RisingBD Online Bangla News Portal

ঢাকা     বৃহস্পতিবার   ০১ অক্টোবর ২০২০ ||  আশ্বিন ১৬ ১৪২৭ ||  ১৩ সফর ১৪৪২

মামুনের অর্থপাচার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ১৮ ডিসেম্বর

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট || রাইজিংবিডি.কম

প্রকাশিত: ০৫:১১, ১৮ নভেম্বর ২০১২   আপডেট: ০৫:২২, ৩১ আগস্ট ২০২০
মামুনের অর্থপাচার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু ১৮ ডিসেম্বর

ঢাকা: অর্থপাচার মামলায় বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ব্যবসায়ী গিয়াস উদ্দিন আল মামুনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার (মানিলন্ডারিং) মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রোববার আসামিপক্ষে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সময়ের আবেদন করা হয়।

সময়ের আবেদনে বলা হয়, আসামি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন আদেশের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন করবেন। কিন্তু অভিযোগ গঠন আদেশের সহি মুহুরী নকল না পাওয়ায় এ আবেদন করা যায়নি।

তাছাড়া রোববার মামুনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের কোনো সাক্ষী আদালতে না আসায় রাষ্ট্রপক্ষেও সময়ের আবেদন করা হয়।

শুনানি শেষে ঢাকার তিন নম্বর বিশেষ জজ মো. মোজ্জাম্মেল হোসেইন আগামি ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করেছেন।
এ সময় মামুনকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। গত ৩১ অক্টোবর মামুনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগ(চার্জ) গঠন করেন আদালত।

অভিযোগ গঠনের পর মামুনকে অভিযোগ পড়ে শুনানো হলে তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

২০১১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর দুদকের উপরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ক্যান্টনমেন্ট থানায় এ মামলা দায়ের করেছিলেন।

মামলায় বলা হয়, বিটিএল ও গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালের চেয়ারম্যান এম শাহজাদ আলী রেলওয়ের সিগন্যালিং আধুনীকিকরনের কাজ পান। কিন্তু কার্যাদেশ চূড়ান্ত করার সময় মামুন তার কাছে অবৈধ কমিশন দাবি করেন। নতুবা কার্যাদেশ বাতিল করার হুমকি দেন।
এজাহারে বলা হয়েছে, মামুন ২০০৩ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে রেলওয়ের সিগন্যালিং আধুনীকিকরণের কার্যাদেশ বাতিলের হুমকি দিয়ে আদায় করা প্রায় ৬ কোটি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৭৬২ টাকা কমিশন নিয়ে কয়েক দফায় বাংলাদেশ থেকে লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাংকে পাচার করেন।

ঘটনাটি তদন্ত করে গত ২৯ এপ্রিল দুদকের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ইব্রাহিম ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতে এ মামুনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। চার্জশিটে ১০ জনকে সাক্ষী করা  হয়।

প্রসঙ্গত, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ২০০৭ সালের ৩০ জানুয়ারি যৌথবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন মামুন। এরপর তার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, অর্থপাচার, করফাঁকিসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০টিরও বেশি মামলা হয়। কয়েকটি মামলায় জামিন না’মঞ্জুর হওয়ায় তিনি এখনো কারাবন্দি রয়েছেন।

রাইজিংবিডি.কম

সর্বশেষ

পাঠকপ্রিয়