যই জিততে হবে এবং তিউনিসিয়া যেন না জেতে, সেই কামনা করতে হবে। যদি ডেনমার্ক ও তিউনিসিয়া দুই দলই জিতলে ফ্রান্স ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হবে এবং ডেনমার্ক-তিউনিসিয়া দুই দলেরই পয়েন্ট হবে ৪। দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণ হবে গোল ব্যবধান হিসাব করে, দুই দলেরই এখন সমান (-১)। সেটাও যদি নির্ধারক না হয়, তখন দুই দলের কে কয়টি গোল করেছে সেই হিসাব হবে। সেটাতেও সমান থাকলে দ্বিতীয় স্থান নির্ধারণ হবে ফেয়ার প্লে পয়েন্টে।

ঢাকা/ফাহিম

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়